• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১৩ আশ্বিন ১৪২৮
প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২১, ০২:০০ এএম
সর্বশেষ আপডেট : সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২১, ০২:০৪ এএম

ধুঁকতে থাকা শিক্ষা ও তদসংশ্লিষ্ট অর্থনীতি

ধুঁকতে থাকা শিক্ষা ও তদসংশ্লিষ্ট অর্থনীতি
জাগরণ ডেস্ক

বলা হয়ে থাকে শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড। তাই জাতিকে পথ দেখানোর স্বার্থেই যেকোনো প্রতিকূলতা ডিঙিয়ে শিক্ষাকে এগিয়ে নেয়া জরুরি। কিন্ত সেই মেরুদন্ড ছাড়াই একটা জাতি প্রায় দু'বছর পার করতে চললো। সারা দেশে সবকিছু স্বাভাবিক চললেও স্থবির শিক্ষার চাকা। স্বাস্থ্যবিধি মেনে নগর-বন্দর, হাঁট-বাজার, ব্যবসা-বাণিজ্য তথা অর্থনীতি রাজনীতি সব চললেও শিক্ষা কেন চলতে পারেনি- তা খুবই রহস্যময়। এই সব সেক্টরের মানুষ থেকে কি শিক্ষার্থীরা বেশি অসচেতন! একই দেশে ভিন্ন ভিন্ন নীতি। দেড় বছর ধরে চলা অনলাইন শিক্ষাপদ্ধতির মূল্যায়ণ কী?  অনলাইন ব্যবস্থা পারেনি অনার্স-মাস্টার্সের  শেষ বর্ষের লাখ লাখ  শিক্ষার্থীদের আটকে থাকা ৩/৪ টি পরীক্ষা নিয়ে তাদের মুক্তি দিতে। অপ্রতুল সুযোগ সুবিধায় নামমাত্রে অনলাইন ক্লাস শিক্ষা এগিয়ে নেয়া বা সংকট নিরসনে কতটুকু ভূমিকা রেখেছে তা সবার কাছে সহজেই অনুমেয়। ফলে শিক্ষা কার্যক্রম থেকে দূরে থাকায় পড়ালেখায় মনোযোগ নষ্ট হয়েছে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের। ঘর-বাড়ি বন্দী অধিকাংশ শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিকভাবে কঠিন সময় পার করছে। অন্যদিকে অনেক শিক্ষার্থীই অনলাইন ক্লাসের অজুহাতে আসক্ত হয়েছে মোবাইল গেমে। ফ্রি-ফায়ার, পাবজির মতো ভয়ংকর গেইমগুলো শিক্ষার্থীদের অর্থ ও সময় নষ্ট করার পাশাপাশি পড়ালেখায় মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এছাড়াও একদিকে পড়ালেখা না থাকা, অন্যদিকে পারিবারিক টানাপোড়েনে বহু শিক্ষার্থী ঝরে পড়েছে শিক্ষা থেকে। একই  সাথে মেয়ে শিক্ষার্থীদের দেয়া হচ্ছে বাল্যবিয়ে। অন্যান্য সময়ের তুলনায় মহামারীতে বাল্যবিবাহ বেড়েছে বহুগুণ। দীর্ঘ সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষাখাতে যে বিপর্যয় নেমে আসছে তা মোকাবিলা করা আদৌ সম্ভব কি না- তা সময়ই বলে দিবে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আর্তনাদ আর দাবীর মুখে বারবার মিলেছে শুধু আশ্বাস। কিন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না খোলার ফলে আশ্বাসে বিশ্বাস হাঁরিয়েছে দেশের মানুষ। তবে আশ্বাসের যাঁতাকলে শিক্ষার্থীরা এবার আর পিষ্ট না‌ হবার জন্য মুখিয়ে আছে। ১২ সেপ্টেম্বর নিশ্চিত করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেবে এমন বিশ্বাসে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা প্রস্তুতি নিতে শুরু করলেন। ইতোমধ্যে সবার সে প্রস্তুতি সম্পন্ন। কিন্ত ১০ সেপ্টেম্বর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর মন্তব্য খুবই হতাশাজনক। স্কুল-কলেজ না খুলতেই বন্ধের ইঙ্গিত দেয়া একদমই শিক্ষার্থীবান্ধব বক্তব্য নয়। বরং এটি শিক্ষার্থীদের মনোবল নষ্ট করে দেয়ারও নামান্তর।

