• ঢাকা
  • শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৯, ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
প্রকাশিত: নভেম্বর ১১, ২০১৯, ০৭:১৮ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : নভেম্বর ১১, ২০১৯, ০৭:১৮ পিএম

সংসদে রুমিন ফারহানা

সরকারের পক্ষে না গেলে এখন কথা বলা যায় না

জাগরণ প্রতিবেদক
সরকারের পক্ষে না গেলে এখন কথা বলা যায় না
রুমিন ফারহানা - ফাইল ছবি

বুয়েটছাত্র আবরার ফাহাদ ও খুলনার এক আওয়ামী লীগ নেতার উদাহরণ টেনে বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, এখন সরকারের পক্ষে না গেলে কথা বলা যায় না। সোমবার (১১ নভেম্বর) জাতীয় সংসদে জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ (বিধি-৭১) এর আওতায় বক্তব্য দিতে গিয়ে এমন মন্তব্য করেন তিনি। 

রুমিন ফারহানা বলেন, দেশের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন ছাত্রলীগের টর্চারসেলে পরিণত হয়েছে। দেশে ভিন্নমত প্রচারের ন্যূনতম স্বাধীনতা নেই। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী চুক্তির বিপক্ষে বুয়েটের আবরার যখন বাংলাদেশের পক্ষে দাঁড়ায় তখন তাকে পিটিয়ে মারা হয়েছে। একই কারণে খুলনায় আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্যপদ হারিয়েছেন একজন। অর্থাৎ এখন কথা বলা যাবে না- যদি না সেটি সরকারের পক্ষে যায়। 

বিএনপির এই সংসদ সদস্য আরও বলেন, নোংরা রাজনীতির চক্করে পড়ে মেধাবী ও অমেধাবী নির্বিশেষে ক্ষমতাসীন দলের অনেক ছাত্র নরপিচাশে পরিণত হয়েছে। আবরারকে নৃশংসভাবে মারার পাশাপাশি তারা মেসেঞ্জারে ছবি ট্যাগ করেছে, রাতের খাবার খেয়েছে ও বার্সেলোনার খেলা দেখেছে। সেখানে ছাত্রলীগের আধিপত্যের নামে চলে দানবীয় অত্যাচার। 

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন দলীয় কর্মী না প্রশাসক তা বোঝা যাচ্ছে না। সেখানকার ভিসি আবরার হত্যা ৩৮ ঘণ্টা পর সামনে আসেন। পুলিশের প্রটেকশন নিয়ে তিনি আবরারের বাড়ি কুষ্টিয়া যান। সেখানে যাওয়ার পর দুই মিনিটে তার দোয়া শেষ করার নির্দেশনা আসে। হামলা করা হয় আবরারের ভাই ও পরিবারের উপর। নৃশংস হত্যাকাণ্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসক কোনোভাবে দায়সারা ব্যবস্থা গ্রহণ করে। ফলে মামলা করতে হয় আবরারের বাবাকে- সেখানে প্রক্টর, প্রভোস্ট ও ছাত্রকল্যাণ সমিতির সভাপতি আছে তারা সম্পূর্ণ ব্যর্থ। 

এইচএস/ এফসি

আরও পড়ুন