• ঢাকা
  • রবিবার, ২৩ জুন, ২০২৪, ৯ আষাঢ় ১৪৩১
প্রকাশিত: নভেম্বর ২৭, ২০২৩, ১২:৫৫ এএম
সর্বশেষ আপডেট : নভেম্বর ২৭, ২০২৩, ১২:৫৫ এএম

যেমন হলো আওয়ামী লীগের মনোনয়ন

যেমন হলো আওয়ামী লীগের মনোনয়ন
ছবি ● প্রতীকী

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী দেওয়ার ক্ষেত্রে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ অন্য যে কোনো সময়ের তুলনায় অনেক বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়েছে। একই সঙ্গে কোনো কোনো ক্ষেত্রে কঠোর অবস্থানও নিয়েছে। এবারে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে নতুন মুখকে।

রূপালী পর্দার নায়ক থেকে শুরু করে বাংলাদেশের ক্রিকেটের পোস্টার বয় যেমন মনোনয়ন পেয়েছেন, তেমনি ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে উঠে এসে এখন আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় অনেক নুতন ও প্রতিশ্রুতিশীল মুখকে নৌকার মাঝি হিসাবে বেছে নিয়েছে দলটি, যাদের পরিচ্ছন্ন রাজনীতির গৌরবজনক অধ্যায় রয়েছে।

আবার এবার মনোনয়ন দেওয়ার ক্ষেত্রে দুর্নীতিবাজদের বিশেষ করে যারা একাদশ জাতীয় সংসদে রয়েছেন, অথচ দুর্নীতির নানা অভিযোগে অভিযুক্ত তাদেরকে বাদ দেয়া হয়েছে। বয়সের কারণে আর নির্বাচন করতে চান না, এমন সংসদ সদস্যদেরকে বাদ দিয়ে সেখানে তরুণ নেতৃত্বের ওপর আস্থা রেখেছে আওয়ামী লীগ। যেমন চট্টগ্রামের প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের জায়গায় মনোনয়ন দেয়া হয়েছে তার ছেলে মাহবুবুর রহমান রুহেলকে।

সব মিলিয়ে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ৭৩টি আসনে নতুন মুখ দিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। যাদের মধ্যে অনেকেই রাজনীতিতে নতুন এবং পরিচ্ছন্ন মুখ। এছাড়া আগে সংসদ সদস্য ছিলেন। কিন্তু গত নির্বাচনে মনোনয়ন পাননি তাদেরকেও জায়গা করে দিয়েছেন দলীয় প্রধান। অভিজ্ঞ এবং নবীনদের সমন্বয়ে একটি ভারসাম্য এনেছেন মনোনয়ন প্রধানের ক্ষেত্রে।

রোববার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ২৯৮ আসনের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। কুষ্টিয়া-২ এবং নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে কোনো প্রার্থী দেয়া হয়নি। ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন, এই দুটি আসনে প্রার্থীদের নাম পরে ঘোষণা করা হবে।

আওয়ামী লীগ যাদেরকে প্রথমবারের মতো জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলে প্রার্থী করেছে তাদের মধ্যে রয়েছেন সুদর্শন, চলচ্চিত্রের চেনা মুখ নায়ক ফেরদৌস আহমেদ। তাকে মনোয়ন দেয়া হয়েছে ঢাকা-১০ আসনে। এই আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দীন।

মাগুরা-১ এর বর্তমান সংসদ সদস্য সাইফুজ্জামান শিখর মনোনয়ন পাননি। তিনি প্রধানমন্ত্রীর সাবেক সহকারী একান্ত সচিব। তার বাবা চারবার সংসদ সদস্য ছিলেন। এই আসনে আওয়ামী লীগের বড় চমক হচ্ছেন জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। তাকেই বেছে নেয়া হয়েছে আগামী নির্বাচনের জন্য। তিনি মোট তিনটি আসনে মনোনয়ন তুলেছিলেন।

মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক নাঈমুর রহমান দুর্জয়ও দলীয় মনোনয়ন হারিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় জমি দখলের অভিযোগ ওঠে। এখানে মনোনয়ন পেয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুস সালাম।

ঢাকায় আরও একাধিক আসনে নতুন মুখ এসেছে। এরমধ্যে ঢাকা-৬ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাঈদ খোকন। ঢাকা-৭ আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য হাজি সেলিমের ছেলে সোলায়মান সেলিমকে মনোনয়ন দিয়েছে আওয়ামী লীগ।

