ডেঙ্গু প্রাদুর্ভাব

কুরবানির রক্ত ২৪ ঘন্টার মধ্যে পরিষ্কারের দাবি

জাগরণ ডেস্ক প্রকাশিত: আগস্ট ৭, ২০১৯, ০৯:০৯ পিএম কুরবানির রক্ত ২৪ ঘন্টার মধ্যে পরিষ্কারের দাবি
দক্ষিণ নগর ভবনের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে পরিবেশবাদীরা -ছবি : জাগরণ

ডেঙ্গু প্রাদুর্ভাবের কারণে এবার কুরবানির রক্ত ২৪ ঘন্টার মধ্যে পরিষ্কারের দাবি জানিয়েছেন পরিবেশবাদীরা। তাদের আশঙ্কা গরুর রক্ত খেয়ে মশা ব্যাপক বিস্তার লাভ করবে।

বুধবার (৭ আগস্ট) দুপুরে ঢাকা দক্ষিণ নগর ভবনের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে পরিবেশবাদীরা এ আশঙ্কা প্রকাশ করেন। 

যত্রতত্র কুরবানীর পশুর হাট বন্ধ, স্থায়ী জবাই কেন্দ্র স্থাপন, কুরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণ এবং প্রাণঘাতি ডেঙ্গুর কবল থেকে দেশের মানুষকে রক্ষায় মশক নিধনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করার দাবিতে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা), জনগণের স্বাস্থ্য আন্দোলন (পিএইচএম-বাংলাদেশ), নিরাপদ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন, সিডিপি, নেটওয়ার্ক অন ক্লাইমেট চেঞ্জ বাংলাদেশ (এনসিসিবি), ঢাকা যুব ফাউন্ডেশন, আদি ঢাকাবাসী ফোরাম, পরিবেশ রক্ষা এখনই, পুরাণ ঢাকা নাগরিক উদ্যোগ, বাংলাদেশ ঘুড়ি ফেডারেশন ও গ্রিণভয়েসের যৌথ উদ্যোগে এ কর্মসূচিতে পালন করা হয়। এতে বাপার সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. আব্দুল মতিন সভাপতিত্ব করেন।

কর্মসূচিতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাপার যুগ্ম সম্পাদক মিহির বিশ্বাস, পিএইচএম-বাংলাদেশের সমন্বয়ক আমিনুর রসুল, ঢাকা যুব ফাউন্ডেশনের সভাপতি মো. শহিদুল্লাহ, নিরাপদ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী ইবনুল সাঈদ রানা, পুরাণ ঢাকা নাগরিক উদ্যোগের সভাপতি নাজিম উদ্দীন, পুরান ঢাকা পরিবেশ উন্নয়ন ফোরামের সঞ্চালক ইমরান হোসেন, আদি ঢাকাবাসী ফোরামের সা. সম্পাদক মো. জাভেদ জাহান, সেভ দ্যা রিভারের সদস্য সচিব শাকিল রহমান, সিডিপির-খোকন শিকদার, পরিবেশ রক্ষা এখনই এর সমন্বয়ক জহুরুল ইসলাম প্রমুখ।

ডা. মো. আব্দুল মতিন বলেন, গত ৩ বছর থেকে ঢাকায় সিটি করপোরেশনের ঠিক করে দেয়া নির্ধারিত স্থানে কুরবানির ব্যবস্থা করা হয়েছে কিন্তু সব জায়গাতে তা করা হয়নি। এবার তাদেরকে সিটি করপোরেশনের দেয়া স্থানে কুরবানি দিতে বাধ্য করতে হবে। গত ৩ বছর ধরে সিটি করপোরেশনের কুরবানির বর্জ্য পরিষ্কার করতে ৩ দিন সময় লেগেছে, এবার ব্যাপক ডেঙ্গু সমস্যার কারণে কুরবানির রক্ত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পরিষ্কার করতে হবে। 

গরুর রক্ত খেয়ে সকল প্রকারের মশার ব্যাপক সংখ্যা বৃদ্ধি ঘটবে। তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক ঢাকা সিটি করপোরেশনের দুই মেয়রকে বর্ষা আসার ৩ মাস আগেই, এডিস মশা ও ডেঙ্গু রোগের প্রাদুর্ভাব বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানোর পরেও কেন তারা আগে থেকে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি তা প্রধানমন্ত্রীর কাছে জানতে চান। মেয়ররা মশা মারার ওষুধ কোন খাতে ব্যয় করেছেন, তা নিয়েও প্রশ্ন করেন তিনি।

তিনি বলেন, আতঙ্কিত মানুষ নেতাদের সক্রিয় পদক্ষেপ কামনা করছে। না হলে আগামী ২-৩ মাসে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা হবে অকল্পনীয়। 

টিএস/একেএস
 

আরও সংবাদ