• ঢাকা
  • রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ১৬ ফাল্গুন ১৪২৭
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২১, ০৭:২১ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২১, ০৭:২১ পিএম

পাপনের মন খারাপ, তবে সিদ্ধান্ত পরিষ্কার 

পাপনের মন খারাপ, তবে সিদ্ধান্ত পরিষ্কার 

করোনা মহামারীর কারণে দীর্ঘ প্রায় এক বছর পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরেছে বাংলাদেশ। ওয়ানডেতে ঘরের মাঠে ক্যারিবীয়দের হোয়াইটওয়াশ করার পর টেস্টে একই দলের বিপক্ষে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে টাইগাররা। একই সিরিজে দুই রূপের পর আবার ভারতীয় প্রিমিয়ার লিগে খেলতে যাবার জন্য সাকিব আল হাসানকে ছুটি দেয়া- সব মিলিয়ে মন খারাপ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের। আজ সংবাদ সম্মেলনে কিছু বিষয়ে পরিষ্কারভাবে সিদ্ধান্ত নিতে চান বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। 

গত ১৮ ফেব্রুয়ারি আইপিএলের কোলকাতা নাইট রাইডার্স দলে টেনেছে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিবকে। আসন্ন আইপিএলের সময় শ্রীলঙ্কায় টেস্ট সফরে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের। টেস্ট থেকে ছুটি চাইবার পর গুঞ্জন উঠেছিলো, সাকিবকে নাকি বাদ দেয়া হতে পারে লাল বলের চুক্তি থেকে। তবে এমনকিছু নিয়ে এখনও আলোচনা হয়নি, বরং সামগ্রিক চুক্তির ধরণ নিয়েই বোর্ডের পরিচালক, নির্বাচক এবং সিনিয়র খেলোয়াড়দের সঙ্গে আলাপ করেছেন বলে মন্তব্য পাপনের।
আজ বিকেলে পাপন বলেন, “সাকিবের প্রশ্নে আমি বিব্রত না, আমি বলবো আমার মন খারাপ। তবে এখন একটা ব্যাপারে আমাদের মাইন্ড ইজ ভেরি ক্লিয়ার। আমরা কাউকে জোর করে কোথাও পাঠাবো না, যারা খেলতে চায় না তারা খেলবে না। আমরা চাই সবাই খেলুক। তবে কারো যদি ন্যাশনাল টিমের চাইতে অন্য কোথাও খেলতে ভাল লাগে তাহলে তারা যেতে পারে, কোন বাঁধা নেই। এই বার্তাটা সবার জন্য, কেবল সাকিব আল হাসানের জন্য না।”

চুক্তিতে বেশ কিছু নতুন বিষয় আনার ব্যাপারেও ধারণা দিয়েছেন পাপন। এমনকি সেখানে খেলোয়াড়দের স্বাধীনতার ব্যাপারটি কেমন হবে সেটির একটি রূপরেখাও আলোচনা করেছেন বিসিবি সভাপতি। তিনি বলেন, “আমরা এখনো এবার কোন কন্ট্র্যাক্ট করিনি তো। কন্ট্র্যাক্ট শেষ হয়ে যে, এরপর আমরা নতুন কন্ট্র্যাক্টে যাইনি। এই কন্ট্র্যাক্টে আরো নতুন কিছু জিনিস যুক্ত হবে। ওখানে পরিস্কারভাবে লেখা থাকবে, যে কে কোন ফরম্যাট খেলতে চায়, তাদেরকে বলতে হবে। এবং এটাও জানতে হবে তাদের যদি ঐ সময়ে অন্য কোন খেলা থাকে তাহলে সেখানে খেলবে নাকি দেশের হয়ে খেলবে। এই কন্ট্র্য্যাক্টে যারা সই করবে তাদের তো আমরা তখন যেতে দিব না। এখন ব্যাপার টা ওপেন। আগে এটা ছিল ইনডিভিজুয়ালের ওপরে, এখন আমরা কাগজে কলমে লিখিত নিয়ে নিব। কারো বলার কিছু থাকবে না, যে দিল না, জোর করে যাচ্ছে-এসব বলার কিছু থাকবে না। ইটস অবভিয়াস, যে খেলবে না, সে খেলবে না।”

খেলোয়াড়রা ক্রিকেটের দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়নের জন্য নেয়া এসব সিদ্ধান্তের সঙ্গে কিভাবে মানিয়ে নেন, সেটিই এখন দেখার বিষয়।