ঢাকা-১৪-আসনে দলটি প্রথমবারের মত মনোয়ন দিয়েছে যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল ইসলাম খান নিখিলকে। বাদ পড়েছেন এই আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য আগা খান।

আবাসন ব্যবসায়ী এনামুল হক নানা কারণে আলোচনায় আসেন। ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রেরও ব্যবসা আছে তার। রাজশাহী-৪ আসনের এই সংসদ সদস্য এবার বাদ পড়েছেন। এখানে মনোনয়ন পেয়েছেন আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশবিষয়ক উপকমিটির সদস্য মো. আবুল কালাম আজাদ।

প্রধানমন্ত্রীর সাবেক উপদেষ্টা প্রয়াত এইচ টি ইমামের ছেলে তানভীর ইমাম এবার বাদ পড়েছেন। তাঁর নির্বাচনী এলাকা সিরাজগঞ্জ-৪ আসনে এবার নৌকা পেয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম। তিনি উল্লাপাড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন, সম্প্রতি পদত্যাগ করেছেন।

ঢাকা-৮ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন দলটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম। তিনি ২০১৪ সালে মাদারীপুর-৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেও এবার তাকে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়েছে। ২০১৮ সালের নির্বাচনে তিনি মনোনয়ন পাননি। ঢাকা-৮ আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য হচ্ছে আওয়ামী লীগের জোট শরিক ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন।

জামালপুরের সরিষাবাড়ি আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য ও সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসানকে বাদ দিয়ে মনোয়ন দেয়া হয়েছে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মাহবুবুর রহমানকে। অন্যদিকে, যশোর-২ আসনে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে তৌহিদুজ্জামানকে। তিনি একেবারেই নতুন মুখ। ডা. তৌহিদ আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতা এবং সংসদ সদস্য তোফায়েল আহমেদের জামাতা। আর, বাদ পড়ছেন বর্তমান সংসদ সদস্য সাবেক সেনা কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন।

নানা কারণে আলোচনায় ছিলেন ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন। তিনি পর পর দুই মেয়াদে মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে বর্তমান সরকারে মন্ত্রিসভায় তিনি ছিলেন না। ফরিদপুরের স্থানীয় দুই নেতার হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ নিয়ে আলোচনায় আসেন মোশাররফ হোসেন। তার আসনে এবার মনোনয়ন পেয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শামীম হক। এছাড়াও বাদ পড়েছেন খন্দকার মোশাররফ হোসেনের জামাতা হাবিবে মিল্লাত।

কুড়িগ্রাম-১ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য আছলাম হোসেন সওদাগর বাদ পড়েছেন। তার জায়গায় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরীকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। ছাত্ররাজনীতিতে তার একটা পরিচ্ছন্ন ইমেজ ছিল। নানা বিতর্কের জেরে বাদ পড়েছেন আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ নাথ। বরিশাল-৪ আসনে তার স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে শাম্মী আহমেদকে। যিনি দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। 

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বর্তমান সংসদের সদস্য মহীউদ্দীন খান আলমগীরও এবার দলীয় মনোনয়ন পাননি। ব্যাংক কেলেঙ্কারি নিয়ে তার নাম আলোচনায় আসে। কচুয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত চাঁদপুর-১ আসনে এবার মনোনয়ন পেয়েছেন আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সেলিম মাহমুদ।

নেত্রকোনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য ওয়ারেসাত হোসেন বেলাল সম্প্রতি সমালোচনায় পড়েন তার স্ত্রী করা এক মামলা নিয়ে। স্নাতকপড়ুয়া এক তরুণীকে প্রধান আসামি করে মামলায় অভিযোগ করা হয়, এই সংসদ সদস্যকে অপহরণ, তার স্বাক্ষর জাল ও নাম ভাঙিয়ে টাকা আদায় করা হয়েছে। এই আসনে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেনকে।

সুনামগঞ্জ-১ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেনকে রতনকে বাদ দেয়া হয়েছে। হাওর দখল, দুর্নীতির জন্য সমালোচিত হন তিনি। এলাকায় নানা কারণে ব্যাপক বিতর্কিত হয়ে পড়া রতনকে বাদ দিয়ে মনোয়ন দেয়া হয়েছে সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রঞ্জিত সরকারকে।

মৌলভীবাজার-২ আসনে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে নতুন মুখ শফিউল আলম চৌধুরী নাদেলকে। তিনি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক। এই আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য সুলতান মোহম্মদ মনসুর আহমদ। যিনি গত নির্বাচনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মনোনয়নে ধানের শীর্ষ প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়েছিলেন।  

