• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ০৩ ডিসেম্বর, ২০২০, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৭
প্রকাশিত: অক্টোবর ৮, ২০২০, ০৬:০০ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : অক্টোবর ৮, ২০২০, ০৬:০০ পিএম

শীতের আগমনী বার্তা নিয়ে শিশির ভেজা ভোর

ঠাকুরগাঁও সংবাদদাতা
শীতের আগমনী বার্তা নিয়ে শিশির ভেজা ভোর

উত্তরাঞ্চলের জেলা ঠাকুরগাঁওয় সূর্যের কিরণে দূর্বা ঘাসে কিংবা ধানের কচি ডগায় মুক্তার মতো আলো ছড়িয়ে ভোরের শিশির জানান দিচ্ছে, শীত আসছে।ভোরবেলা পড়তে শুরু করেছে হালকা কুয়াশা। সেই সঙ্গে মৃদু ঠাণ্ডা অনুভূত হচ্ছে। প্রতি বছর অগ্রহায়ণ মাসের প্রথম সপ্তাহে এ জেলায় শীতের আগমন ঘটলেও এবার আগেই শুরু হয়েছে শীত। 

বৃস্পতিবার ভোরে দেখা যায়-হালকা কুয়াশায় ঢেকে রয়েছে রাস্ত-ঘাট। সড়কে-মহাসড়কে বাস-ট্রাকগুলো চলাচল করছে হেডলাইট জ্বালিয়ে। ভোরে ও সকালে অনেকেই নিজ নিজ গন্তব্যে বের হয়েছেন হালকা গরম কাপড় গায়ে মুড়িয়ে। আর ঘাসের ওপর ভোরের সূর্য হালকা লালচে রঙয়ের ঝিলিক দিচ্ছে। স্থানীয়রা বলছেন, গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টির কারণে এ বছর আগাম শীত অনুভব হচ্ছে। দিনের বেলা কিছুটা গরম থাকলেও সন্ধ্যা নামার পর থেকেই কুয়াশা পড়তে শুরু করে । রাতভর হালকা বৃষ্টির মত টিপটিপ করে কুয়াশা ঝরতে থাকে। বিশেষ করে মাঠে ঘাসের ডগায় ও ধানের শীষে জমতে দেখা গেছে বিন্দু বিন্দু কুয়াশা। জেলার গ্রাম গুলোতে দেখা গেছে, পুরোনো কাঁথা নতুন করে সেলাই করে নিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন নারীরা। বাড়ির পাশে গাছের নিচে বসে রং বেরঙের সুতো দিয়ে তারা তৈরি করছেন কাঁথা। পৌর এলাকার বাসিন্দা সোহাক ইসলাম জানান, গত কয়েকদিনের অবিরাম বৃষ্টির কারণে এ বছর আগাম শীত অনুভব হচ্ছে। দিনের বেলা কিছুটা গরম থাকলেও সন্ধ্যা নামার পর থেকেই কুয়াশা পড়তে শুরু করে। সদর উপজেলার আকচা ইউনিয়নের অটোচালক নিজামউদ্দীন বলেন, গত বছর এমন সময়ে কোনো কুয়াশা লক্ষ্য করিনি।

এ বছর দু’দিন ধরে সকালে বাস নিয়ে বের হবার সময় হেডলাইড জ্বালিয়ে রাস্তায় চলাচল করতে হচ্ছে।

সবজি চাষি রমজান আলী বলেন, হালকা শীতের কারণে ফসলে বিভিন্ন ধরনের ভাইরাস আক্রমণ শুরু করে। এতে ফসলে কীটনাশক প্রয়োগ করতে হবে। উৎপাদন খরচও বেড়ে যায়। আর গ্রামও শহরের হাট-বাজারগুলোতে উঠতে শুরু করেছে শীতের সবজি ফুলকপি, বাঁধাকপি, মূলা, শালগম, ওলকপি, গাজর, টমেটো। সবজি চাষিরা আসংখ্যা করছেন বৃষ্টির পানি ও শীতের কারণে বিভিন্ন ধরনের ভাইরাস দেখা দিতে পারে।এ বিষয়ে সদর উপজেলা কৃষি অফসার কৃষ্ণ রায় জানান কৃষি বিভাগের মাঠ পর্যায়ে কর্মীরা কৃষকদের কারিগরি সহায়তাসহ বিভিন্ন রকমের পরামর্শ দিচ্ছেন।