শিল্পী রফিকুন নবীঃ

শিক্ষাবিদ ও সচিবদের চারুকলা সম্বন্ধে কিছু জ্ঞান থাকা দরকার

পঙ্কজ রায় প্রকাশিত: জুলাই ১১, ২০২১, ১২:০২ এএম শিক্ষাবিদ ও সচিবদের চারুকলা সম্বন্ধে কিছু জ্ঞান থাকা দরকার
ছবি-শিল্পী রফিকুন নবী এবং শিল্পী জামাল আহমেদ


সৃষ্টিশীল ও বিজ্ঞানমনস্ক জাতি গঠণের লক্ষে দেশের সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও শীর্ষ সারির ব্যক্তি মালিকানাধীন মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে আগে থেকেই চারু ও কারুকলা (ঐচ্ছিক) শিক্ষার পাঠদান চলছে। এর ধারাবাহিকতায় সরকার ২০১০ সালের শিক্ষানীতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ২০১৩ সাল থেকে মাধ্যমিকের সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে ষষ্ঠ-অষ্টম শ্রেণিতে আবশ্যিক এবং নবম-দশম শ্রেণিতে চতুর্থ বিষয় হিসেবে চারু ও কারুকলা শিক্ষার কার্যক্রম শুরু করে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অদূরদর্শী পরিকল্পনার ফলে বিদ্যালয়গুলোতে বিষয়টিকে বিভিন্নভাবে অবমূল্যায়ন করা হচ্ছে। ফলে যে উদ্দেশ্য নিয়ে বিষয়টি চালু হয়েছে, তা ব্যাহত হচ্ছে। কয়েক বছর ধরে মাধ্যমিকের চারুকলা শিক্ষার বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে চারুশিল্পী, চারুকলা শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ শিল্পীদের একাধিক সংগঠন নানা মাধ্যমে দাবি জানিয়ে আসছে। কর্তৃপক্ষ সমস্যা সমাধানে যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত না নিয়ে চারুকলার একাডেমিক শিক্ষার সঙ্গে সাংঘর্ষিক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করছে বলে অভিযোগ সচেতন শিল্পী সমাজের। সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষায় বৈষম্য রোধে বর্তমান সরকারের এই যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত চারুকলা অঙ্গনে বেশ প্রসংশিত হলেও নীতি নির্ধারকদের অদূরদর্শীতার ফলে ২০১০ সালের শিক্ষানীতি ২০২১ সালেও বাস্তবায়ন সম্ভব হচ্ছে না বলে মনে করেন দেশের সচেতন শিল্পী সমাজ। এসব বিষয় নিয়ে দেশের সচেতন চারুশিল্পী, চারুকলা শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ শিল্পীদের একাধিক সংগঠনের সঙ্গে জাগরণের পক্ষে কথা বলেছেন পঙ্কজ রায়।
 

চারুশিল্পীদের মতে, সৃজনশীল শিক্ষা ব্যবস্থায় ২০১৭ সাল থেকে চারু ও কারুকলার মতো একটি সৃজনশীল বিষয় পরীক্ষা থেকে বাদ দিয়ে এ শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ দিক থেকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের বঞ্চিত করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বিষয়ের শিক্ষকদের অবমূল্যায়ন করা হয়েছে। এরপর ২০১৮ সালের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জনবল ও এম.পি.ও নীতিমালায় প্রথমবারের মতো চারুকলা শিক্ষক পদটি যুক্ত হবার পরও ৩৫ বছর ঊর্ধ্ব চারুকলার হাজার হাজার দক্ষ জনবলকে বয়সের সীমায় উপেক্ষিত করা হয়েছে। অথচ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ২০১৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর বিষয়ে মেধা ও দক্ষতা বিবেচনায় রেখে বাস্তবতার নিরীখে যুক্তিসংগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রতিশ্রুতি ও বেকারত্ব দূরীকরণের কথা বলা হয়েছে। আবার ২০২১ সালের সংশোধনী নীতিমালায় চারুকলা শিক্ষক নিয়োগে যেকোনো বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রিসহ ১ বছরের ডিপ্লোমা কোর্সকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে যা চারু ও কারুকলার একাডেমিক শিক্ষার সাথে সাংঘর্ষিক। এমনকি হাজার হাজার বিদ্যালয়ে চারুকলা শিক্ষক সংকটের পরেও ইতোমধ্যে চারুকলা শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার চুড়ান্ত ফলাফলের পরেও রহস্যজনক কারণে ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরে এ পদে নিয়োগের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এ ধরনের সিদ্ধান্তের বিপরীতে একাধিকবার “বাংলাদেশ চারু শিল্পী সংসদ’ ও “চারুকলা শিক্ষক পরিষদ বাংলাদেশ’ সহ দেশের বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসগুলোতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ করেছেন। চারুকলার শিক্ষার্থীরা অনলাইনে প্রতিবাদ অব্যাহত রেখেছেন। এ অবস্থায় দেশের চারুশিল্পিী, চারুকলা শিক্ষক ও চারুকলা শিক্ষার্থীদের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এ ধরনের সিদ্ধান্তে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের অগ্রগামী অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞগণ যুক্ত থাকছেন কিনা সেটি নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন দেশ ররেণ্য শিল্পীরা।

