• ঢাকা
  • রবিবার, ২৫ আগস্ট, ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬
Bongosoft Ltd.
প্রকাশিত: এপ্রিল ১৬, ২০১৯, ০৮:৩৭ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : এপ্রিল ১৬, ২০১৯, ০৮:৩৭ পিএম

‘বনলতা এক্সপ্রেস’ এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু ২৫ এপ্রিল

রাজশাহী সংবাদদাতা
‘বনলতা এক্সপ্রেস’ এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু ২৫ এপ্রিল
বনলতা এক্সপ্রেস -ছবি : সংগৃহীত

রাজশাহী-ঢাকা রুটে প্রথম ও একমাত্র বিরতিহীন ট্রেন ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ যাত্রা শুরু করবে আগামী ২৫ এপ্রিল। ওই দিন সকাল ১০টায় রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন থেকে রাজধানী ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে ট্রেনটি। 

গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ এর উদ্বোধন ঘোষণা করবেন।ওই সময় রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনের উদ্বোধনীতে উপস্থিত থাকবেন রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন।

মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) পশ্চিমাঞ্চল রেলের মহাব্যবস্থাপক খন্দকার শহিদুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, এর আগে বিরতিহীন ট্রেন ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ চালুর কথা ছিল পহেলা বৈশাখে (১৪ এপ্রিল)। এদিন দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে ঢাকা থেকে রাজশাহীর উদ্দেশ্যে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরুর কথা ছিল ট্রেনটির। কিন্তু প্রস্তুতি শেষ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। তবে আগামী ২৫ এপ্রিলের চালু হতে পারে বহুল প্রত্যাশিত এ ট্রেনটি।

শুক্রবার বাদে প্রতিদিন সকাল ৭টায় রাজশাহী ছেড়ে যাবে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’। প্রায় ৪ ঘণ্টা বিরতিহীন যাত্রা শেষে ট্রেনটি ঢাকায় পৌঁছাবে বেলা ১১টায়। বেলা ১টা ১৫ মিনিটে রাজশাহীর উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়বে ট্রেনটি। বিকাল সোয়া ৫টায় রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছাবে বনলতা এক্সপ্রেস।

এর আগে, গত ৭ এপ্রিল সৈয়দপুর-পার্বতীপুর থেকে টাঙ্গাইল (বঙ্গবন্ধু সেতু) পর্যন্ত সফল ট্রায়াল সম্পন্ন করেছে ট্রেনটি। জানা গেছে, রাজশাহী-ঢাকা বিরতিহীন ওই ট্রেনটির নাম নির্ধারণ হয়েছে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’। প্রধানমন্ত্রী নিজেই ট্রেনটির নাম পছন্দ করেছেন।

একমাত্র বিরতিহীন ট্রেন বনলতা এক্সপ্রেসটি ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানি করা অত্যাধুনিক ১২টি বগি সংযুক্ত হচ্ছে এ ট্রেনে। এর মধ্যে শোভন চেয়ার ৭টি, এসি চেয়ার কোচ ২টি, একটি পাওয়ার কার, দুটি গার্ডব্রেক ও একটি খাবার বগি রয়েছে।

এদিকে, বনলতা এক্সপ্রেসে আসন সংখ্যা থাকছে ৯২৮টি। এর মধ্যে শোভন চেয়ারের ভাড়া হবে ৩৭৫ টাকা। আর স্নিগ্ধার (এসি চেয়ার) ভাড়া যাত্রী প্রতি ৭১৯ টাকা। এছাড়া ৮৬৩ টাকায় পাওয়া যাবে এসি কেবিন, ১ হাজার ২৮৮ টাকায় মিলবে এসি বার্থ। বিরতিহীন চার্জ হিসেবে বিদ্যমান ভাড়ার সঙ্গে ভ্রমণকারীদের ১০ শতাংশ অতিরিক্ত টাকা দিতে হবে। এটি শুক্রবার ছাড়া ট্রেনটি সপ্তাহে ৬দিন চলবে। সিগন্যাল পাসিং দ্রুত শেষ হলে ঢাকা-রাজশাহী বিরতিহীন ট্রেনটির ভ্রমণ সময় হবে ৪ থেকে সাড়ে ৪ ঘণ্টা।

রাজশাহী সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন,  আমার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিগুলোর মধ্যে একটি ছিল রাজশাহী-ঢাকা বিরতিহীনট্রেন চালু। ট্রেনটি অনুমোদন দেয়ায় আমি রাজশাহীবাসীর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে ধনবাদ ও কৃতজ্ঞা জানাচ্ছি।

একেএস

 

Islami Bank