• ঢাকা
  • বুধবার, ১৭ জুলাই, ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬
Bongosoft Ltd.
প্রকাশিত: এপ্রিল ৭, ২০১৯, ০৭:৩৪ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : এপ্রিল ৮, ২০১৯, ০১:৩৭ এএম

রেড অ্যালার্ট : বাংলাদেশকে পিছিয়ে দেয়ার ষড়যন্ত্র

গোলাম মোস্তফা
রেড অ্যালার্ট : বাংলাদেশকে পিছিয়ে দেয়ার ষড়যন্ত্র
গোলাম মোস্তফা

বিশ্বের প্রভাবশালী দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। বিশ্বের এক নম্বর অর্থনীতির দেশ যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। এ সম্পর্কে কখনও উষ্ণতার ছোঁয়া পেয়েছে, আবার কখনও শীতল হয়েছে। বৈশ্বিক রাষ্ট্রসমূহের সম্পর্কের পারদ বিভিন্ন সময় ওঠানামা করে থাকে। বাংলাদেশ সরকার সব সময়ে সমঅংশীদারিত্বের ভিত্তিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখতে সচেষ্ট। ১৫ মার্চ ক্রাইস্টচার্চে দুটি মসজিদে হামলার ঘটনার পর গত ৪ এপ্রিল ঢাকাস্থ যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস তাদের ওয়েবসাইটে মার্কিন নাগরিকদের বাংলাদেশ ভ্রমণের ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র এ সময় কেন এ অশনি সংকেত দিল, তার কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি। এর আগেও গুলশানে ইতালীয় নাগরিক তাবেলা সিজার হত্যায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ পাশ্চাত্যের দেশগুলো বাংলাদেশে তাদের নাগরিকদের চলাফেরার ব্যাপারে রেড অ্যালার্ট জারি করেছিল। বাংলাদেশে পশ্চিমা স্বার্থের ওপর জঙ্গি হামলা হতে পারে- এমন আশঙ্কায় তখন কূটনীতিকপাড়ায় উদ্বিগ্নতা বেড়ে গিয়েছিল। এ ঘটনার আগে বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তার প্রতি বিব্রতকর আরেকটি ঘটনা ঘটে। জঙ্গি হামলার আশঙ্কায় অস্ট্রেলীয় ক্রিকেট টিম বাংলাদেশে খেলতে আসেনি। ওই দুটো ঘটনার সঙ্গে বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্ন জড়িত। খুব সঙ্গত কারণে বাংলাদেশ সরকার তখন বিব্রত হয়ে পড়ে। হতাশ হয় দেশের জনগণ।

