• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ২০ জুন, ২০১৯, ৬ আষাঢ় ১৪২৬
Bongosoft Ltd.
প্রকাশিত: মে ২০, ২০১৯, ১২:২৯ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : মে ২০, ২০১৯, ১২:৩২ পিএম

গুগল-হুয়াওয়ে বিচ্ছেদ, থাকছে না অ্যান্ড্রয়েড এক্সেস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
গুগল-হুয়াওয়ে বিচ্ছেদ, থাকছে না অ্যান্ড্রয়েড এক্সেস

 

যুক্তরাষ্ট্র-চীন বাণিজ্য দ্বন্দ্বের সবচেয়ে কঠিন ধাক্কা খেলো চীনা টেলি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে। এখন থেকে হুয়াওয়ের অ্যান্ড্রয়েড অপারেট সিস্টেমে কিছু সেবার আর কোনো আপডেট ভার্সন দেবে না মার্কিন টেক জায়ান্ট গুগল। এতে নতুন হুয়াওয়ে স্মার্টফোনে গুগলের ইউটিউব, গুগল ম্যাপসের মতো অ্যাপগুলো আর থাকবে না। বিবিসি

সম্প্রতি হুয়াওয়েকে যুক্তরাষ্ট্র কালো তালিকাভুক্ত করেছে, যার সঙ্গে বাণিজ্য করতে হলে মার্কিন কোম্পানিগুলোকে লাইসেন্স নিতে হবে। এরপরই গুগল এই সিদ্ধান্তের কথা জানায়।

সোমবার (২০ মে) আন্তর্জাতিক বার্তা মাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের তথ্য মতে, প্রতিষথানের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে গুগল জানায়, তারা আদেশ মেনেই কাজ করছে এবং এর প্রভাব পর্যালোচনা করছে। গুগলের নতুন এই সিদ্ধান্তের কারণে হুয়াওয়ে গুগলের নিরাপত্তাবিষয়ক আপডেট ও প্রযুক্তিগত সহায়তা আর পাবে না। তবে ‘ওপেনসোর্স প্ল্যাটফর্ম’–এ থাকা সফটওয়্যারগুলোই শুধু সচল থাকবে হুয়াওয়ের স্মার্টফোনগুলোয়। 

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, হুয়াওয়ের নতুন ডিভাইসে ইউটিউব, জি-মেইল, গুগল ম্যাপ, ক্রোম ব্রাউজারের মতো জনপ্রিয় গুগল অ্যাপসগুলো আর থাকবে না। কারণ, এসব সেবা ওপেনসোর্স লাইসেন্সের আওতায় পড়ে না। এগুলো পেতে গুগলের সঙ্গে বাণিজ্যিক চুক্তির প্রয়োজন হয়। তবে গুগল প্লে স্টোরের অ্যাকসেস থাকা বর্তমান হুয়াওয়ের ডিভাইস ব্যবহারকারীরা এখনো গুগলের অ্যাপ্লিকেশনের আপডেট ডাউনলোড করতে পারবেন।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, এই সিদ্ধান্ত হুয়াওয়ের ব্যবসার ওপর চরম নেতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করবে এবং বিশ্বব্যাপী হুয়াওয়ের ব্যবসা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। কারণ, স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা গুগল প্লে স্টোর বাদে ফোন কিনতে কোনও ভাবেই আগ্রহী হবেন না।

গত বুধবার ট্রাম্প প্রশাসন আনুষ্ঠানিকভাবে হুয়াওয়েকে যুক্তরাষ্ট্রে ‘কালো তালিকা’ ভুক্ত করে। এর ফলে সরকারি অনুমোদন ছাড়া মার্কিন সংস্থা থেকে প্রযুক্তিসেবা নেওয়ার পথ বন্ধ করা হয় হুয়াওয়ের জন্য।

চীনা বাণিজ্য নিয়ে সৃষ্টি দ্বন্দ্বের প্রেক্ষাপটে বরাবরই হুয়াওয়েকে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি বলে আসছিলো ট্রাম্প প্রধাসন। গত বছর হুয়াওয়ের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগও আনে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রে ফাইভজি সেবার কাজে হুয়াওয়েকে ‘নিষিদ্ধ’ও ঘোষণা করা হয়। এতে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে টেলিকম নেটওয়ার্কে হুয়াওয়ের যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা দেশগুলো। ফাইভজি নেটওয়ার্কে হুয়াওয়ের প্রযুক্তি ব্যবহার না করার ঘোষণা দেয় অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডও। যুক্তরাজ্য প্রথমে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলেও পরে সেই অবস্থান থেকে সরে আসে। তবে এ অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছে হুয়াওয়ে।

রয়টার্স
এসকে

Space for Advertisement