একজন শিক্ষার্থী যদি স্কুলে যাওয়া থেকে বাসায় ফেরা পর্যন্ত পরিবহন ভাড়া, নাস্তা, খাতা-কলমসহ বিভিন্ন প্রয়োজনে প্রতিদিন সর্বনিম্ন গড়ে ৫০ টাকাও ব্যয় করে তবে দৈনিক অর্থনীতিতে অতিরিক্ত লেনদেন হয় প্রায় ২২৫ কোটি টাকা। মাসিক বা বাৎসরিক হিসেবে এই অঙ্কটা অর্থনীতিতে কত গুরুত্বপূর্ণ তা সহজেই অনুমেয়।

আবার করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পেলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের চিন্তা থেকে সরে এসে বিকল্প চিন্তা করা উচিত। সারাবিশ্বই করোনা সংক্রমনের ছোবলে জর্জরিত। যুক্তরাষ্ট্রে এখনো সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্ত তাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এক সপ্তাহের জন্যও বন্ধ ছিলো না। নিউজিল্যান্ডে ৫ সপ্তাহ বন্ধ ছিলো। আর কোভিড-১৯ এর উৎপত্তিস্থল চীনে দু’মাসের মতো বন্ধ ছিলো। গত ৩০ আগস্ট ইউনেস্কো কর্তৃক প্রকাশিত এসব তথ্যে আমরা দেখি বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশ ভারত ও পাকিস্তানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিলো যথাক্রমে ২৫ ও ২৩ সপ্তাহ। অথচ বাংলাদেশ ৬১ সপ্তাহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছে। কিন্ত উল্লেখিত দেশগুলোর সাথে তুলনা করলে দেখা যায় অবশ্যই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের বিকল্প আছে। না হয় তারাও বাংলাদেশের মতো দীর্ঘ সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতো। ভারত বা বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের কোভিড পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ ছিলো এমন কথা বলার সুযোগ নেই। ফলে আমরা চাইলে এসব দেশের তুলনায় আরো কম সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে পারতাম। কিন্ত তা না করে করলাম উল্টোটা। করোনার  সেকেন্ড ওয়েবের আগেও সংক্রমণের হার অনেক কম ছিলো। তখনও আমরা খুললাম না। এখন যে হার তার ওপরই  শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলতে হচ্ছে। কারণ অনিশ্চিত সময় ধরে অপেক্ষা করার কোনও মানে হয় না। পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে এগিয়ে যেতে হবে এটাই বড় শিক্ষা। তাই যে করেই হোক সংক্রমণ ভীতি বা অজুহাতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের চিন্তা থেকে সরে আসতে হবে। কর্তৃপক্ষ থেকে আরো পরিপক্ক সিদ্ধান্ত আসবে এমনটাই সবার চাওয়া। এতো দিন ধরে কথা হচ্ছিল বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আগে খোলা হবে। সেজন্য শিক্ষার্থীদের টিকার আওতায় আনা হলো। যথাযথ কর্তৃপক্ষ চাইলে তড়িৎ গতিতে এসব শিক্ষার্থীদের এতোদিনে টিকার দ্বিতীয় ডোজও সম্পন্ন করতে পারতো। সেটা না হলেও অধিকাংশ শিক্ষার্থী টিকার আওতায় এসেছে। কিন্ত এরপরেও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খোলার তারিখ রাখা হয়েছে সবার পরে। যা একদমই অবিবেচনাপ্রসূত সিদ্ধান্ত। সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও যতদ্রুত সম্ভব খুলে দেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। এখানে শিক্ষার যেমন গুরুত্ব রয়েছে তেমনি গুরুত্বপূর্ণ আরেকটি বিষয় হলো বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীক বিভিন্ন ধরনের ক্ষুদে ব্যবসায়ীদের জীবন। একটা ক্যাম্পাসে কত রকমের ছোট-খাটো ভাসমান ব্যবসা রয়েছে- তা সকলেই অবগত। ওইসব মানুষগুলো নীরবে ক্যাম্পাসে আয় হারিয়ে দুঃসহ দিনাতিপাত করছে।