মাধ্যমিকে চারুকলা শিক্ষা নিয়ে কর্তৃপক্ষের এসব সিদ্ধান্তের ব্যাপারে প্রখ্যাত শিল্পী রফিকুন নবী জাগরণকে বলেনঃ “এগুলো শিল্পীদের সাথে বসে করে না,যার জন্য এসব গোলমাল হয়। চারুকলা যদি এতো সহজেই হবে তাহলে ৫/৬ বছরের কোর্স করে কেন? কোন ভাবনা থেকে তাঁরা এটা করেছে আমি জানিনা। তবে আমি মনে করি যে,যত শিক্ষক আছেন,সাইন্স বলো,ইতিহাস বলো,বাংলা,ইংরেজি বলো,সব শিক্ষকের আসলে চারুকলা সমন্ধে একটা পাঠ প্রয়োজন;পড়াশুনা থাকা ভালো। এই যে,ডিপ্লোমা করে টিচার হবে, এটা নিয়ম কে করেছে? আমিতো জানিনা,যদি নিয়ম করে থাকে তাহলে এটা খুব খারাপ। এটা কোনো জাজমেন্ট হলো না। আর এত বছর ধরে যারা চারুকলায় লেখাপড়া করল তাদের সাথে চাকরির জন্য কম্পিটিশন করবে ইন্টারভিউতে ডিপ্লোমা পাশ! এটা কোনো শুভ বুদ্ধির ব্যাপার না।” 

বরেণ্য এই শিল্পী আরও বলেন, “সেক্রেটারি (সচিব) বলো, শিক্ষাবিদ বলো, কারও  চারুকলা সম্বন্ধে কোনো ধ্যান ধারণা নেই, জ্ঞান নেই, জানেন না, এ বিষয়ে আলোকিত নয়। এসব ব্যাপারগুলো জানেই না। এজন্য শিক্ষাবিদ ও সচিব যত আছেন মন্ত্রণালয়ে তাঁদেরও চারুকলা সমন্ধে কিছু জ্ঞান থাকা দরকার, কিছু লেখাপড়া করা দরকার। ওঁদেরই একটা ডিপ্লোমা করা দরকার, যাতে এগুলো বোঝেন। বোঝেন না বলেই উল্টাপাল্টা করেন ওঁরা।”

এ প্রসঙ্গে 'বাংলাদেশ চারুশিল্পী সংসদ’র সভাপতি, একুশে পদক প্রাপ্ত শিল্পী অধ্যাপক জামাল আহমেদ বলেন, 'অর্থনৈতিক উন্নয়নের সূচক না হলেও একটা জাতির সভ্যতার মাপকাঠির অন্যতম সূচক তার শিল্পকলা। তবে বাংলাদেশের চারুশিল্প চর্চার বর্তমান বাস্তবতায় আন্তর্জাতিক পর্যায়েও গোটা বিশ্বের সাথে প্রায় সমান মাপের প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হয়েছে তাতে সম্মান ছাড়াও এর অর্থনৈতিক মূল্যামান নেহায়েত ফেলে দেয়ার মত নয়। কিন্তু বর্তমানে চারুশিল্প শিক্ষা নিয়ে দেশের শিক্ষা বিভাগ যেরকম অর্বাচীনের মতো কাজ করছে তাতে নীতিনির্ধারক ও কর্মকর্তাদের প্রতি আমরা ক্রমান্বয়ে শ্রদ্ধা হারাচ্ছি। তাদের কার্যক্রম দেখে মনে হচ্ছে এ বিষয়ে তাদের জ্ঞান সাধারণ জনগণ অপেক্ষাও ক্ষীণ। চারুকলা শিক্ষাকে অবমূল্যায়ন করে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর কাঙ্ক্ষিত সোনার বাংলা কোনো অবস্থাতেই পূর্ণতা পাবেনা- এই ধারণাটা তাদের নেই। আমি আশা করি তারা ভ্রান্ত পথ থেকে সরে আসবে অন্যথায় তাদেরকে বাধ্য করা ছাড়া কোনো গত্যন্তর থাকবেনা। যা আমরা চাই না।

