• ঢাকা
  • রবিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ৩০ ভাদ্র ১৪২৬
প্রকাশিত: মে ২১, ২০১৯, ১১:৩৮ এএম
সর্বশেষ আপডেট : মে ২১, ২০১৯, ১১:৫৩ এএম

বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেত্রীর আত্মহত্যার চেষ্টা

ঢাবি প্রতিনিধি 
বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেত্রীর আত্মহত্যার চেষ্টা
বহিষ্কৃত নেত্রী জারিন দিয়া- ফাইল ছবি

ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে জায়গা না পাওয়া সাময়িক বহিষ্কৃত নেত্রী জারিন দিয়া আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন। সোমবার (২০ মে) দিবাগত রাতে তিনি ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন বলে তার বন্ধুরা নিশ্চিত করেন। গত ১৩ মে (সোমবার) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় জড়িত থাকার দায়ে অন্য চার কর্মীর সঙ্গে তাকেও বহিষ্কার করা হয়। এ কারণেই তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন বলে জানা যায়।

জানা যায়, ছাত্রলীগের আংশিক কমিটি প্রকাশের এক বছর পর গত ১৩ মে (সোমবার) ঘোষণা করা হয় সংগঠনের ৩০১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি।ওইদিন সন্ধ্যায় মধুর ক্যান্টিনে পদবঞ্চিত ও প্রত্যাশিত পদ না পাওয়া ছাত্রলীগের বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা সংবাদ সম্মেলন করতে গেলে সংগঠনের বর্তমান সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর অনুসারীরা তাদের ওপর হামলা চালান।

এতে কয়েকজন নারী নেত্রীসহ ১০-১২ জন আহত হন। সেই ঘটনা তদন্তে ১৪ মে (মঙ্গলবার) তিন সদস্যেও একটি তদন্ত কমিটি করে ছাত্রলীগ। কমিটিকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়। সেই কমিটি গত শনিবার রাতে প্রতিবেদন জমা দেয়। গত মঙ্গলবার রাতে ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে জেরিনসহ পাঁচজনকে স্থায়ী ও সাময়িকভাবে বহিষ্কার করে প্রেস বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ পুলিশ বক্সের ইনচার্জ (পরিদর্শক) বাচ্চু মিয়া জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জারিন দিয়া নামের এক ছাত্রী ঘুমের ঔষুধ খেয়ে হাসপাতালে আসেন। পরে তার ‘স্টমাক ওয়াস’ করে ৫০২ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি দেয়া হয়েছে। 

এ বিষয়ে কথা হয় জারিন দিয়ার সঙ্গে। তিনি বলেন, ভালোবাসার সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে হয়তো অনেক বেশিই ভালোবেসে ফেলেছি। আমি খুব সাধারণ একজন কর্মী। কারোর সাথে কোন শত্রুতা ছিল না কোন দিন। একটা স্ট্যাটাস এর মাধ্যমে হয়তো আজ অনেক আলোচনা সমালোচনার মুখোমুখি পড়েছি। পদ থেকে বঞ্চিত হয়েছি বলেই স্ট্যাটাসটা দেই নাই। আসলে জমে থাকা কষ্টগুলো ভিতরে আর রাখতে পারিনি। সত্যি অনেক পরিশ্রম করেছিলাম।

এমআইআর/টিএফ
 

Islami Bank