গত ৪ এপ্রিলে জারি হওয়া রেড অ্যালার্টে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি দেখেছি তারা এ সতর্কতা ইস্যু করেছে। কেন তারা এটা করেছে সে সম্পর্কে আমাদের কিছু জানায়নি এবং কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি। যদি তাদের কাছে এমন কোনো তথ্য থাকে যে সামনের দিনগুলোয় কোনো ঘটনা ঘটতে পারে, তা হলে আমাদেরকে জানানো তাদের দায়িত্ব। তারা আমাদের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে জানাতে পারত, যাতে আমরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারি।’ প্রধানমন্ত্রী আরও বলেছেন, ‘সন্ত্রাস শুধু বাংলাদেশের নয়, এটা গোটা পৃথিবীর একটি সমস্যা। গুলশানের ঘটনাটি ঘটে যাওয়ার পর আমাদের গোয়েন্দারা সার্বক্ষণিক সজাগ রয়েছে। আমরা বাংলাদেশ থেকে সন্ত্রাসবাদ সফলভাবে নির্মূল করেছি।’ রেড অ্যালার্ট জারি সম্পর্কে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালও বলেছেন, এটা যুক্তরাষ্ট্রের একটা প্র্যাকটিসে পরিণত হয়ে গেছে। এ দেশে তারা কোনো ঝুঁকিতে নেই। এ মুহূর্তে বাংলাদেশে এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি, যার জন্য এ দেশে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য মার্কিন সরকার অ্যালার্ট জারি করতে পারে। তারা হুমকির কোনো মুখে নেই। এর আগেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বাংলাদেশে আইএসের উপস্থিতি নিয়ে আমেরিকার উসকানিমূলক বক্তব্যে উষ্মা প্রকাশ করেছিলেন। দেশে কোনো কিছু হলেই তখন বলা হতো, ‘আইএস করেছে’-আমেরিকার এ ধরনের বক্তব্যে আইএসের নামে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে বলে অভিযোগ করেছিলেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল তখন বলেছিলেন,  আফগানিস্তান-পাকিস্তানের পর ইরাক-লিবিয়া-সিরিয়াকে শেষ করে এখন বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা হচ্ছে। কোনো ঘটনা ঘটার ৫ মিনিটের মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমেরিকায় একটি বার্তা চলে যায়। তখন আমেরিকার ‘সাইট’ নামক প্রতিষ্ঠান থেকে বলা হয়, এটা আইএস করেছে। আইএসের নাম দিয়ে আমাদের মধ্যে একটি বিভেদ সৃষ্টি করতে এবং বিভেদের সুযোগ নিয়ে আমাদের অকার্যকর করার চেষ্টা চলছে।

‘‘বাংলাদেশের জনগণ ঐতিহাসিকভাবে সন্ত্রাস বা জঙ্গিবাদবিরোধী। ব্রিটিশ আমলে গঠিত ‘যুগান্তর’ বা ‘অনুশীলনী’ গোষ্ঠী কখনো জনপ্রিয়তা পায়নি। পাকিস্তান আমলে বাম সংগঠনগুলো চেষ্টা করেও কিছু করতে পারেনি। বাংলাদেশ আমলে গণবাহিনী বা সিরাজ সিকদার বাহিনী শিকড় গাড়তে পারেনি। বাংলাদেশের চিরায়ত, লোকায়ত ধ্যানধারণা ও ধর্ম-দর্শন অনুযায়ী সন্ত্রাসবাদ তথা চরমবাদের কোনো জায়গা এ দেশে নেই’’

বাংলাদেশের জনগণও মনে করে, আপাতদৃষ্টিতে বাংলাদেশের ওপর সতর্কতার সিল এঁটে দেয়ার কোনো মানে হয় না। এই মুহূর্তে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাস, জঙ্গি তৎপরতা একেবারে শূন্যের কোঠায়। কিছুদিন আগে ভারতের বিএসএফ দিল্লিতে একটি অনুষ্ঠানে উল্লেখ করেছে যে, বাংলাদেশের বর্তমান সরকার জঙ্গিবাদকে শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে। তারপরও যুক্তরাষ্ট্রের কেন এই সতর্কতা? 

বিশ্বের সবাই জানে, যুক্তরাষ্ট্রই আইএসের জন্মদাতা এবং মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদি মার্কিন স্বার্থ সংরক্ষণে ও তেল-গ্যাস লুণ্ঠনে জঙ্গিগোষ্ঠীকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। ইন্টারন্যাশনাল পলিসি ডাইজেস্টের মতে, আইএস টিকে থাকাটাই মার্কিন স্বার্থের জন্য মঙ্গলজনক। মার্কিন রণকৌশল পর্যালোচনা করে সম্প্রতি ব্রিটেনের প্রভাবশালী পত্রিকা দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, আইএসের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র কার্যকর কোনো কৌশল গ্রহণ করে না। বরং তাদের সম্প্রসারিত হওয়ার সুযোগ করে দেয়। 

