• ঢাকা
  • সোমবার, ১৫ আগস্ট, ২০২২, ৩১ শ্রাবণ ১৪২৯
প্রকাশিত: মে ৪, ২০২২, ০১:৪৯ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : মে ৪, ২০২২, ০৭:৪৯ এএম

আবারো চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে লিভারপুল

আবারো চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে লিভারপুল

ভিলারিয়ালের জন্য লড়াইটা ছিল দারুণ কঠিন। প্রথম লেগে ২-০ গোলে জিতে এগিয়েই ছিল লিভারপুল। সেই ধারাবাহিকতাটাই ধরে রেখেছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের জায়ান্টরা। দ্বিতীয় লেগেও জয়। দুইয়ে মিলে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে পা রেখেছে লিভারপুল।

ভিলারিয়ালের মাঠে মঙ্গলবার রাতে সেমি-ফাইনালের দ্বিতীয় লেগে লিভারপুল জিতেছে ৩-২ গোলে। তার পথ ধরে দুই লেগ মিলিয়ে ৫-২ গোলে এগিয়ে প্যারিসে ফাইনালের টিকেট পাওয়া হয়ে গেল মোহাম্মদ সালাহদের। 

ইয়ুর্গেন ক্লপের দল অবশ্য মঙ্গলবার রাতে শুরুতে পিছিয়ে পড়ে, ০-২ গোলে। গোল করেন ভিলারিয়ালের বোলায়ে দিয়া ও ফ্রান্সিস কোকেলিন। কিন্তু লিভারপুল সব চমক জমা রেখেছিল দ্বিতীয়ার্ধের জন্য। তারা ১২ মিনিটের ম্যাজিকে উড়িয়ে দেয় প্রতিপক্ষকে। লিভারপুলের হয়ে সেই তিন গোল করেন ফাবিনিয়ো, লুইস দিয়াস আর সাদিও মানে।

এনিয়ে লিভারপুল পাঁচ মৌসুমের মধ্যে তৃতীয়বারের মতো উঠল ইউরোপিয়ান ক্লাব ফুটবলের শীর্ষ টুর্নামেন্ট চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে। যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ হতে যাচ্ছে রিয়াল মাদ্রিদ অথবা ম্যানচেস্টার সিটি। বুধবার রাতে লড়বে এই দুই জায়ান্ট। তাদের লড়াইয়ে এগিয়ে থাকা দলের সঙ্গেই ২৮ মে ফাইনালে নামবে লিভারপুল। প্রথম লেগে ৪-৩ গোলে জিতে ম্যানসিটি কিছুটা এগিয়ে। তবে তারা ম্যাচটি খেলতে নামবে করিম বেনজেমাদের মাঠে, মাদ্রিদে!

মঙ্গলবার রাতে ভিলারিয়ালের শুরুটা ছিল অসাধারণ! খেলা যখন তৃতীয় মিনিটে তখনই দলকে এগিয়ে দেন স্প্যানিশ ক্লাবটির  সেনেগালের ফরোয়ার্ড দিয়া। এরপর ৪১ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে ভিয়ারিয়াল। গোলদাতা কোকেলিন। ব্যস, স্বস্তি ফেরে ভিলারিয়াল শিবিরে। দুই লেগ মিলিয়ে তখন ২-২ সমতা। কিন্তু কে জানতো দ্বিতীয়ার্ধে এতো চমক বাকি!

ইতিহাস গড়ার অপেক্ষায় ছিল ভিলারিয়াল। স্বাগতিক দর্শকরা তখন বাঁধনহারা উল্লাসে মাতোয়ারা। ক্লাবের ইতিহাসে দলটি কখনো চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনাল খেলেনি। দল যখন ২-০ গোলে এগিয়ে তখন তো তেমন স্বপ্ন দেখতেই পারে তারা। তবে শেষ অব্দি উনাই এমেরির হাত ধরে ইতিহাস গড়া হলো না তাদের। প্রতিপক্ষের মাঠে নিজেদের উজাড় করে দিল সালাহরা। ভিলারিয়ালের স্বপ্ন ভেঙে তুলে নিল মনে রাখার মতো এক জয়! ম্যাচে পিছিয়ে পড়েও প্রত্যাবর্তনে মুগ্ধ করল জায়ান্ট ক্লাবটির ফুটবলাররা!

খেলার ৬২তম মিনিটে এসে স্বস্তি ফেরে লিভারপুল শিবিরে। মোহাম্মদ সালাহর পাস ধরে গোল করেন দলের ব্রাজিলিয়ান রিক্রুট ফাবিনিয়ো। এর চার মিনিট পর আবারও অলরেডদের হাসিমুখ। এবার গোলদাতা দলের কলম্বিয়ান ফরোয়ার্ড দিয়াস। ৭৪তম মিনিটে প্রতিপক্ষের গোলকিপার জেরোনিমো রুলির ভুলের সুযোগটা কাজে লাগায় লিভারপুল। পোস্ট ছেড়ে বেরিয়ে আটকাতে যান মানেকে। কিন্তু সেনেগালের ফরোয়ার্ডকে সামাল দেয়া সহজ কথা নয় (৩-২)!

ব্যস, এই ব্যবধানেই মাঠ ছাড়ে লিভারপুল। ফাইনালে ইয়ুর্গেন ক্লপের দল। বিদায় নিল ভিলারিয়াল, তবে জুভেন্টাস ও বায়ার্ন মিউনিখের মতো দলকে দলকে পেছনে ফেলে শেষ চারে এসে অনেক প্রাপ্তিই সঙ্গী হল তাদের। 

 

এসকেএইচ//