• ঢাকা
  • শনিবার, ২৮ মে, ২০২২, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯
প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৫, ২০২২, ১২:৪৩ এএম
সর্বশেষ আপডেট : জানুয়ারি ২৪, ২০২২, ০৬:৪৩ পিএম

মুশফিকদের হারিয়ে টেবিলের শীর্ষে চট্টগ্রাম

মুশফিকদের হারিয়ে টেবিলের শীর্ষে চট্টগ্রাম
সংগৃহীত ছবি

চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের শুরুটা হয়েছিল হার দিয়ে। এরপর টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে মেহেদি হাসান মিরাজের দল। শক্তিশালী মিনিস্টার ঢাকার পর এবার তাদের শিকার মুশফিকুর রহিমের খুলনা টাইগার্স। 

টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমে ৭ উইকেট হারিয়ে চলতি বিপিএলের চলতি আসরে সর্বোচ্চ ১৯০ রান তোলে দলটি। রান তাড়া করতে নেমে ৯ উইকেটে ১৬৫ রানে থেমে যায় খুলনার ইনিংস। ২৫ রানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে চট্টগ্রাম।

বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা প্রত্যাশামাফিক ছিল না খুলনার। নাসুম আহমেদের তৃতীয় ওভারের প্রথম বলেই লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন ৯ রান করা তানজিদ। এরপর রনি তালুকদারের (৭) উইকেট হারায় খুলনা। আন্দ্রে ফ্লেচার ও মেহেদি হাসানের ব্যাটে সেই ধাক্কা সামলেও ওঠার চেষ্টা করছিল দলটি। কিন্তু সপ্তম ওভারে রেজাউর রহমানের বাউন্সে কাঁধে আঘাত পেয়ে মাঠ ছাড়েন ফ্লেচার। ১২ বলে ১৬ রান করেন তিনি। ফ্লেচারকে হাসপাতালে নেয়া হলেও তিনি স্বাভাবিক আছেন। 

ফ্লেচার ফেরার পর নড়বড়ে হয়ে পরে খুলনার ইনিংস। টানা দ্বিতীয় জয় তুলতে মাঝের দিকে লড়াই করেন মেহেদি হাসান। তরুণ এই ব্যাটার ২৪ বলে ৩০ রানে ফিরেন। পরে ব্যাটিংয়ে নেমে হতাশ করেন খুলনার অধিনায়ক মুশফিক। তিনি ১৫ বলে মাত্র ১১ রান করে আউট হন বেনি হাওয়েলের বলে। তার আগে নামা শেখ মেহেদি হাসান ৫ চারের মারে খেলেন ২৪ বলে ৩০ রানের ইনিংস।

মুশফিক-মেহেদি ফিরলে প্রতিরোধ করেন ইয়াসির আলী। ফ্লেচারের বদলি নামা সিকান্দার রাজা ১২ বলে ১ চার ২ ছক্কায় করেন ২২ রান। ইয়াসির ২৬ বলে ৪০ রানের ইনিংস সাজান দুটি চার তিন ছক্কায়। তাদের লড়াই শেষ পর্যন্ত ব্যবধানই কমাতে পারে।

চট্টগ্রামের টানা দ্বিতীয় জয়ের বেনি হাওয়েল ৩৭ রানের বিনিময়ে নেন এক উইকেট। শিকার করেন প্রতিপক্ষে অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমকে। দুটি করে উইকেট নেন রেজাউর, শরিফুল ও মেহেদি হাসান।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারেই তাণ্ডব চালান কেনার লুইস ও উইল জ্যাকস। প্রথম ওভার থেকে দুই ওপেনার তুললেন ২৩ রান। যা বিপিএলের প্রথম ওভারে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড। তাদের এই জুটির স্থায়িত্ব ছিল ৯ বলের, যেখানে উঠেছে ২৯ রান। জ্যাকসের(১৭) বিদায়ে ভাঙে এই জুটি। এরপর ব্যক্তিগত ২৫ রানে ফেরেন লুইস। আফিফ টিকলেন ১৩ বল, করলেন ১৫ রান। 

এরপর ৪৮ মিরাজকে নিয়ে ৪৮ রাঙের জুটি গড়েন সাব্বির। দলীয় ১১৭ রানে ব্যক্তিগত ৩০ রানে ফেরেন মিরাজ। সাব্বির ফিরেন ৩২ রানে। শেষদিকে বেনি হাওয়েলের তাণ্ডবে এই বিপিএলে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ দলীয় স্কোর ১৯০ রান তোলে চট্টগ্রাম।

আগের একাদশ নিয়েই মাঠে নামে খুলনা। তিন বিদেশি থিসারা পেরেরা, আন্দ্রে ফ্লেচার ও নাভীন উল হককে নিয়ে একাদশ সাজিয়েছে খুলনা। চট্টগ্রাম একাদশে এক পরিবর্তন, মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধর পরিবর্তে দলে এসেছেন রেজাউর রহমান। মিরাজের দলে তিন বিদেশি হলেন পেস অলরাউন্ডার বেনি হাওয়েল, ব্যাটসম্যান উইল জ্যাক ও টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান কেনার লুইস।

খুলনা টাইগার্স

মুশফিকুর রহিম (অধিনায়ক), আন্দ্রে ফ্লেচার, তানজীদ হাসান তামিম, রনি তালুকদার, ইয়াসির আলী চৌধুরী, থিসারা পেরেরা, শেখ মেহেদী হাসান, ফরহাদ রেজা, সোহরাওয়ার্দী শুভ, নাভীন উল হক ও কামরুল ইসলাম রাব্বি।

চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স

মেহেদি হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), কেনার লুইস, শামীম হোসেন, সাব্বির রহমান, আফিফ হোসেন, বেনি হাওয়েল, নাইম ইসলাম, উইল জ্যাকস, শরিফুল ইসলাম, রেজাউর রহমান ও নাসুম আহমেদ।

জাগরণ/এসএসকে/কেপি/এমএ