গ্লোবাল রিসার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ প্রধানত তেল ও ইসরাইলকেন্দ্রিক। পাশাপাশি ইরানকে ঠেকানো। ২০০৩ সালে ইরাক আক্রমণের মধ্য দিয়ে বিপুল তেলসম্পদ লুণ্ঠন করলেও এখন দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে আইএস। যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনামতোই ইরাকে মার্কিন হামলার রুটটাই ব্যবহার করেছে আইএস। সম্প্রতি প্রকাশিত মার্কিন প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা এজেন্সির (ডিআইএ) নথিতে দেখা গেছে, ২০১২ সালেই মসুল পতনের পরিকল্পনা করেছিল আইএস। মসুলের তেল উৎপাদন ও ইরাক-সিরিয়ার প্রত্নতাত্ত্বিক সম্পদগুলো খুব সহজেই চালান হচ্ছে ইউরোপ ও আমেরিকায়। মার্কিন অস্ত্রে সজ্জিত আইএস তাই পরিকল্পনামতোই কয়েক দশক রাজত্ব চালাবে। এ ছাড়া কিশোর-শিশুযোদ্ধাদের আশঙ্কাজনক অন্তর্ভুক্তিতে ধারণা করা হচ্ছে, আগামী প্রজন্মও জর্জরিত হবে আইএস-অভিশাপে।

বাংলাদেশকে একটি ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র’, ‘জঙ্গি রাষ্ট্র’ ইত্যাদি বিশেষণে বিশেষায়িত করার প্রয়াস দীর্ঘকালের। ১৯৯০ সালে যখন ইসলামি শক্তির সমর্থনে জাতীয়তাবাদী সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়, তখন প্রথমবারের মতো পাশ্চাত্যে বাংলাদেশের জঙ্গিকরণের প্রচারণা শুরু হয়। বাংলাদেশ দ্বিতীয় আফগানিস্তান হতে যাচ্ছে বলে প্রচারণা-জনপ্রিয়তা পায়। ‘আমরা সবাই তালেবান-বাংলা হবে আফগান’- এ ধরনের অর্বাচীন উচ্চারণবিরোধী শক্তির সহায়ক হয়ে দাঁড়ায়। এমন সব উদ্ভট এবং আজগুবি তথ্য আবিষ্কার (!) করা হয়, যাতে মার্কিন  যুক্তরাষ্ট্রসহ পাশ্চাত্য শক্তি বিভ্রান্ত হয়। 

বাংলাদেশের জনগণ ঐতিহাসিকভাবে সন্ত্রাস বা জঙ্গিবাদবিরোধী। ব্রিটিশ আমলে গঠিত ‘যুগান্তর’ বা ‘অনুশীলনী’ গোষ্ঠী কখনো জনপ্রিয়তা পায়নি। পাকিস্তান আমলে বাম সংগঠনগুলো চেষ্টা করেও কিছু করতে পারেনি। বাংলাদেশ আমলে গণবাহিনী বা সিরাজ সিকদার বাহিনী শিকড় গাড়তে পারেনি। বাংলাদেশের চিরায়ত, লোকায়ত ধ্যানধারণা ও ধর্ম-দর্শন অনুযায়ী সন্ত্রাসবাদ তথা চরমবাদের কোনো জায়গা এ দেশে নেই। মুসলিম বিশ্বের অস্থির, অসম এবং ক্ষয়িষ্ণু পারিপার্শ্বের কারণে বাংলাদেশে আবেগ ও আন্দোলনের অবকাশ আছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এর প্রকাশও ঘটে থাকে।

