• ঢাকা
  • বুধবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২১, ১২ কার্তিক ১৪২৮
প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২১, ০৫:৩৮ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২১, ১১:৩৮ এএম

মোস্তাফা জব্বারঃ

স্মারক ডাকটিকেট নতুন প্রজম্মের জন্য আলোর দিশারী স্বরূপ

স্মারক ডাকটিকেট নতুন প্রজম্মের জন্য আলোর দিশারী স্বরূপ
ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। ছবি- জাগরণ।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী জনাব মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, স্মারক ডাকটিকেট নতুন প্রজম্মের জন্য আলোর দিশারী স্বরূপ। স্মারক ডাকটিকেটের মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম অতীতের জীবনধারা, সংস্কৃতি এবং ইতিহাসকে আত্মস্থ করার সুযোগ পায়। ডাকটিকেট সংগ্রহ একটা বড় শখ ও নেশা। এখন আগের মতো চিঠি চালাচালি নেই তবু অনেকের কাছেই স্মারক ডাকটিকেট সংগ্রহ এখনও বড় শখ। তিনি নতুন প্রজন্মকে স্মারক ডাকটিকেট সংগ্রহে উদ্বুদ্ধ করতে ফিলাটেলিক সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। একটি ডাকটিকেট শতাব্দীর পর শতাব্দীর ইতিহাসকে প্রতিনিধিত্ব করে বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন।

মন্ত্রী আজ ঢাকায় ফিলাটেলিক সোসাইটি অব বাংলাদেশ আয়োজিত জুবিলিপেক্স ২০২১- ইন্টারন্যাশনাল  ফ্রেন্ডশীপ ভার্চুয়াল ফিলাটেলিক এক্সিবিশন- এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী স্মারক ডাকটিকেট সংগ্রহ করে ইতিহাস, সাহিত্য, সংস্কৃতি, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক  গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পরিমনণ্ডলে তুলে ধরতে ফিলাটেলিক সংগঠনসমূহের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ডাকটিকিট একটি জাতির ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং বিশিষ্ট ব্যক্তি সম্পর্কে কথা বলে। তিনি বলেন, সবগুলো ঘটনা নিয়ে হয়তো ডাকটিকেট প্রকাশ করতে না পারলেও প্রতিটি ঘটনার প্রতিনিধিত্বমূলক একেকটি বিষয় নিয়ে আমরা স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে ডাক টিকেট প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণ করছি। একই প্রয়াস আমরা মুবিজবর্ষেও নিয়েছি।

এটি  একটি ধারাবাহিক প্রয়াস উল্লেখ করে তিনি বলেন,  নতুন প্রজন্মের কাছে এক একটি ডাকটিকেট একেকটি মহাকাব্য হতে পারে। আমাদের দেশে ডাকটিকেট সংগ্রহকে আন্দোলন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এই ব্যাপারে তিনি সম্ভাব্য সকল সহযোগিতা প্রদানে ডাক বিভাগ বদ্ধপরিকর বলে জানান।

তিনি বলেন, যতবেশি ডিজিটাল প্রযুক্তির বিস্তার লাভ করছে সন্তানদের নিয়ে বিপন্ন হওয়া ততো বাড়ছে। ডিজিটাল রূপান্তরের ভাল দিকটি যাতে শিশুরা গ্রহণ করতে পারে সে ব্যাপারে অভিভাবকদের দায়িত্ব রয়েছে। ডাকঘরকে ডিজিটাল ডাকঘরে পরিণত করার  সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে উল্লেখ করে ডিজিটাল প্রযুক্তি বিকাশের অগ্রদূত জনাব মোস্তাফা জব্বার বলেন, প্রযুক্তির বিকাশ ডাকঘরের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। ডাকঘর আধুনিকায়ন ও ডিজিটাল করতে না পারলে  ডাকঘর সচল রাখতে পারব না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডাক সার্ভিসের উন্নয়নে খুবই আন্তরিক। এরই ধারাবাহিকতায় ডাকঘরকে ডিজিটাল ডাকঘরে রূপান্তর করার কাজ শুরু হয়েছে। 

ফিলাটেলিক সোসাইটি অব বাংলাদেশ নেতা আকবর হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. সিরাজ উদ্দিন, বাংলাদেশের প্রথম ডাকটিকেটের ডিজাইনার বিমান চন্দ্র মল্লিকসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তৃতা করেন।

 

জাগরণ/এসকেএইচ