• ঢাকা
  • বুধবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২২, ১৩ মাঘ ১৪২৮
প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২, ২০২১, ০১:০৩ এএম
সর্বশেষ আপডেট : ডিসেম্বর ১, ২০২১, ০৭:০৩ পিএম

মধ্যম আয়ে উন্নীত হওয়া বিজয়ের ৫০ বছরে ঐতিহাসিক অর্জন : জয়

মধ্যম আয়ে উন্নীত হওয়া বিজয়ের ৫০ বছরে ঐতিহাসিক অর্জন : জয়
সজীব ওয়াজেদ জয় ● ফাইল ফটো

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, বিজয়ের ৫০তম বছরে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে- জাতি হিসেবে এটি আমাদের একটি ঐতিহাসিক অর্জন।

বুধবার (১ ডিসেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। এরই মধ্যে আমরা সফলভাবে সে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেছি।

দেশবাসীর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় লিখেছেন, সামনে আমাদের লক্ষ্য ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলা। ইনশাআল্লাহ্ আপনাদের সকলের সহযোগিতা ও অংশগ্রহণে আমরা সেই লক্ষ্যও অর্জনে সফল হবো।

বিজয়ের মাস ডিসেম্বরের প্রথম দিনে ফেসবুক স্ট্যাটাসে বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র জয় আরও লিখেছেন, বিজয়ের মাস ডিসেম্বর। বিজয়ের মাসের শুরুতে স্মরণ করছি হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের ৩০ লাখ শহীদকে। একইসঙ্গে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি জাতীয় চার নেতাকে, যাদের নেতৃত্ব ও দৃঢ়তার কাছে হেরে গিয়েছিল বর্বর পাকিস্তানি বাহিনী; অর্জিত হয়েছিল বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা।

জয় বলেন, ‘বিজয়ের মাসে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়াই হোক আমাদের সকলের প্রত্যয়।’

‘স্বপ্ন নয়, বাস্তব’

একই দিন দেয়া আরেকটি ফেসবুক পোস্টে সজীব ওয়াজেদ জয় জানান, আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে দেয়া ডিজিটাল বাংলাদেশের দিনবদলের সনদ এখন স্বপ্ন নয়, বাস্তব। ডিজিটাল সেবায় সারাদেশে কার্যকরী ভূমিকা রাখছে প্রায় আট হাজার ডিজিটাল সেন্টার, যেখানে তিনশর বেশি সেবা পাচ্ছে দেশের মানুষ।

তিনি বলেন, রাজশাহীর হরিয়ান পূর্বপাড়া গ্রামে দিনবদলের গল্পে যোগ হয়েছে হরিয়ান ইউনিয়ন পরিষদ; যেখানকার ডিজিটাল সেন্টার থেকে প্রায় ২০ ধরনের সেবা পান গ্রামের সাধারণ মানুষ।

জয় বলেন, জন্ম-মৃত্যু সনদ, জমির পর্চা ও পাসপোর্ট ফরম পূরণ থেকে শুরু করে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) টিকার রেজিস্ট্রেশন পর্যন্ত সব সেবাই মিলছে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার থেকে। যার ফলে এখন আর অন্ধকারে নেই গ্রামবাসী।

জাগরণ/এসএসকে