বাংলাদেশের উন্নতির ধারাবাহিকতা পিছেয়ে দেয়ার জন্যই অনেক দিন ধরে চলছে নানা ষড়যন্ত্র। রেড অ্যালার্ট এরই অংশ বলে মনে করছেন দেশের বিদগ্ধজনরা। ডিওফ্রে পিয়াট্ট (২০১২) অভিমত ব্যক্ত করেছেন যে, ২০ বছর ধরে বাংলাদেশ একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ মডারেট ও সেক্যুলার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে ৫-৬ শতাংশ হারে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করছে, দেশটির কয়েক মিলিয়ন লোক দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র থেকে বেরিয়ে এসেছে। বাংলাদেশ এখন চ্যালেঞ্জের মধ্যে থাকা অন্যান্য রাষ্ট্রের জন্য দিকনির্দেশনা দিচ্ছে। এখানে পিয়াট্টের বক্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যমণ্ডিত। অত্যন্ত আনন্দের বিষয়, বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে নিম্নআয়ের রাষ্ট্র থেকে মধ্যআয়ের রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। সম্প্রতি যুক্তরাজ্যভিত্তিক বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান প্রাইসওয়াটারহাউসকুপারস (পিডব্লিউসি) বলছে, ২০৫০ সাল পর্যন্ত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে শীর্ষ তিনটি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ হবে একটি। শুধু তা-ই নয়, এ সময়ে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ভিত্তিতে বাংলাদেশ হবে বিশ্বের ২৩তম বড় অর্থনীতির দেশ। পিডব্লিউসি প্রকাশিত প্রতিবেদনে ২০১৭ থেকে ২০৫০ সাল পর্যন্ত ৩৪ বছরে তিনটি দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধির গড় ৫ শতাংশের বেশি হবে বলেছে। এ তিনটি দেশের একটি হলো বাংলাদেশ। বাকি দুটি দেশ হলো ভারত ও ভিয়েতনাম। বাংলাদেশ এখন বিশ্বে ৩১তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ।

আসলে গত ১০-১১ বছরে ভূরাজনীতির খেলায় বাংলাদেশ যে অবস্থান সৃষ্টি করেছে, যে স্তরে পৌঁছেছে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যে গ্রহণযোগ্যতা সৃষ্টি হয়েছে- এটাই এখন অনেক দেশের গাত্রদাহের মূল কারণ। বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান ও দৃষ্টিভঙ্গি আমরা সবটা না জানলেও তা উপলব্ধি করতে পারি। চীন এখন আমেরিকার প্রধান অর্থনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী। চীন-ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক যত উন্নত হবে, তাতে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্র সরে যাবে না, বরং আরও ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করবে নিজেদের স্বার্থেই। ভারসাম্যমূলক নীতি রক্ষা করে চলার কারণেই এ পর্যন্ত সব বড় শক্তিকে আমাদের সঙ্গে চমৎকারভাবে রাখতে পেরেছি। ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক রক্তে গাঁথা, একেবারে অন্য রকম। অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে তা আবার একাত্তর-বাহাত্তরের পর্যায়ে পৌঁছেছে। দুই দেশের নিরাপত্তা মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ, একই সূত্রে গাঁথা। সুতরাং চীন-আমেরিকার দ্বন্দ্বের যতই প্রকাশ ঘটুক না কেন, এতদঞ্চলের রাষ্ট্রগুলো যার যার অবস্থান থেকে নিজেদের স্বার্থে একটা ভারসাম্য রক্ষা করবে- এটাই স্বাভাবিক। এ সমীকরণের বাইরে চীন-আমেরিকা কেউই যেতে পারবে না। যে বাইরে যাবে, সে খেলার মাঠ থেকে বাইরে ছিটকে পড়বে। 

আমেরিকার হঠাৎ করে এ ধরনের রেড অ্যালার্ট আমাদের অর্থনীতিতে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদে বিরূপ প্রভাব ফেলার চক্রান্ত ছাড়া আর কিছু নয়। চলমান অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত করারই নামান্তর। এর ফলে অনেক বিদেশি বাংলাদেশ থেকে চলে যেতে পারে। এতে করে তাদের সঙ্গে এদেশের বিনিয়োগও অন্য দেশে চলে যাবে। যার প্রভাব আমাদের অর্থনীতিতে পড়বে। আমাদের অর্থনীতির জন্য এটি একটি সতর্ক বার্তা। এ ধরনের ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত  থেকে বের হতে হলে আমাদের সবাইকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

লেখক : সাংবাদিক
 

Islami Bank
ASUS GLOBAL BRAND