শিক্ষার সাথে অর্থনীতির সম্পর্ক হচ্ছে মাটি ও বৃক্ষের মতো। যেখানে শিক্ষা হলো বৃক্ষের মূল- যা মাটি ছাড়া অসম্ভব। আর বৃক্ষের ডাল-পালা, শাখা-প্রশাখা কিংবা পত্র-পল্লব হলো শিক্ষার সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত অর্থনীতির বিভিন্ন সেক্টর।

শুধু শিক্ষার প্রয়োজনেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে হবে তা কিন্ত নয়। শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিষয়টি বিবেচনার গুরুত্ব যেমন সর্বাধিক তেমনি গুরুত্বপূর্ণ হলো শিক্ষা সংশ্লিষ্ট অর্থনীতি। তাই অর্থনৈতিক প্রয়োজনেও শিক্ষার দ্বার খোলা অতীব জরুরি হয়ে পড়েছে। শিক্ষার সাথে অর্থনীতির সম্পর্ক হচ্ছে মাটি ও বৃক্ষের মতো। যেখানে শিক্ষা হলো বৃক্ষের মূল- যা মাটি ছাড়া অসম্ভব। আর বৃক্ষের ডাল-পালা, শাখা-প্রশাখা কিংবা পত্র-পল্লব হলো শিক্ষার সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত অর্থনীতির বিভিন্ন সেক্টর। যার মধ্যে কাগজ শিল্প, বইয়ের বাজার, পরিবহন, কোচিং বাণিজ্য, প্রাইভেট-টিউশন অন্যতম। এসব ছাড়াও বাদাম বিক্রেতা, ঝালমুড়ি বিক্রেতা, শরবত বিক্রেতা, চা ওয়ালা, হালিম চটপটি বিক্রেতাসহ লাখ লাখ মানুষের জীবিকা নির্ভরশীল শুধু শিক্ষাকে ঘিরেই। একটু খেয়াল করলেই দেখবেন একজন শিক্ষার্থী স্কুল কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে রিক্সা, ভ্যান, বাস ব্যবহার করে‌। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আশপাশে শিক্ষার্থীদের ঘিরে গড়ে ওঠে বিভিন্ন খাবারের দোকানসহ  লাইব্রেরী। থাকে আরো হরেক রকম দোকান যেগুলোর ক্রেতা শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা। শিক্ষাকে কেন্দ্র করে এ মানুষগুলোর উপার্জিত আয়ে হাজার হাজার পরিবার চলত। কিন্ডারগার্টেন, স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা, কওমী মাদ্রাসা ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানে প্রাক-প্রাথমিক থেকে শুরু করে  মাস্টার্স এবং চাকুরী প্রত্যাশী পর্যন্ত প্রায় সাড়ে চার কোটি শিক্ষার্থী রয়েছে। একজন শিক্ষার্থী যদি স্কুলে যাওয়া থেকে বাসায় ফেরা পর্যন্ত পরিবহন ভাড়া, নাস্তা, খাতা-কলমসহ বিভিন্ন প্রয়োজনে প্রতিদিন সর্বনিম্ন গড়ে ৫০ টাকাও ব্যয় করে তবে দৈনিক অর্থনীতিতে অতিরিক্ত লেনদেন হয় প্রায় ২২৫ কোটি টাকা। মাসিক বা বাৎসরিক হিসেবে এই অঙ্কটা অর্থনীতিতে কত গুরুত্বপূর্ণ তা সহজেই অনুমেয়। এটা শুধু একটি ক্ষেত্রের অর্থনীতির চিত্র। সবগুলো বিবেচনায় আনলে অর্থনীতির আকার কত বড় হবে তা বুঝতে কষ্ট হওয়ার কথা নয়।

মোদ্দাকথা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললে শিক্ষার সাথে খুলবে দৈনিক হাজার কোটি টাকার অর্থনীতি। তাই শিক্ষা, জীবন-জীবিকা ও  শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিরাট অর্থনীতির প্রয়োজনে দ্রুত সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া জরুরি।

