• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর, ২০১৯, ৬ কার্তিক ১৪২৬
প্রকাশিত: জুলাই ২৮, ২০১৯, ০৩:৩৮ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : জুলাই ২৮, ২০১৯, ০৩:৩৮ পিএম

আসামের এনআরসি ও বাংলাদেশ

ইনাম আহমদ চৌধুরী
আসামের এনআরসি ও বাংলাদেশ

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সমীপে ওয়াশিংটনে প্রিয়া সাহার বক্তব্য সম্পূর্ণ অভাবিত। ইংরেজিতে যাকে বলে ‘আ বোল্ট ফ্রম দ্য ব্লু’। তবে তার বক্তব্য প্রকাশের উদ্দেশ্য, সময় বা ক্ষণ নিয়ে দুর্ভাবনার অবকাশ রয়েছে। 

ভারতের আসাম রাজ্যে বর্তমানে নাগরিকপুঞ্জি তৈরি চলছে এবং ৩১ জুলাই তা চূড়ান্তকরণ হওয়ার কথা ছিল। সুপ্রিমকোর্ট সে সময়সীমা আরও এক মাস বাড়িয়েছেন। আশঙ্কা করা হচ্ছে, প্রিয়া সাহার এই অনাকাঙ্ক্ষিত এবং অনভিপ্রেত কার্যক্রম যুগ যুগ ধরে আসামবাসী লাখ লাখ বাংলাভাষী মুসলিম নাগরিকের রাষ্ট্রীয় পরিচয় হারিয়ে ফেলার ব্যাপারে ইন্ধন জোগাবে। প্রস্তুতাধীন তালিকায় নগণ্য সংখ্যক অমুসলিম আছেন বটে; কিন্তু ভারত সরকারের ঘোষিত অন্য একটি নীতি অনুসারে কোনো অমুসলিম শরণার্থী ভারতীয় নাগরিকত্ব অর্জনে ইচ্ছুক হলে তাকে জাতীয়তার সনদ দেওয়া হবে। সুতরাং অমুসলিমদের নাগরিকত্ব নিয়ে আসামে কোনো সমস্যা হবে না। ভারত সরকারের বর্তমান এ কার্যক্রম নিঃসন্দেহে সাম্প্রদায়িক, ধর্মভিত্তিক, ভাষাভিত্তিক এবং আন্তর্জাতিক রীতিনীতির পরিপন্থি। প্রিয়া সাহার বক্তব্য যে বাংলাদেশ থেকে “৩ কোটি ৭০ লাখ হিন্দু এবং অন্যান্য ‘অত্যাচারিত’ অমুসলিম গায়েব হয়ে গেছেন”; সম্ভবত আসামে নাগরিক তালিকা প্রণয়নকারীদের এই বলে হয়তো প্রভাবিত করতে পারে যে, ওরা যদি বাংলাদেশ থেকে তিন কোটির অধিক সংখ্যালঘু (প্রধানতর হিন্দু) অধিবাসীকে বিতাড়িত করতে পারে, আমরা কেন ৪০ লাখ বাংলাভাষী মুসলিমকে অনাগরিক ঘোষণা দিয়ে দেশত্যাগে বাধ্য করতে পারি না? সমস্যা হচ্ছে, ওই রাষ্ট্রহীন ব্যক্তিবর্গকে বাংলাদেশেই ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা হবে। এই বাংলাভাষী শরণার্থীদের সম্পর্কে বিজেপির সাধারণ সম্পাদক (এবং বর্তমানে মন্ত্রী) ঘোষণা দিয়েছিলেন বলে দেখেছি যে, ‘বেআইনি’ আগন্তুকদের খুঁজে খুঁজে বের করে বঙ্গোপসাগরে ডুবিয়ে মারা হবে। এ ধরনের উগ্র-আক্রমণাত্মক বক্তব্য সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং পারস্পরিক সম্পর্কের জন্য অতীব হানিকর তো বটেই। আশা করি, এ ধরনের অগ্রহণযোগ্য বক্তব্য তারা আঁকড়ে ধরে থাকবেন না। 