চারুকলা শিক্ষক পরিষদ বাংলাদেশ’র সাধারণ সম্পাদক শিল্পী জাকির হোসেন ফকির বলেনঃ “চারুকলা বিষয়টি একদিকে শ্রেণিতে অবমূল্যায়ন হচ্ছে অন্যদিকে চারুকলা শিক্ষক নিয়োগের অবাস্তব নীতিমালা প্রকাশ করা হয়েছে। এখানে হাজার হাজার শিক্ষক সংকট থাকার পরও পূর্বে থেকে কর্মরত অসংখ্য অস্থায়ী শিক্ষক ও অনান্য পেশা থেকে শিক্ষকতায় আসতে আগ্রহী চারুকলার বৃহত্তর জনবলকে নিয়োগ নীতিমালায় উপেক্ষিত করা হয়েছে। এমনিতেই কোভিড- এর কারণে আমাদের অনেক অস্থায়ী চারুকলা শিক্ষক চাকরি হারিয়েছেন। অনেক শিল্পী কাজ না থাকায় অনেকটা বেকার হচ্ছেন। অথচ সরকার চাইলে হাজার হাজার চারুশিল্পীর স্থায়ী কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারে। কিন্তু আমরা দেখছি তার বিপরীত চিত্র। এর আগে (২০১৫ সালে) ১০ হাজার সরকারি নার্স নিয়োগে নির্দিষ্ট বয়সের প্রার্থী সংকটের কারণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা কয়েক বছরের জন্য বয়সসীমা শিথিল রেখেছিলেন। এখানে তো শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল করা হয়নি। তাহলে চারুকলা শিক্ষক নিয়োগে শিক্ষাগত যোগ্যতা কেন শিথিল করা হলো? যাঁরা ডিপ্লোমার অনুমোদন দিয়েছেন তাঁরা যদি ডিপ্লোমা করতেন তাহলে এর গুরুত্ব বুঝতে পারতেন।'

তিনি আরও বলেন, “চারুকলা শিক্ষক পরিষদ বাংলাদেশ’ শুরু থেকেই আব্যশিক বিষয় হিসেবে শ্রেণিতে চারুকলার মূল্যায়ণ,পরীক্ষাতে পুনরায় যুক্ত, দ্রুত শিক্ষক নিয়োগ সহ নানা দাবি জানিয়ে আন্দোলন করে আসছে যা চলমান আছে। পুণর্গঠিত চারুশিল্পী সংসদ এবং দেশের সকল স্তরের শিল্পী, বরেণ্য শিল্পীরাও আমাদের পাশে থেকেছেন, আছেন। দ্রুত সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ না নেওয়া হলে আমরা সম্মিলিত ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে বৃহত্তর প্রতিবাদ কর্মসূচি ঘোষনা করব।' 

