• ঢাকা
  • সোমবার, ২৩ মে, ২০২২, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯
প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৭, ২০২১, ১০:৫১ এএম
সর্বশেষ আপডেট : ডিসেম্বর ১৭, ২০২১, ১০:৫১ এএম

বাংলাদেশে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড কমেছে : যুক্তরাষ্ট্র

বাংলাদেশে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড কমেছে : যুক্তরাষ্ট্র
ফাইল ফটো।

বাংলাদেশে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড কমেছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ২০২০ সালে দেশে তিনটি সন্ত্রাসী হামলার ঘটনার কথা তুলে ধরে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওইসব ঘটনায় কোনো প্রাণহানি হয়নি। সন্ত্রাসবিরোধী আইন-আদালত কার্যকর রয়েছে।

বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়। মন্ত্রণালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী ব্যুরোর তৈরি এ প্রতিবেদনে বাংলাদেশের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের চিত্রও তুলে ধরা হয়েছে। ওইসব দেশের তুলনায় বাংলাদেশে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড কমেছে।

প্রতিবেদনের বাংলাদেশ অংশে বলা হয়েছে, বরাবরের মতো বাংলাদেশভিত্তিক সন্ত্রাসীদের সঙ্গে আইএস কিংবা আল কায়দার মতো আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসীদের যোগসূত্র নেই বলে দাবি করে আসছে সরকার।

ঢাকার একটি রেস্টুরেন্টে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় ২০১৯ সালে বিশেষ ট্রাইব্যুনালে সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। এটি এখন আপিল বিভাগে আছে। ওই হামলার দায় স্বীকার করে আন্তর্জাতিক জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস)। ২০১৬ সালে হলি আর্টিসান বেকারিতে চালানো ওই হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের এক নাগরিকসহ ২০ জন নিহত হন।

তবে প্রতিবেদন বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থার দুর্বলতার কথা বলেছে। তারা বলেছে, বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থার দুর্বলতা, যা বৈশ্বিক মহামারিজনিত সংকটে আরও প্রকট হয়েছে। যে কারণে সন্ত্রাসবাদের মামলাগুলোয় জট তৈরি করেছে। এসব মামলার রায় প্রদানের হার ১৫ শতাংশ।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশ সরকার। জানুয়ারিতে কাউন্টার টেররিজম এজেন্সিকে আরও শক্তিশালী করতে বাংলাদেশ সরকার নতুন একটি ইউনিট গঠন করেছে।

প্রতিবেদনে ২০২০ সালে বাংলাদেশে সংঘটিত যেসব সন্ত্রাসী হামলার তথ্য দেয়া হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে- ২৮ ফেব্রুয়ারি হাতে তৈরি বোমার বিস্ফোরণ ঘটে চট্টগ্রাম নগরীর একটি পুলিশ চৌকির কাছে। ৩১ জুলাই নওগাঁ জেলার একটি হিন্দু মন্দিরে হামলা হয়, যেখানে একটি ঘরে তৈরি বোমা পাতা হয়। দুটি হামলার জন্যই আইএস দায় স্বীকার করে। ওই দুই ঘটনায় বেশ কয়েকজন হতাহত হন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইন সংশোধন করা হয় ২০১২ ও ২০১৩ সালে। ওই আইন অপরাধ বিচার ব্যবস্থায় পুরোদমে প্রয়োগ হতে থাকে ২০২০ সালেও। এই আইনের আওতায় সাতটি বিশেষ ট্রাইব্যুনালে বেশকিছু মামলার বিচার শুরু হয়। এসব মামলার মধ্যে আছে ২০১৫ সালে ব্লগার ও বিজ্ঞানবিষয়ক লেখক অনন্ত বিজয় দাশ হত্যা মামলা। এই হত্যার দায় স্বীকার করে আল কায়েদাপন্থি জঙ্গি সংগঠন আনসার আল-ইসলাম।

 

 

এসকেএইচ//