• ঢাকা
  • শনিবার, ২৮ মে, ২০২২, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯
প্রকাশিত: জানুয়ারি ৫, ২০২২, ১২:৫৬ এএম
সর্বশেষ আপডেট : জানুয়ারি ৪, ২০২২, ০৬:৫৬ পিএম

‘ক্রিকেট ইতিহাসে সবচেয়ে বাজে রিভিউ’

‘ক্রিকেট ইতিহাসে সবচেয়ে বাজে রিভিউ’
সংগৃহীত ছবি

দ্বিতীয় ইনিংসে চারবার রিভিউ নিয়ে তিনবারই ব্যর্থ হয়েছে বাংলাদেশ। মাত্র ৩৭ ওভারের ভেতরেই বাংলাদেশ হারিয়ে ফেলে তিনটি রিভিউ।

বাংলাদেশের এমন রিভিউ কাণ্ড রসদ যোগাচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের আলোচনায়।

টুইটার-ফেসবুকে সরগরম বাংলাদেশের রিভিউ নিয়ে হাস্যরসে। 

দ্বিতীয় সেশনে দুই উইকেট পেলেও দুটি রিভিউ নষ্ট করেছে টাইগাররা। বাকি থাকা একটি রিভিউ জমা করে রাখে নি মুমিনুলরা। শেষ সেশনেও হাস্যকর এক রিভিউ নিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।

ভিডিও রিপ্লে দেখাতেই ধারাভাষ্যকক্ষে হাসির রোল উঠল। নিউজিল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংসে আর রিভিউ নেয়ার সুযোগ নেই মুমিনুলের। 

বাংলাদেশের হারানো তৃতীয় রিভিউটি বেশি হতাশাজনক ছিল। তাসকিন আহমেদের বল সরাসরি টেলরের মাঝ ব্যাটে লাগে। বাংলাদেশ এলবিডব্লিউয়ের আবেদন করে। আম্পায়ার নাকচ করে দেয়ার পর ফিল্ডার অধিনায়ককে অভয় দেন বল পায়ে লেগেছে বলে। মুমিনুল আবারও রিভিউ নেন। 

রিভিউতে দেখা যায়, পায়ের কোথাও বলই লাগেনি। প্যাডের যথেষ্ট দূর থেকে বল গেছে। পরিষ্কার ব্যাট দিয়ে বল রুখে দিয়েছেন টেলর। বল ও প্যাডের এতটাই দূরে ছিল যে খালি চোখেই রিভিউ বাতিল হয়ে যায়। যেটা ছিল বাংলাদেশের শেষ রিভিউ। ধারাভাষ্যকক্ষের পাশাপাশি জায়ান্ট স্ক্রিনে তা দেখে হাসির রোল ওঠে গ্যালারিতেও। 

এমন ঘটনায় সামাজিক মাধ্যমে হচ্ছে ট্রল। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে একজন ভিডিওটি শেয়ার করে লেখেন, ‘ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে বাজে রিভিউ এটি।’

নিজেদের এমন সিদ্ধান্তের পক্ষে সাফাই দিয়ে লিটন দাস বলেন, উইকেটের খোঁজেই রিভিউ নেয়া হয়েছিল। তিনি বলেন, ‘প্রথমটার কথাই বলি, আমি যখন রিভিউ নিলাম, আমার মনে হয়েছিল নিশ্চিত আউট। দ্বিতীয়টা আমরা নেয়ার পর সফল হয়েছিলাম। কনওয়ের উইকেটটা। ওটাতে কিন্তু সাদমান, মিরাজ, শান্ত, রাব্বি, যারা সামনে ছিল, তাদের কল ছিল। আমি পেছনে থাকায় বুঝতে পারিনি ইনার এজ হয়েছিল।’

শেষ রিভিউ প্রসঙ্গে লিটন বলেন, ‘এটা হয় অনেক সময়, কখনও রিভিউতে সফল হবেন, কখনও হবেন না। পরেরটায় মিরাজ আত্মবিশ্বাসী ছিল। প্রতিটা খেলোয়াড়ের দায়িত্ব ফিডব্যাক নেয়া। আমরা সেগুলো নেই। অনেক কিছু আমি পেছন থেকে বুঝতে পারি না। শেষের যেটা ছিল, ওটাও অনেকটা শিওর ছিল যে পায়ে লেগেছে। আমি পেছন থেকে বুঝতে পারছিলাম না। আমরা তো চাচ্ছিলাম একটা উইকেট পড়ুক, এই জন্যই আমরা রিভিউয়ের সুযোগ নিয়েছি।’

জাগরণ/এসএসকে