একটি স্বনামধন্য প্রাইভেট স্কুল এন্ড কলেজের চারুকলা শিক্ষক, শিল্পী নাজমুল রাহাত বলেন, বয়সের কারণে বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অনেক অভিজ্ঞ শিক্ষক অযোগ্য হিসেবে গণ্য হচ্ছেন; এটা দুঃখজনক। আমি মনেকরি, আলাদা পদ্ধতিতে চারুকলা শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে। প্রথম ২/৩ টি নিয়োগে বয়সের বাধ্যবাধকতা তুলে দেওয়া বা শিথিল করতে হবে। আর আগামীতে ভালো শিক্ষক পেতে হলে আর্ট কলেজ গুলোর প্রতি সু-নজর দেওয়া, আর্ট কলেজগুলোকে সরকারীকরণ  ও সরকারীভাবে আরও কিছু আর্ট কলেজ তৈরী করা যেতে পারে। চারুকলার উচ্চ শিক্ষাকে মূল্যায়ন না করে শিক্ষা মন্ত্রণালয় যদি সাধারণ শিক্ষায় গ্রাজুয়েট লোকবল কে তড়িঘড়ি করে চারুকলার কথিত শর্ট ডিপ্লোমা দিয়ে চারুকলার শিক্ষক বানিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন তাহলে সার্বিক শিক্ষা ব্যবস্থার দীনতাই প্রকাশ পাবে।'

চারুকলা শিক্ষক নিয়োগে ১ বছরের ডিপ্লোমা অনুমোদনের ব্যাপারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চারুকলা অনুষদ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফাহিম ইসলাম লিমন বলেন, 'আপনি যদি একজন সাধারণ শিক্ষার্থীর কাছ থেকে শিল্প শিক্ষা বা দীক্ষা আশা করেন তাহলে সেটা কখনও পাওয়া সম্ভব না; এটা একেবারেই অসম্ভব। এক বছরের চারুকলা কোর্স করে চাইল্ড আর্টের কোর্সই কমপ্লিট করতে পারবে না। একাডেমিক্যালী আর্ট সে কিভাবে পারবে? এ ধরনের সিদ্ধান্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অদূরদর্শিতা।

শিক্ষক সংকট নিরসনে স্পেশাল বিসিএস পরীক্ষার আদলে চারুকলা শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, করোনার কারণে দীর্ঘ দিন থেকে ক্যাম্পাস বন্ধ। ক্যাম্পাস চালু হলে এসব বিষয় নিয়ে ঢাবি চারুকলা অনুষদ ছাত্রলীগ জোড়ালো প্রতিবাদ জানাবে।'

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আর্ট কলেজের এক প্রাক্তন শিক্ষার্থী অনেকটা ক্ষোভের সুরে বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক কর্মকান্ডে মনে হচ্ছে যে, মাধ্যমিকের বেসরকারি পর্যায়ে চারুকলা শিক্ষাটা জোড়াতালি দিয়ে চলমান রাখতে চাচ্ছেন। একদিকে বয়সের সীমা দিয়ে আমাদের নিয়োগ প্রক্রিয়া থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে আবার অন্যদিকে ৫/৬ বছর আর্ট কলেজে অধ্যয়ন করেও সরকারি বিদ্যালয়ে চারুকলা শিক্ষক পদে আবেদন করতে পারছি না। অথচ বেসরকারি বিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে একই পদে আবেদনের প্রক্রিয়ায় মাত্র ১ বছরের চারুকলা ডিপ্লোমাকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে যা দুর্নীতিকে উস্কে দেবে। এ ধরনের সিদ্ধান্তে সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে বৈষম্যের নীতি ফুটে উঠছে। কাজেই এসব নীতিমালা মেনে নেওয়ার প্রশ্নই উঠে না। তাছাড়া মাধ্যমিকের চারুকলা বিষয়ের কারিকুলাম ও সিলেবাসের প্রধান প্রণেতা, শ্রদ্ধেয় শিল্পী হাশেম খান স্যার একটি সাক্ষাতকারে চারুকলা শিক্ষক নিয়োগে বয়সসীমা যুক্ত ও ১ বছরের চারুকলা ডিপ্লোমার অনুমোদনের ঘোর বিরোধীতা করেছেন। সব মিলিয়ে মনে হচ্ছে, মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী মহোদয়ের নিকট দেশের চারুকলার একাডেমিক শিক্ষার সামগ্রিক চিত্র ঠিকঠাক তুলে ধরা হয়নি। তাই আমরা মনেকরি, তিনি যদি অন্তত একবার আর্ট কলেজের কারিকুলাম ও সিলেবাস এবং অনান্য বিষয়গুলো ভালোভাবে খতিয়ে দেখেন তাহলে বাস্তবতার নিরিখে যথাযথ সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। 

 


 

আরও সংবাদ