• ঢাকা
  • শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৯, ৩ কার্তিক ১৪২৬
প্রকাশিত: অক্টোবর ১, ২০১৯, ০৮:১৬ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : অক্টোবর ১, ২০১৯, ০৮:১৬ পিএম

মেইড ইন বাংলাদেশ : কোনো কিছুই অসম্ভব নয়

১৪ অক্টোবর থেকে ‘ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো’ শুরু

জাগরণ প্রতিবেদক
১৪ অক্টোবর থেকে ‘ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো’ শুরু

আইসিটি শিল্পকে পরের স্তরে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকারের আইসিটি বিভাগ, বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস) এবং স্টার্টআপ বাংলাদেশ সমন্বিতভাবে ‘ডিজিটাল ডিভাইস এন্ড ইনোভেশন এক্সপো-২০১৯’ শীর্ষক তিন দিনব্যাপী এক প্রদর্শনীর আয়োজন করতে যাচ্ছে।

এই আয়োজনটি যৌথভাবে সমর্থন করবে আইসিটি বিভাগের; এটুআই প্রকল্প; শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষ নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় (কন্ট্রোলার অব সার্টিফাইং অথরিটিজ); বাংলাদেশ সরকারের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর (জিওবি) এবং বাংলাদেশ সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস)-এর সহযোগিতায় বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল; বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কল সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাক্য); ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি); বাংলাদেশ আইসিটি সাংবাদিক ফোরাম (বিআইআইএফ) এবং সিটিও ফোরাম বাংলাদেশ।

এক্সপোটি আগামী ১৪-১৬ অক্টোবর, বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি), শের-ই-বাংলা নগর, ঢাকাতে অনুষ্ঠিত হবে।

‘মেইড ইন বাংলাদেশ : কোনো কিছুই অসম্ভব নয়’ এই প্রতিপাদ্য বিষয়/থিম নিয়ে তিন দিনব্যাপী এই এক্সপো আইসিটি শিল্প সম্পর্কিত বিভিন্ন পণ্য এবং বিশ্ববাসীদের জন্য আইসিটি পরিষেবা একত্রে করে দেশের সাফল্যের গল্পগুলো প্রদর্শন করবে আইসিটি ইন্ডাস্ট্রির সব ব্যবসায়ী।

স্থানীয় এবং বিদেশিদের মধ্যে বিপুলসংখ্যক বিনিয়োগকারী এক্সপোতে অংশ নেবে বলে আশা করা হচ্ছে, যেখানে স্থানীয় ও বিদেশি উদ্ভাবনগুলো থেকে অভিজ্ঞতা অর্জনের একটি ব্যাপক সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে। বিশেষ করে বাংলাদেশের হার্ডওয়্যার পণ্যগুলো খাতটিতে নতুন করে বিনিয়োগ এবং রফতানি আর্যক্রম বৃদ্ধি করে এই সেক্টরে সাফল্যের পথ প্রশস্ত করাও সম্ভব বলে মনে করছেন আয়োজকরা।

এই এক্সপোতে ডিজিটাল বাংলাদেশের দশ বছরের সাফল্যগুলো বিভিন্ন সেমিনার এবং ব্রেকআউট সেশনের মাধ্যমে তুলে ধরা হবে।

ওয়ালটন, স্যামসাং, সিম্ফনি, টেলিফোন শিল্প সংস্থা, টেকনো মোবাইল, ভিভো, এলজি, নিটল এবং আমরার মতো দেশের প্রায় সকল প্রতিষ্ঠিত আইসিটি পণ্য ও পরিষেবা উৎপাদনকারী সংস্থাগুলো এতে নেবে। অংশগ্রহণকারীরা তাদের পরিষেবা এবং মূল সরঞ্জাম উৎপাদন (ওইএম), সিকিউরিটি এবং তত্ত্বাবধানের বিষয়গুলোসহ তাদের এন্টারপ্রাইজ সলিউশন, টেলিকম, ক্লাউড কম্পিউটিং, সরকারি সেবা, গেমিং-সম্পর্কিত আরও বিভিন্ন পণ্য প্রদর্শন করবে।

এছাড়া বাংলাদেশ সরকারের এটুআই ইনোভেশন ল্যাব তাদের প্রযুক্তিভিত্তিক কৃষিক্ষেত্র, কর্মসংস্থান, পরিবেশ, মেয়েদের ক্ষমতায়ন, স্বাস্থ্য, আইন, পর্যটন ইত্যাদি ক্ষেত্রে উদ্যোগগুলো প্রদর্শন করবে। দেশীয় উদ্যোক্তাদের তৈরি পণ্যদ্রব্যসমূহ প্রদর্শনের পাশাপাশি দেশের প্রযুক্তিতে আগ্রহী তরুণদের অংশগ্রহণকে এক্সপো চলাকালে সমানভাবে উৎসাহিত করা হবে।

পাশাপাশি অ্যাক্টিভেশন প্রোগ্রামগুলো বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিচালিত হবে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের পণ্যগুলো পিচ করার সুযোগ পাবে। অ্যাক্টিভেশন প্রোগ্রামগুলো থেকে নির্বাচিত সেরা ৩০টি উদ্ভাবন এক্সপোতে প্রদর্শিত হবে এবং প্রদর্শনীটি শেষ হওয়ার পরে শীর্ষ ১০ তরুণ উদ্ভাবককে বঙ্গবন্ধু উদ্ভাবনী অনুদান (বিআইজি) দিয়ে ভূষিত করা হবে।

এই এক্সপো বাংলাদেশের আইসিটি, টেলকো এবং ইলেকট্রনিক্স উৎপাদনকারীদের প্রতিষ্ঠানসমূহকে তাদের পণ্য সম্পর্কে বিশ্বব্যাপী ক্রেতাদের কাছে প্রচারণা দিতে সাহায্য করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এসকে/টিএফ

আরও পড়ুন

Islami Bank