• ঢাকা
  • রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৯, ১ পৌষ ১৪২৬
প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১, ২০১৯, ০৮:৪৫ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : ডিসেম্বর ১, ২০১৯, ০৮:৪৫ পিএম

পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে ১৮ মাসের মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন সম্পন্ন

জাগরণ প্রতিবেদক
পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে ১৮ মাসের মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন সম্পন্ন
সেমিনারে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলীসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ -ছবি : জাগরণ

দেশের পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে ১৮ মাসের মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে সরকার। ১ জানুয়ারি ২০২০ থেকে ৩০ জুন ২০২১ পর্যন্ত এই ১৮ মাসের মধ্যে পর্যটনের মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। পর্যটন উন্নয়নের মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে সরকার পরামর্শক নিয়োগ প্রায় সম্পন্ন করেছে। পর্যটন উন্নয়নের স্বার্থে মহাপরিকল্পনা অনুযায়ী স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা বাস্তবায়নের করা হবে।

রোববার (১ ডিসেম্বর) রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে ট্যুরিজম রিসোর্ট ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ আয়োজিত ‘পর্যটন ও কর্মসংস্থান’ শীর্ষক সেমিনারে এসব তথ্য জানান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী।

ট্যুরিজম রিসোর্ট ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি খবির উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে সৈয়দ ইশতিয়াক রেজার সঞ্চালনায় সেমিনারে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান রাম চন্দ্র দাস ও ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. ভুবন চন্দ্র বিশ্বাস।

প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী বলেন, পর্যটন শিল্পের গুণগত পরিবর্তন আনতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুসারে কাজ করে যাচ্ছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়। কক্সবাজার ও সুন্দরবনের পার্শ্ববর্তী এলাকায় এক্সক্লুসিভ ট্যুরিস্ট জোন গড়ে তোলার জন্যে কাজ এগিয়ে চলছে। দেশের এই এক্সক্লুসিভ ট্যুরিস্ট জোনগুলোতে প্রচুর সংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

তিনি বলেন, পর্যটন শিল্পের বিকাশ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি অংশীজনদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বর্তমানে বেসরকারি পর্যায়ে অংশীজনের উদ্যোগে দেশের বিভিন্ন স্থানে হোটেল-মোটেল, রিসোর্ট, ইকোপার্ক, থিমপার্ক সহ পর্যটনের নানা অনুষঙ্গ গড়ে উঠছে। পর্যটন শিল্পকে ঘিরে যত বেশি প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে ততবেশি আমাদের দেশীয় যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা যাবে এই শিল্পে। পর্যটন শিল্পের বিকাশ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায় নির্ধারিত শোভন কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে। পর্যটন শিল্পের বিকাশে দেশের জনগণের স্বার্থে, উন্নয়নের স্বার্থে, সর্বোপরি বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলার স্বার্থে আমরা সবসময়ই পর্যটন খাতের অংশীজনদের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।

এমএএম/এসএমএম