• ঢাকা
  • রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২০, ১৫ চৈত্র ১৪২৬
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২০, ০৬:১১ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২০, ০৬:১১ পিএম

আগের চেয়ে কঠোর হয়েছেন মুমিনুল 

ক্রীড়া ডেস্ক
আগের চেয়ে কঠোর হয়েছেন মুমিনুল 

মুমিনুল হক হয়তো অধিনায়কত্ব পেতেন। তবে এখনই কি পেতেন? এই প্রশ্ন আসার কারণটা সাকিব আল হাসানের নিষেধাজ্ঞার পর তার অধিনায়কত্ব পাওয়ায়। হুট করেই তার কাঁধে তুলে দেয়া হয় সাদা পোশাকের ক্রিকেটে বাংলাদেশের অধিনায়কত্বের দায়িত্ব। 

কিন্তু মনে হচ্ছিলো অধিনায়কত্বটা পেয়ে বেচারা বিপদেই পড়লেন নাকি। ভারতে দুই ম্যাচে ইনিংস হার, পাকিস্তানের বিপক্ষে রাওয়ালপিন্ডিতেও। অনেকে তো তখনই প্রশ্ন শুরু করে দিয়েছিলেন আসলেই কী অধিনায়ক হওয়ার মতো চরিত্র মুমিনুল? খোদ বোর্ড সভাপতিই তো জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্টের আগে লাজুক বলেছিলেন তাকে। 

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেই অধিনায়ক হিসেবে নিজের প্রথম টেস্ট জয়টা পেয়েছেন মুমিনুল হক। তাও আবার ইনিংস ব্যবধানে। এর আগে একবারই ইনিংস ব্যবধানে জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। টাইগারদের টেস্ট দলপতি বলছেন, নিজে আগের চেয়ে কঠিন হয়েছেন আরও। 
 
‘আমার অধিনায়কত্ব শুরু হয়েছিল বিসিএল, এনসিএল দিয়ে। ওই জায়গায় প্রথমে এরকমই ছিলাম পরে দেখলাম যে না জিনিসটা পরিবর্তন করতে হবে। যারা মাঠে থাকে তারা জানে। একটু আক্রমণাত্মক এবং কঠোর থাকতে হয়। কঠোর না, মানে আক্রমণাত্মক থাকতে হয় আরকি। সবাইকেই ঝাড়ি মারি।’

যার পরিবর্তে  দায়িত্ব পেয়েছেন, সেই সাকিবকেও দলে চান মুমিনুল। ক’দিন বাদের পাকিস্তান সফরে চান মুশফিকুর রহিমকেও, ‘একজন অধিনায়ক হিসেবে আমিতো সবসময় চাই সাকিব ভাই পর্যন্ত আসুক। যদিও সেটা সম্ভব নয়। অবশ্যই আমি মুশফিক ভাইকে চাই পাকিস্তান সিরিজে।’

গণমাধ্যমে গুঞ্জন মুশফিক যেতে পারেন পাকিস্তানে, বিসিবি সভাপতিও অনেকটা আকারে ঈঙ্গিতে বোঝাতে চাইলেন মুশফিক যেন যায়। তবে অধিনায়ক মুমিনুলের সাথে এ বিষয়ে কোন কথা হয়নি মুশফিকের, ‘আমার সাথে তো ঐ ব্যাপারে কথা হয়নি। আপনারা শুনছেন হয়তো।’

মুমিনুল হক অধিনায়ক হলেও দলে আছেন তামিম, মুশফিকের মত সিনিয়র ক্রিকেটার। অধিনায়কত্বে মাঠে তাদের পুরো সমর্থন, সাহায্য পান বলেও জানান টাইগার টেস্ট কাপ্তান, ‘আপনি কীভাবে দেখেন জানিনা, আমি ভারত সিরিজ থেকে যখন দায়িত্ব নিয়েছি তখন থেকে আমি সিনিয়রদের কাছ থেকে শতভাগ এফোর্ট পাচ্ছি। মানে আজ পর্যন্ত, সো ফার আমি সিনিয়র ক্রিকেটারদের নিয়ে খুব খুশি। এমনকি আপনি যদি মাঠে ফিল্ডিং দেখেন- অফ দ্যা ফিল্ড, অন দ্যা ফিল্ড আমি শতভাগ পাচ্ছি। ১০০ এর বেশিও বলা যায়।’

টেস্টের আগেই তো বলেছিলেন-এবার ব্যাটসম্যানরা সেঞ্চুরি তো করবেনই, কেউ কেউ দুই শ বা তিন শও করে ফেলতে পারেন। নিজে সেঞ্চুরি করার কথাই বলেছিলেন? মনে করিয়ে দিতেই ভুলটা ভাঙালেন মুমিনুল।

বাংলাদেশ দলের টেস্ট অধিনায়ক বলেন, ‘না ভাই, ঐটা আমি আমার কথা বোঝাইনি। বলিনি যে আমি ১০০, ২০০ মারবো। আমি আমার দলের ব্যাটসম্যানদের কথা বলেছি। আমারটা হয়ে গেছে, আলহামদুলিল্লাহ। আমি অন্য কারও কাছ থেকে আশা করেছি আর কি। আপনারা হয়তো ভুল নিউজ করেছেন ওইদিন।’

এমএইচবি