দশ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে বাংলাদেশ এমনিতেই ভারাক্রান্ত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গভীর মানবতাবোধ এবং আন্তর্জাতিক রীতিনীতির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে এসব শরণার্থীর জন্য সাময়িক আশ্রয়স্থল হিসেবে বাংলাদেশের দ্বার খুলে দিয়েছিলেন এবং তাদের যথাসাধ্য ও যথাসম্ভব দেখভালের ব্যবস্থা করেছেন। কিন্তু এ ব্যবস্থা তো চিরস্থায়ী হতে পারে না। সমাধান হিসেবে তিনি জাতিসংঘে অত্যন্ত বাস্তবসম্মত পাঁচ দফা প্রস্তাব দিয়েছিলেন। মিয়ানমার সরকারের গড়িমসি এবং যথাযোগ্য আন্তর্জাতিক চাপের অনুপস্থিতি সমস্যাকে দীর্ঘস্থায়ী করে তুলেছে। রোহিঙ্গা সমস্যাও প্রায় একইভাবে তৈরি করা হয়েছিল। মিয়ানমারে নাগরিকত্ব আইন করে এ আরাকানবাসীদের (রোহিঙ্গা) অত্যন্ত অন্যায়ভাবে মিয়ানমারের নাগরিকত্ব থেকে বাদ দিয়ে এখন বর্বরোচিত অত্যাচার করে দেশ থেকে ‘জেনোসাইড’-এর মাধ্যমে বিতাড়ন করা হয়েছে। ভারতেও কি আমরা একই আলামত দেখছি? বন্ধুভাবাপন্ন একটি মিত্রদেশ থেকে আমরা তা নিশ্চয়ই আশা করব না। ওয়াশিংটনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সমীপে প্রিয়া সাহার ভিত্তিহীন বক্তব্যের সময়কাল এমন যে, ভারতের আসাম রাজ্যে প্রস্তুতাধীন এনআরসি প্রণয়নে তা প্রতিকূল প্রভাব বিস্তার করবে- এ রকম চিন্তা অমূলক নয়। 

আসাম রাজ্যে গত বছর জুলাই মাসে প্রকাশিত খসড়া নাগরিক তালিকায় (এনআরসি) প্রথমে ৪০ লাখ বাসিন্দাকে (প্রায় সবাই বাংলাভাষী মুসলিম) বাদ দিয়ে ২ কোটি ৮৯ লাখ লোকের নাম প্রকাশ করা হয়। গত জুন মাসে সেই সংখ্যা থেকে আরও এক লাখ বাসিন্দাকে বাদ দেওয়া হয়। বাদ পড়া ব্যক্তিদের নাগরিকত্বের দাবি নিজস্ব স্বেচ্ছাচারী উপায়ে তথাকথিত যাচাই প্রক্রিয়ায় চূড়ান্ত এনআরসি প্রকাশ করা হবে আগস্ট মাসের ৩১ তারিখ। বহু ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে। প্রায় ৫০ বছর পরে এসব বাদ পড়া নাগরিককে প্রমাণ করতে হবে যে, তারা ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের আগ থেকে বৈধভাবে আসামে ছিলেন। ‘বৈধভাবে’ বলতে কী বোঝানো হয়, তা মোটেই সুস্পষ্ট নয়। ওই তারিখের পরে জন্মানো নাগরিকদের প্রমাণ উপস্থাপনা প্রায় অসম্ভবই। তারা তো জন্মগতভাবেই ভারতের নাগরিক। অনেকেই যুগ যুগ ধরে বাস করছেন। কেন্দ্রীয় সরকার এবং আসাম রাজ্য সরকার (বর্তমানে বিজেপি) এরই মধ্যে প্রকাশিত খসড়া তালিকা থেকে বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া এলাকাগুলোর ২০ শতাংশ ব্যক্তির পরিচয় নতুন করে যাচাই করার আবেদন করেছিল। সম্ভবত এ পরিপ্রেক্ষিতে ভারতের সুপ্রিমকোর্ট সময়সীমা বাড়িয়েছেন। প্রচুর আশঙ্কা, সে খসড়া এনআরসি থেকে আরও লোক বাদ পড়বেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী তুষার মেহতা আদালতকে জানিয়েছেন, নিষ্পত্তির জন্য আরও প্রায় ৮০ লাখ ব্যক্তির পরিচয় নতুন করে যাচাই করতে হবে। 

