• ঢাকা
  • শনিবার, ২৮ মে, ২০২২, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯
প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৬, ২০২২, ০৮:২৬ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : জানুয়ারি ২৬, ২০২২, ০২:২৬ পিএম

ডোপ টেস্টে চাকরি হারাল ৩৭ পুলিশ 

ডোপ টেস্টে চাকরি হারাল ৩৭ পুলিশ 

মাদকাসক্তির জন্য পুলিশ সদস্যদের মধ্যে এই পর্যন্ত ৩৭ জন চাকরি হারিয়েছেন। পুলিশকে মাদকমুক্ত করতে বছর খানেক আগে এই বাহিনীর সদস্যদের ডোপ টেস্ট শুরু হয়। ডোপ টেস্টে ধরা পড়া পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ডোপ টেস্টে এখন পর্যন্ত ৩৭ জন সদস্য চাকরিচ্যুত হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি মো. হায়দার আলী খান।

বুধবার (২৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ঢাকার রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে পুলিশ সপ্তাহর চতুর্থ দিনের অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন। 

মাদকাসক্তদের চিহ্নিত করার এই প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করে হায়দার আলী খান বলেন, বাংলাদেশে পুলিশই প্রথম ডোপ টেস্ট চালু করে। সরকারের অন্য কোনো বিভাগ আমাদের মতো সেভাবে ডোপ টেস্ট চালু করতে পারেনি। কোনো মাদকাসক্ত পুলিশে যোগদান করে কি না, সেটি আমরা প্রথমেই চেক করি। পরবর্তীতে প্রতিনিয়ত এই ডোপ টেস্ট করা হয়ে থাকে। কেউ যদি ডোপ টেস্টে ধরা পড়ে, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে কোনো অনিয়মের অভিযোগ উঠলেও তদন্ত করে সেক্ষেত্রেও ব্যবস্থা নেওয়া হয় জানিয়ে তিনি বলেন, অভিযোগ উত্থাপিত হলে অথবা যে কোনো সময় সেটি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। একইসঙ্গে পুলিশের বিভাগীয় ব্যবস্থা চালু থাকে এবং নিয়মিত মামলা হয়।

পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি হামলার বিষয়টি তদন্তসাপেক্ষ। পুলিশ সদর দফতর এ বিষয়ে তদন্ত করছে। তদন্তে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি হামলার সত্যতা পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তাহলে কি শাবিপ্রবির পরিস্থিতি সম্পর্কে পুলিশ সদর দপ্তর অবগত নয়? জবাবে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বতন্ত্র কিছু নিয়ম-কানুন আছে। তাদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ রয়েছে। পুলিশ শুধু ল অ্যান্ড অর্ডার ম্যানেজমেন্ট, আইনশৃঙ্খলার বিষয়টি দেখে। তাও বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনের আমন্ত্রণেই পুলিশ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়োজিত হয়।

পুলিশি হামলার বিষয়ে জানতে চাইলে হায়দার আলী খান বলেন, বিষয়টি পুলিশ সদর দফতর দেখছে, বিভাগীয় তদন্ত করছে। তদন্ত সাপেক্ষে যদি কোনো অভিযোগ প্রমাণিত হয় তাহলে দায়ীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

দৈনিক জাগরণ/আরকে