• ঢাকা
  • শুক্রবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৪, ২৯ চৈত্র ১৪৩০
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৪, ১০:৪৩ এএম
সর্বশেষ আপডেট : ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৪, ১০:৪৪ এএম

নিরাপত্তার চাদরে টেকনাফ

নিরাপত্তার চাদরে টেকনাফ
ছবি ● প্রতীকী

মিয়ানমারে অভ্যন্তরীণ সংঘাতের জেরে টেকনাফ ও নাফ নদী কার্যত নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা রয়েছে। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সাঁজোয়া যানের আনাগোনা বেড়েছে।

নাফ নদীতে বিশেষ নৌযান নামিয়েছে কোস্ট গার্ড।

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য এখন অন্যতম সংঘাতপূর্ণ এলাকা। যার আঁচ এসে পড়ছে কক্সবাজারের টেকনাফে। তাই এই অঞ্চলে বিজিবির শক্তি অন্তত ৩০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে।

টেকনাফে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে ছোট দলের টহল বাড়িয়েছে বিজিবি। শাহপরীর দ্বীপ থেকে পুরো টেকনাফে সাঁজোয়া যানের টহলও বেড়েছে। পাশাপাশি বিশেষায়িত চৌকি বসিয়ে করা হচ্ছে নজরদারি। গেল শনিবারের পর কোনো রোহিঙ্গাকে এখান দিয়ে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।

নাফ নদীতেও কড়া নজরদারি রয়েছে কোস্ট গার্ডের। মেটাল শার্ক ও কান্ট্রি বোট দিয়ে নদীপথে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। কোস্ট গার্ডের শক্তিও প্রায় ২০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। নাফ নদীতে মাছ ধরায় বিধিনিষেধ থাকলেও, মিয়ানমার সীমান্ত থেকে দূরে গভীর সাগরে কড়াকড়ি নেই।

নদীতে এমন বিধিনিষেধে বিপাকে পড়েছে সেন্টমার্টিন দ্বীপের বাসিন্দারা। অনেকে স্বজনের মৃত্যুতেও টেকনাফে আসতে পারছেন না। তবে সেন্টমার্টিনে কোনো রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করেনি বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।

স্থানীয়রা বলছে, এখন পর্যন্ত এলাকায় কোনো সমস্যা দেখা যায়নি। কড়া নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা পুরো এলাকা।

এমন নিরাপত্তার পরও সতর্ক পুলিশ। সাধারণ মানুষকে সচেতন করে, রোহিঙ্গাদের ঢুকে পড়ার বিষয়ে তথ্য দিতে বলছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

 টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসমান গনি বলেন, ‘আমরা এলাকাবাসী ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলে তাদেরকে উদ্বুদ্ধ করছি, যেন তারা যে কোনো সময় রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ সংক্রান্ত যে কোনো তথ্য আমাদের কাছে পৌঁছে দেয়।’

মিয়ানমারের সংঘাত সীমান্ত থেকে কিছুটা দূরে সরে যাওয়ায়, ঝুঁকি কমছে বলে জানান টেকনাফের স্থানীয় মানুষ।

জাগরণ/জাতীয়/এসএসকে