আর সুনামগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়া সেনগুপ্ত মনোনয়ন হারিয়েছেন। তিনি আওয়ামী লীগের নেতা প্রয়াত সুরঞ্জিত সেন গুপ্তের স্ত্রী। পুলিশের বর্তমান মহাপরিদর্শক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল–মামুনের ভাই চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মাহমুদ এখানে নৌকার মনোনয়ন পেয়েছেন।

সুনামগঞ্জ-৪ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন সাবেক নির্বাচন কমিশন সচিব সরকারি কর্মকমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাদিক। এই আসনে বর্তমানে জাতীয় পার্টির পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ। আর পঞ্চগড়-১ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন নতুন মুখ নাইমুজ্জামান ভূঁইয়া মুক্তা।

অন্যদিকে, সরকারি জমি দখলসহ নানা অভিযোগে বিতর্কিত হয়ে পড়েন কুমিল্লা-১ আসনের সংসদ সদস্য সুবিদ আলী ভূঁইয়া। এখানে এবার নৌকার মনোনয়ন পেয়েছেন আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক আবদুস সবুর।

ময়মনসিংহ-৩ আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী করেছে নিলুফার আঞ্জুম। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক বিশেষ সহকারি প্রয়াত মাহবুবুল আলম শাকিলের স্ত্রী। এই আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য হচ্ছেন নাজিম উদ্দিন আহমেদ।

আবার, চট্টগ্রাম-৪ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য দিদারুল আলমকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এই আসনে নতুন মুখ এস এম আল মামুন।

বর্তমান সংসদের হুইপ সামশুল হক চৌধুরী বেশ কয়েকবার বিতর্কের মুখে পড়েন। চট্টগ্রাম-১২ আসনে এবার সেখানে মনোনয়ন পেয়েছেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী। তিনি পটিয়া উপজেলা চেয়ারম্যানের পদ থেকে সম্প্রতি পদত্যাগ করেছেন।

জামালপুর-৫ আসনে নতুন মুখ প্রধানমন্ত্রীর সাবেক মুখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ। তিনি দলের নির্বাচনী কৌশল নির্ধারণে যে একটি কমিটি কাজ করছে, সেটির গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এই আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য মোজাফফর হোসেন।

বরগুনা-২ (বামনা-পাথরঘাটা-বেতাগী) আসনে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতা আমির হোসেন আমুর বোন সুলতানা নাদিরাকে। তিনি সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম সবুরের সহধর্মিণী। এই আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য শওকত হাচানুর রহমান রিমন।

বাদ পড়েছেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী এ কে এম খালিদ। ময়মনসিংহ-৫ আসনে তার জায়গায় মনোয়ন পেয়েছেন আব্দুল হাই আকন্দ। মন্ত্রিসভার আরেক সদস্য মন্নুজান সুফিয়ান এবার মনোনয়ন পাননি। খুলনা-৩ আসনে তার জায়গায় মনোনয়ন দেয়া হয়েছে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেনকে। আরও বাদ পড়েছেন গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন। কুড়িগ্রাম-৪ আসনের এই সংসদ সদস্যের জায়গায় মনোনয়ন পেয়েছেন বিপ্লব হাসান।

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক ও কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য নূর মোহাম্মদ এবার দলীয় মনোনয়ন পাননি। স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে তার বিরোধের খবর বিভিন্ন সময়ে শিরোনাম হয়েছিল। এবার সেখানে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন পুলিশের আরেক সাবেক কর্মকর্তা আবদুল কাহার আকন্দ।

বনের জমি দখল ও অস্ত্রধারী নিয়ে মিছিল করে সমালোচিত হন কক্সবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য জাফর আলম। এবার সেখানে মনোনয়ন পেয়েছেন কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সালাহ উদ্দীন আহমদ।

আসছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের হয়ে ভোটের লড়াই সামিল হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী এবং দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনাসহ ২৩ জন নারী প্রার্থী। এদের মধ্যে যারা একাদশ জাতীয় সংসদের সদস্য যেমন রয়েছেন, তেমনি নতুন মুখ হিসাবে নৌকার মাঝিও হয়েছেন অনেকে। অভিজ্ঞ নারী নেতাদের সঙ্গে এবার ভোটের মাঠে সরাসরি লড়াই করবেন একঝাঁক নতুন মুখও।

জাগরণ/দ্বাদশসংসদনির্বাচন/আওয়ামীলীগ/এসএসকে/কেএপি