• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ০৪ মার্চ, ২০২১, ২০ ফাল্গুন ১৪২৭
প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৪, ২০২১, ০৮:৪২ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : জানুয়ারি ২৪, ২০২১, ০৮:৪২ পিএম

বয়সের সঙ্গে ধার বাড়ছে অ্যান্ডারসনের

বয়সের সঙ্গে ধার বাড়ছে অ্যান্ডারসনের

বয়স বাড়লে নাকি পেসারদের বোলিংয়ের ধার কমে যায়। এ ধারণাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ম্যাচের পর ম্যাচ ইংল্যান্ডের টেস্ট দলে নিয়মিত মুখ জেমস অ্যান্ডারসন। ৩৯ বছর বয়সেও ইনসুইং আর আউটসুইংয়ে বিভ্রান্ত করছেন ব্যাটসম্যানদের। গল টেস্ট যেন তারই প্রমাণ।

টেস্টের প্রথম দুই দিনে বল করলেন মোটে ২৯ ওভার। ঝুলিতে ৬ উইকেট, অথচ ব্যাটসম্যানদের দিয়েছেন মাত্র ৪০ রান। ত্রিশোর্ধ পেস বোলারের এমন পার্ফরম্যান্স যেন জেমস অ্যান্ডারসন বলেই সম্ভব। শুধু উইকেট নয়, প্রতিটি বলেই ছিলো অনুশীলন আর অভিজ্ঞতার ছোঁয়া। উইকেট তুলতে শুরু থেকেই একই জায়গায় বল ফেলে যাচ্ছিলেন এই অভিজ্ঞ বোলার।

অবশ্য নিজের সুনামকে ইতিবাচক ও নেতিবাচক দুই ভূমিকাতেই দেখেছেন অ্যান্ডারসন। কারণ তিনি বোলিংয়ে আসলেই যথাসম্ভব কম রান নেয়ার চিন্তা থাকে ব্যাটসম্যানদের। ফলে ব্যাটে বলে সংযোগ হয়না অনেক ডেলিভারিতেই। ব্যাটসম্যানরা সমীহ করেন বলেই নাকি উইকেট কম পান – এমন দাবি করছেন তিনি।

লাহিরু থিরামানের ব্যাটিংয়ের সময় অফ সাইডে চারজন খেলোয়াড় রাখা হয়েছিলো কেবল ক্যাচ ধরার জন্যেই। পরিকল্পিতভাবেই একটি জায়গা ফাঁকা রাখা হয়েছিলো, যেখানে হঠাৎ করে একজন করে ফিল্ডার নিয়ে এসে উইকেট নিচ্ছিলেন অ্যান্ডারসন। অন্যান্য বোলারদের সঙ্গে অ্যান্ডারসনের পার্থক্য এটাই। নিজের পরিকল্পনা যেকোনভাবে বাস্তবায়ন করেই দেখান তিনি।

টেস্ট ক্রিকেটকে বলা হয়ে থাকে ক্লাসিক ক্রিকেট। মাঠে যখন উইকেট পাওয়া কঠিন, তখন গল টেস্টের এই ইনিংসের মতো কিভাবে উইকেট বের করে নিতে হয়, তরুণ পেসাররা সেটা অ্যান্ডারসনের দেখেই শিখতে পারবেন।

আরও পড়ুন