• ঢাকা
  • সোমবার, ২৩ মে, ২০২২, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯
প্রকাশিত: জানুয়ারি ৭, ২০২২, ১২:৩৩ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : জানুয়ারি ৭, ২০২২, ০৬:৩৩ এএম

বুলেট ট্রেনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নামে শত কোটি টাকা ব্যয়

বুলেট ট্রেনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নামে শত কোটি টাকা ব্যয়
প্রতীকী ছবি

ঘণ্টায় গতি ৩শ কিলোমিটার। ঢাকা থেকে মাত্র ৫৫ মিনিটে পৌঁছানো যাবে চট্টগ্রাম। বিরতি নিলে সময় লাগবে ৭৫ মিনিট। ঢাকা থেকে নারায়ণগঞ্জ। এরপর কুমিল্লা হয়ে চট্টগ্রাম রুটে এমনই হাইস্পিড ট্রেন চালুর পরিকল্পনা করছে সরকার। যে প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় এক লাখ কোটি টাকা। তবে শুরুর আগেই অর্থায়ন নিয়ে দেখা দিয়েছে সংশয়।

২০১৬ সালে ৩০ বছর মেয়াদি রেলের মাস্টারপ্ল্যানে বুলেট ট্রেন প্রকল্প না থাকলেও হঠাৎ করেই তা চলে এলো। শুরুর আগে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নামে এরই মধ্যে খরচও হয়েছে প্রায় ১০০ কোটি টাকা। যা ছোট খাটো একটা প্রকল্প ব্যয়ের সমান। প্রতিবেদন অনুযায়ী কেবল সহজ শর্তের ঋণেই এ প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব।

হাই স্পিড ট্রেন প্রসঙ্গে রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন বলেন, এই মুহূর্তে প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেই এবং সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের অনুমোদন দেন নি তিনি।

এ বিষয়ে যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ ও বুয়েটের শিক্ষক অধ্যাপক শামসুল হক বলেন, যদি বর্তমান প্রেক্ষাপটে এক লাখ কোটি টাকা অর্থায়নও পাওয়া যায় তারপরও এটি হবে একটি বিপদজনক উদ্যোগ। তার মতে কারও ব্যক্তিগত স্বার্থেই হয়েছে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নামে অর্থের অপচয়।

টাকার অংকে এই হাই স্পিড ট্রেনই হতে যাচ্ছে রেলের ইতিহাসের সবচে বড় প্রকল্প। যা বাস্তবায়নে ২০১৮ সালে চায়না রেলওয়ে কন্সট্রাকশান করপোরেশন ইন্টারন্যাশনালের সঙ্গে একটি সমঝোতাও স্বাক্ষরিত হয়। পরে নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগে চীনা দূতাবাসের আপত্তিতে তা বাতিল করা হয়।

জাগরণ/এসএসকে