• ঢাকা
  • রবিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ৩০ ভাদ্র ১৪২৬
প্রকাশিত: জুন ১১, ২০১৯, ০৯:০৯ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : জুন ১১, ২০১৯, ০৯:১০ পিএম

নিজ অফিসে তালা বিএনপির ‘নেতৃত্বহীনতার’ প্রমাণ : তথ্যমন্ত্রী

জাগরণ প্রতিবেদক
নিজ অফিসে তালা বিএনপির ‘নেতৃত্বহীনতার’ প্রমাণ : তথ্যমন্ত্রী

 

আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি মধ্যে যে অস্থিরতা সেটির বহিঃপ্রকাশ হচ্ছে তাদের কর্মীরাই নিজেদের অফিসে তালা মেরে দিয়েছে। যারা নিজের অফিসে তালা মারে, তার কি ভাবে সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করবে, কিংবা সরকারের বিরুদ্ধে বৃহত্তর ঐক্য করবে এটি আমার জানা নেই। এর মধ্যে দিয়ে এটিই প্রমাণ হয়, বিএনপি প্রচন্ড বিশৃঙ্খলা ও নেতৃত্বহীনতার মধ্যে দিয়ে চলছে। মঙ্গলবার (১১ জুন) বিকেলে ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে প্রচার ও প্রকাশনা উপকমিটির নিয়মিত সভার শুরুতে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

‘এখনো ১/১১ এর কুশীলবরা সক্রিয়’ এমন মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, তারা এখনো বাংলাদেশ অগণতান্ত্রিক সরকার কায়েমের করার স্বপ্ন দেখে। এবং মাঝে মধ্যে বিচ্ছিন্ন কথা বলে গণতান্ত্রিক সরকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করে। ১/১১ এর কুশীলবরা এখনো সক্রিয় তাই সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। যাতে কেউ পেছন থেকে ছুরি মারতে না পারে।’   

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘১/১১ এর কুশীলবদের সঙ্গে আজ বিএনপিও হাত মিলিয়েছে অনেক ক্ষেত্রে। সেই কারণে ২০১৪ সালে নির্বাচন তারা বর্জন করে গণতন্ত্রে অভিযাত্রাকে প্রতিহত করার চেষ্টা করেছে। এবং বিগত ২০১৮ সালের ডিসেম্বরের নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করেও অংশ গ্রহণ করে নাই। তার উদ্দেশ্য ছিলো নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা।’    

তিনি বলেন, ২০০৮ সালের ১১ জুন, আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের আন্দোলন প্রেক্ষিতে বাধ্য হয়ে শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিয়েছিলো তৎকালীন অগণতান্ত্রিক সরকার। আমাদের আন্দোলনের কারণেই খালেদা জিয়াও মুক্তি লাভ করেন। তখন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা শুধুমাত্র শেখ হাসিনা মুক্তি জন্য লড়াই করেছেন তা নয়। সমস্ত রাজবন্দীর মুক্তির জন্য লড়াই করেছেন। এমনকি যখন কোনো বিএনপির নেতা নেত্রীর পুত্র-কন্যাকে অযৌক্তিক ভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, তৎকালীন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী, সে সময়ের বিরোধী দলের নেতা জননেত্রী শেখ হাসিনা কথা বলেছেন।

তিনি বলেন, এই দিন শুধু জননেত্রী শেখ হাসিনা মুক্তি লাভ করেন তা নয়। ঐ দিন গণতন্ত্রের পায়ে যে শিকল পরানো হয়েছিল, গণতন্ত্র এই দিন মুক্তি লাভ করে। শেখ হাসিনা আর গণতন্ত্র সমার্থক হয়ে গেছে। ১৯৮১ সালের ১৭ মে শেখ হাসিনার স্বদেশে প্রত্যাবর্তন ছিলো, শুধু মাত্র জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশে প্রত্যাবর্তন নয়। সেদিন ছিলো মুক্তিযুদ্ধের চেতনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন এবং গণতন্ত্রের অগ্নি শিখার প্রত্যাবর্তন।  

এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন অাওয়ামী লীগের উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তফা জব্বার, প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব আশরাফ সিদ্দিকী বিটু প্রমুখ।

এএইচএস/এসজেড

Islami Bank