সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ স্থগিত চেয়ে রিট

জাগরণ প্রতিবেদক প্রকাশিত: জুলাই ২৬, ২০২১, ১২:১৭ পিএম সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ স্থগিত চেয়ে রিট
সুপ্রীম কোর্ট

আগামী ২৮ জুলাই অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদের সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ স্থগিত রাখার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে।

সোমবার (২৬ জুলাই) সুপ্রিম কোর্টের ছয়জন আইনজীবী এবং সালেহ আহমেদসহ স্থানীয় সাতজন ভোটারের পক্ষে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির  হাইকোর্টে এই রিট আবেদন দাখিল করেছেন।

আজই এ আবেদনের ওপর শুনানি গ্রহণ করবেন বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের হাইকোর্ট বেঞ্জ। আদালত রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীকে নির্বাচন কমিশনের(ইসি) সঙ্গে কথা বলে সর্বশেষ অবস্থা আদালতকে অবহিত করতে বলেছেন।

সুপ্রিম কোর্টের ৬ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ মুজাহিদুল ইসলাম, আল-রেজা মোহাম্মদ আমির, জোবায়দুর রহমান, জহিরুল ইসলাম, মেজবাহ উদ্দিন এবং মুস্তাফিজুর রহমানের পক্ষে রিট আবেদনটি করা হয়েছে। 

এর আগে নির্বাচনে ভোটগ্রহণ স্থগিত রাখতে রোববার (২৫ জুলাই) প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে (সিইসি) আইনি নোটিশ দেয়া হয়। এর পরই ওই এলাকার নির্বাচন কর্মকর্তা করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) এ আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। এ অবস্থায় রিট আবেদনটি দাখিল করা হয়েছে।

গত ১১ মার্চ সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরীর মৃত্যুতে আসনটি শূন্য হয়। নির্বাচন কমিশন (ইসি) গত ১৫ মার্চ এক বিজ্ঞপ্তিতে ওই আসন শূন্য ঘোষণা  করে। ফলে ৯০ দিনের মধ্যে অর্থাৎ ৮ জুনের মধ্যে ওই আসনের উপনির্বাচনে বাধ্যবাধকতা থাকলেও সংবিধানের ক্ষমতাবলে করোনা সংক্রমণকে দৈব দূর্বিপাক হিসেবে উল্লেখ করে আরো ৯০ দিন বাড়িয়ে নেয় ইসি। এরপর গত ২ জুন ওই উপ-নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়।  তফসিলে ১৪ জুলাই ভোটগ্রহণের দিন নর্ধারণ করা হয়।

পরবর্তীতে ইসি ১৫ জুন পৃথক এক নোটিশে ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারণ করে ২৮ জুলাই।

ওইসব তথ্য তুলে ধরে রিট আবেদনে বলা হয়েছে, দৈব দূর্বিপাকের কারণে সংবিধান অনুযায়ী ৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নির্বাচন করার সুযোগ রয়েছে। অথচ প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) বলছেন, নির্বাচন পেছানোর কোনও সুযোগ নেই। সিইসির এই বক্তব্য সঠিক নয়।

আবেদনে বলা হয়েছে, যে কারণে ৮ জুনের মধ্যে নির্বাচন করা সম্ভব হয়নি, সেই কারণ এখনও দেশে বিদ্যমান। দেশে করোনাভাইরাসের মারাত্মক সংক্রমণ চলছে। তাই এলাকার মানুষের জীবনের প্রশ্নে নির্বাচনে ভোটগ্রহণ স্থগিত রাখা প্রয়োজন। 

জাগরণ/এসএসকে/এমএ

আরও সংবাদ