• ঢাকা
  • সোমবার, ২০ মে, ২০২৪, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৩, ০১:৫০ এএম
সর্বশেষ আপডেট : সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৩, ০১:০১ এএম

পর্দা উঠল ১৬তম আন্তর্জাতিক শিশু চলচ্চিত্র উৎসবের

পর্দা  উঠল ১৬তম আন্তর্জাতিক শিশু চলচ্চিত্র উৎসবের
আন্তর্জাতিক শিশু চলচ্চিত্র উৎসবে আমন্ত্রিত অতিথিরা ● সংগৃহীত

‘ফ্রেমে ফ্রেমে আগামী স্বপ্ন’ স্লোগান নিয়ে প্রতি বছরের মতো এবারও শুরু হলো ১৬তম আন্তর্জাতিক শিশু চলচ্চিত্র উৎসব বাংলাদেশ-২০২৩।

বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় শিল্পকলা একাডেমিতে চিলড্রেনস ফিল্ম সোসাইটি বাংলাদেশ আয়োজিত ১৬তম আন্তর্জাতিক শিশু চলচ্চিত্র উৎসব উদ্বোধন করেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে চিলড্রেনস ফিল্ম সোসাইটি বাংলাদেশের সভাপতি ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. হুমায়ুর কবীর খোন্দকার, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকি এবং চিলড্রেনস ফিল্ম সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা ও চলচ্চিত্র নির্মাতা মোরশেদুল ইসলাম ও প্রতিষ্ঠানের সাধারণ সম্পাদক মুনীরা মোরশেদ মুননী।

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে তিনদিনব্যাপী এ অনুষ্ঠান চলবে আগামী ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এবারের উৎসবের অন্যতম আকর্ষণীয় বিভাগ হিসেবে থাকছে বাংলাদেশি শিশুদের নির্মিত প্রতিযোগিতা। এ বিভাগে ১৭টি চলচ্চিত্র জমা পড়েছে, যার মধ্যে নির্বাচিত ৯টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে। সেখান থেকে ৩টি চলচ্চিত্র পুরস্কার পাবে।

বিশেষ চলচ্চিত্র বিভাগে জমা পড়া ৫টি চলচ্চিত্রের মধ্যে নির্বাচিত ২টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে। তরুণ বাংলাদেশি নির্মাতা বিভাগে ৩৫টি চলচ্চিত্র জমা পড়েছে। সেখান থেকে  প্রদর্শিত হবে ১৫টি চলচ্চিত্র। আর পুরস্কার পাবে ২টি চলচ্চিত্র।

আন্তর্জাতিক শিশু চলচ্চিত্র নির্মাতা বিভাগে ২ হাজার ৭০০টির বেশি চলচ্চিত্র জমা পড়েছিল। সেখান থেকে প্রদর্শিত হবে ৭৫টি চলচ্চিত্র। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে প্রতিদিন বেলা ১১টা, দুপুর ২টা, ও সন্ধ্যা ৬টায়, মোট ৩টি করে প্রদর্শনী হবে।

এবারের উৎসবে ঢাকায় ২টি ভেন্যু, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তন ও আলিয়ঁস ফ্রঁসেজে ৩৯টি দেশের ১০১টি শিশুতোষ চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে। প্রতিটি প্রদর্শনীতে একাধিক শিশুতোষ চলচ্চিত্র দেখানো হবে।

প্রতি বছরের মতো এবারও উৎসবের সব প্রদর্শনী অভিভাবক, শিশু-কিশোরসহ সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। সিনেমা দেখার জন্য কোনো ধরনের প্রবেশ মূল্য নেই। শিশু নির্মাতাদের চলচ্চিত্র বিচার কাজে জুরি বোর্ডের সবাই শিশু-কিশোর। অর্থাৎ ছোটদের নির্মিত শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রগুলো বাছাই করবে ছোটরাই।

তরুণ বাংলাদেশি নির্মাতা বিভাগের চলচ্চিত্রগুলো বিচার করার জন্য জুরি বোর্ডে রয়েছেন উদীয়মান চলচ্চিত্র নির্মাতারা। এ ছাড়া চলচ্চিত্র নির্মাতা গিয়াস উদ্দিন সেলিম, শামীম আকতার ও রাকা নওশিন নাওয়ারকে সদস্য করে আন্তর্জাতিক শিশু চলচ্চিত্র নির্মাতা বিভাগের চলচ্চিত্র বিচার করার জন্য একটি জুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে।

উৎসবে যারা চলচ্চিত্র প্রদর্শনের জন্য মনোনীত হয়েছেন তাদের উৎসব কমিটির পক্ষ থেকে প্রতিনিধি হিসেবে অংশ নেয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। উৎসবে আমন্ত্রিত প্রতিনিধিদের জন্য বিভিন্ন কর্মশালা ও সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে। এবার মোট ২টি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে। কর্মশালায় উপস্থিত থাকবেন চলচ্চিত্র নির্মাতা মোহাম্মদ তাওকীর ইসলাম এবং চলচ্চিত্র নির্মাতা রায়হান রাফি।

অনুষ্ঠান শেষে মোহাম্মদ নুরুজ্জামান পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘আম কাঠাঁলের ছুটি’ (বাংলাদেশ) উদ্বোধনী চলচ্চিত্র হিসেবে প্রদর্শিত হয়।

জাগরণ/বিনোদন/আন্তর্জাতিকশিশুচলচ্চিত্রউৎসব/এসএসকে