• ঢাকা
  • বুধবার, ০২ ডিসেম্বর, ২০২০, ১৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৭
প্রকাশিত: অক্টোবর ২৬, ২০২০, ১২:৩১ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : অক্টোবর ২৬, ২০২০, ১২:৩৫ পিএম

ফরাসি প্রেসিডেন্টের ইসলাম বিদ্বেষী মন্তব্যে পগবার অবসর! 

ক্রীড়া ডেস্ক
ফরাসি প্রেসিডেন্টের ইসলাম বিদ্বেষী মন্তব্যে পগবার অবসর! 

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর ইসলাম বিদ্বেষী মন্তব্যের জেরে জাতীয় ফুটবল দল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন বিশ্বকাপ জয়ী ফরাসি মিডফিল্ডার পগ পগবা। অবশ্য ফ্রেঞ্চ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন পগবার অবসর নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছুই জানায়নি।

২৭ বছর বয়সী মিডফিল্ডারও আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেননি।  এক অ্যারাবিক ওয়েবসাইটের বরাতে রেড ডেভিল তারকার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানার বিষয়টি নিয়ে দ্য সান জানিয়েছে, ফ্রান্স সরকারের ইসলামবিদ্বেষী মন্তব্যের পর এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পগবা। এছাড়াও মুসলিম ধর্মের মহামানব হযরত মুহাম্মদকে নিয়ে ব্যাঙ্গাত্মক কার্টুন প্রকাশও এমন সিদ্ধান্তের পেছনে কাজ করেছে। 

রাশিয়ায় ২০১৮ সালে ফ্রান্সকে দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জেতাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন পগবা। জুভেন্টাসের সাবেক মিডফিল্ডার দেশটির হয়ে ৭২ ম্যাচ খেলে করেছেন ১০ গোল। ২০১৩ সালে মাত্র ২০ বছর বয়সে ফরাসি দলে তার অভিষেক ঘটে। ক্লাব ফুটবলে প্রিমিয়ার লীগের দল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে খেলেন পগবা।

উল্লেখ্য, মত প্রকাশের স্বাধীনতার ক্লাসে মহানবী (স.) ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শনের জেরে এক মুসলিম উগ্রবাদী কর্তৃক একজন ইতিহাস শিক্ষককে হত্যার পর থেকেই উত্তপ্ত ফ্রান্স। ওই ঘটনার পর ‘ধর্মনিরপেক্ষ ফরাসি জাতীয়তাবাদ’-এর বিপরীতে ‘ইসলামি বিচ্ছিন্নতাবাদী’দের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। তিনি বলেছিলেন, ইসলাম আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদের উৎস। এই বিচ্ছিন্নতাবাদ ফ্রান্সের মুসলমান সম্প্রদায়গুলোতে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে।

মুসলিম শিক্ষার্থীর হাতে একজন শিক্ষক নিহত হওয়ার পর ফ্রান্সের সেক্যুলারিজমকে রক্ষা করার এক পরিকল্পনা উন্মোচন করতে গিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ইসলাম এমন একটি ধর্ম, যেটি বর্তমান বিশ্বের সব দেশে সংকটে রয়েছে। এটি কেবল আমরা আমাদের দেশে দেখছি- এমনটি নয় কোনো ‘ইসলামিস্ট’ ফ্রান্সে শান্তিতে ঘুমাতে পারবে না। ঐক্যবদ্ধ ফ্রান্সের গাঁথুনি হচ্ছে সেক্যুলারিজম, কিন্তু এতে ইসলাম ধর্মবিশ্বাসীদের কলঙ্কিত করার কোনো সেন্স নেই। আইনে সবার জন্যই নিজেদের বিশ্বাস বেছে নেয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। কিন্তু তাতে ধর্মীয় যোগাযোগ ও সংহতির বিষয়টি প্রকাশ্যে আনা নিষিদ্ধ হতে পারে স্কুল ও সরকারি সেবা খাতগুলোতে। 

এসইউ