শিক্ষার সাথে জড়িত মানুষগুলোর অর্থনীতি নিয়ে ভাবতে হবে। দীর্ঘ বন্ধে বেসরকারি শিক্ষকরা মানবেতর জীবন যাপন করছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর 'স্কুল রিপোর্ট-২০২০' অনুসারে সারা দেশে অনুমোদিত জুনিয়র হাই স্কুল, মাধ্যমিক এবং স্কুল এন্ড কলেজ মিলিয়ে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২০ হাজার ১৭০টি। এসব প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক রয়েছে ২ লক্ষ ৩৪ হাজার ৬২০ জন। শিক্ষক ছাড়াও এসব প্রতিষ্ঠানে অন্যান্য কর্মকর্তা- কর্মচারীরর সংখ্যা অনধিক এক লাখের কাছাকাছি হবে তা অনুমেয়। আরো রয়েছে বেসরকারি কলেজের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী। রয়েছে সারাদেশে অজস্র কিন্ডারগার্টেন। গণমাধ্যমের ২০১৭ সালের এক রিপোর্ট অনুযায়ী তখন সারাদেশে ৭০ হাজার কিন্ডারগার্টেন ছিলো। ২০২০ সালে তা লাখ পেরিয়ে যায়নি- তা বলা যায় না।  একটি কিন্ডারগার্টেনে ৫ জন করে শিক্ষক থাকলেও ৭০ হাজার প্রতিষ্ঠানে সাড়ে তিনলক্ষ শিক্ষক রয়েছে। এর সাথে অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তো রয়েছেই। তাহলে এই যে বিপুল‌সংখ্যক শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী তাদের অবস্থার কথা রাষ্ট্র কী ভেবেছে? এই মানুষগুলোর সাথে এদের পরিবারও জড়িত। তাদের আয়ের পথ বন্ধ হয়ে তারা কেমন আছে- তা কি রাষ্ট্র দেখভাল করতে পেরেছে? দীর্ঘ বন্ধে এদের রোজগারের ব্যবস্থা করতে পেরেছে রাষ্ট্র? পারেনি‌। কারণ কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে পারেনি সরকার। বিপুলসংখ্যক লোক অর্থনীতিতে বেকার হয়ে আছে। অনিয়মিত অপ্রাতিষ্ঠানিক রোজগারে কোনও রকম মানবেতর জীবন-যাপন করছে তারা। এই সংকট এতোটাই তীব্র যে শহরে স্কুল পর্যন্ত বিক্রি করে দিতে হয়েছে মালিকদের। সরকার কী করতে পেরেছে তাদের জন্য? তাহলে এই সংকটের প্রধান করণীয় কী? এক কথায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া।

এতে করে শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের পাশাপাশি কাগজ শিল্প, বইয়ের বাজার, পরিবহন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কাছাকাছি বাদাম বিক্রেতা, ঝালমুড়ি বিক্রেতা, শরবত বিক্রেতা, চা ওয়ালা, হালিম চটপটি বিক্রেতাসহ সংশ্লিষ্ট সবার রুটি রোজগারে হাওয়া লাগবে। পরিবারের সদস্যদের মুখে হাসি ফুটবে। শিক্ষার্থীরা মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পাবে। পড়ালেখা ও ক্যারিয়ার গঠনের প্রস্তুতি নিতে পারবে। যেসব শিক্ষার্থী পকেট খরচের জন্য কোচিংএ ক্লাস নেয় কিংবা প্রাইভেট-টিউশন করায় তাদের আয়ের পথ খুলবে। টাকার হাত বদলে অর্থনীতি হবে গতিশীল। দূর হবে মানুষের সংকট। মোদ্দাকথা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললে শিক্ষার সাথে খুলবে দৈনিক হাজার কোটি টাকার অর্থনীতি। তাই শিক্ষা, জীবন-জীবিকা ও  শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিরাট অর্থনীতির প্রয়োজনে দ্রুত সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া জরুরি।

 

লেখক: শিক্ষার্থী, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া।। 

 

দ্রষ্টব্যঃ- প্রকাশিত লেখাটি লেখকের একান্ত নিজস্ব মতামত এবং এর দায়-দায়িত্বও লেখকের একান্ত নিজস্ব।  

 

জাগরণ/এসকেএইচ