• ঢাকা
  • শুক্রবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৪, ২৯ চৈত্র ১৪৩০
প্রকাশিত: জানুয়ারি ৮, ২০২৪, ০২:০৬ এএম
সর্বশেষ আপডেট : জানুয়ারি ৮, ২০২৪, ০২:০৬ এএম

ছাড় পেয়েও সুবিধা করতে পারল না জাপা

ছাড় পেয়েও সুবিধা করতে পারল না জাপা

আওয়ামী লীগের কাছ থেকে ২৬ আসনে ছাড় পেলেও ভরাডুবি হয়েছে সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টির। ছাড়ের আসনে নৌকার প্রার্থী না থাকলেও ১৫টিতে স্বতন্ত্রদের বিরুদ্ধে হেরেছে লাঙ্গল। জাপা চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের স্ত্রী শেরিফা কাদেরসহ অন্তত চারজনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে সমঝোতার আসনে। ছাড়ের আসনের ১১টি বাদে আর কোথাও জিততে পারেনি লাঙ্গল। নৌকার বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ২৩৩ আসনের অধিকাংশে জামানত হারিয়েছেন লাঙ্গলের প্রার্থীরা। জি এম কাদের বলেছেন, ‘নির্বাচনে জাতীয় পার্টিকে কোরবানি দেয়া হয়েছে।’ 

সমঝোতার ১৫টি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের বিরুদ্ধে পরাজিত হয়েছে লাঙ্গল। ফলে আগামী সংসদে আর দ্বিতীয় বৃহত্তম দল থাকছে না জাপা। লাঙ্গলের চেয়ে স্বতন্ত্রের এমপি বেশি হবে দ্বাদশ সংসদে। ফলে জাপা ফের বিরোধী দল হতে পারবে কিনা, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। অবশ্য নির্বাচনের তপশিল ঘোষণার পর জাপা মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু প্রতিদিনই দাবি করতেন, আওয়ামী লীগকে হারিয়ে সরকার গঠন করবে তার দল।

ভোটের অনানুষ্ঠানিক ফলাফল আসতে শুরু করার পর জাপার কয়েকজন নেতা সমকালকে বলেছেন, দলের কর্মীরা নির্বাচনের বিপক্ষে ছিলেন। শীর্ষ নেতারা নিজেদের স্বার্থে নির্বাচনে গেছেন, যা ফল হওয়ার তাই হয়েছে। গত ১২ বছরে জাপার কর্মসূচি নেই, সংগঠন ভেঙে পড়েছে, এ অবস্থায় আওয়ামী লীগ সমর্থন না দিলে ১১ আসন দূরে থাক, একটিতেও জিততে পারত না লাঙ্গল। 

বিএনপিবিহীন ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সমঝোতা করে ৩৪ আসন পেয়ে প্রথমবারের মতো প্রধান বিরোধী দল হয়েছিল জাপা। ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোট করে বিএনপির প্রায় চার গুণ ২২ আসন পেয়ে ফের বিরোধী দল হয় দলটি। এবারও বিএনপিবিহীন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সমঝোতা করে জাপা। 

জাগরণ/জাতীয়সংসদনির্বাচন/এমএ