এ সম্পর্কে সন্দেহ নেই যে, আসামের চলমান ঘটনাবলি শুধু প্রচলিত আন্তর্জাতিক রীতিনীতিই নয়, তা বিভিন্ন মানবাধিকার সনদের সঙ্গেও সাংঘর্ষিক। সর্বজনীন মানবাধিকার সনদের ১৫ অনুচ্ছেদে বিবৃত আছে- ‘প্রত্যেক মানুষের একটা জাতীয়তার অধিকার রয়েছে।’ তাই এই সনদের প্রতি দায়বদ্ধতার জন্য কোনো রাষ্ট্রেরই ‘নাগরিকত্ব’ বিষয়ে কোনো অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম গ্র্রহণ করা সঙ্গত নয়, যা এ অধিকারকে ক্ষুণ্ন করবে। স্বার্থ প্রণোদিত ইচ্ছা অনুযায়ী কাউকে রাষ্ট্রবিহীন করে দেওয়া আন্তর্জাতিক দায়দায়িত্বের বরখেলাপ। তা ছাড়া শিশু অধিকার সনদেও রয়েছে যে, পূর্বপুরুষের রাষ্ট্রহীনতার দায় শিশুর ক্ষেত্রে বর্তানো অসঙ্গত। ভারতও ওই সনদের অনুমোদনকারী। কিন্তু ভারতের এনআরসি প্রণয়নে ওই নীতি অবলম্বন করা হচ্ছে না। অন্তত আসামে তো নয়ই। এনআরসি প্রণয়নে মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য আসামে এযাবৎ অন্তত ৫৭ ব্যক্তির আত্মহত্যার কথা সর্বজনবিদিত। এই গ্লানিকর পরিস্থিতি এড়াতে আরও অনেকে আত্মহত্যা করেছেন বা করবেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এনআরসি প্রক্রিয়ায় আসামে বিভিন্নরূপে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ভারতের সংবিধানেরও পরিপন্থি বলে ধরা যেতে পারে। জাতিসংঘও এ ব্যাপারে তাদের গভীর উদ্বেগের কথা ভারতকে একাধিকবার অবহিত করেছে।

বিশ্বখ্যাত সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্টে (জুলাই ২০১৯) প্রকাশিত ‘ম্যাডনেস ইন দ্য হিলস’ শীর্ষক তথ্যবহুল রিপোর্টে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে ভারতে এনআরসি প্রক্রিয়ায় চলমান এই ‘ম্যাডনেস’ বা উন্মাদনার কথা বিবৃত করা হয়েছে। রিপোর্টে স্পষ্টতই প্রতিভাত হচ্ছে, এটা নিঃসন্দেহে একটি সাম্প্রদায়িক উদ্যোগ, যা ক্রমে বাংলাভাষী মুসলিমদের আসামে প্রথম অবাঞ্ছিত এবং পরে নাগরিকত্বহীন, রাষ্ট্রহীন ব্যক্তিতে পরিণত করে পার্শ্ববর্তী দেশে (অর্থাৎ বাংলাদেশে) ঠেলে দেবে। যাদের এনআরসিতে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে না, তারা কিন্তু কোনোক্রমেই বাংলাদেশি নন। তবে তারা বাংলাভাষী ভারতীয় মুসলিম। বর্তমান এনআরসি প্রক্রিয়া পূর্বেকার ‘বঙ্গাল খেদা’ আন্দোলনেরই রাষ্ট্র সমর্থিত রূপ। বিশেষ করে এখানে বিজেপি এবং আসামের উগ্র জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক দল এজিপি (অহোম গণপরিষদ) আক্রমণাত্মক ও অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। তাছাড়া বাংলাদেশ যে আসামের উগ্র জাতীয়তাবাদীদের সশস্ত্র শাখা বা উলফার কারখানাকে মোটেই ঠাঁই না দিয়ে বন্ধ করে দিয়েছে, তাতেও সম্ভবত বাংলাদেশের প্রতি তাদের উষ্মা! এ যেন আমাদের শাঁখের করাত।

****************************************************

নিজের এবং তার দুই মেয়ের আমেরিকান নাগরিকত্ব অর্জনকে অনায়াসে লব্ধ করার মানসেই হোক বা আসামের এনআরসি প্রণয়নে লাখ লাখ ব্যক্তিকে নাগরিকত্বহীন করার ব্যাপারে বিজেপি-এজিপিদের কর্মকা-ে ইন্ধন জোগাতেই হোক বা অন্য কোনো কারণে বা অভিসন্ধিতে হোক- প্রিয়া সাহার বক্তব্য যে বাংলাদেশের জন্য সমস্যার সৃষ্টি করে ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন  করার অপচেষ্টা, সে সম্পর্কে সন্দেহ নেই।

****************************************************

সব দেশই সাধারণত সন্দেহভাজন বেআইনি বহিরাগতকে শনাক্ত করে তার বিরুদ্ধে আইনের মাধ্যমে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা। কিন্তু চলমান এনআরসি প্রণয়নে সন্দেহভাজন বাসিন্দাদের (প্রকাশ্যত বাংলাভাষী মুসলিম) সরকারের কাছে গিয়ে কাগজপত্র দিয়ে প্রমাণ করতে হচ্ছে যে, তারা প্রায় পঞ্চাশোর্ধ্ব বছর আগ থেকে আসামের অধিবাসী। শঙ্কার কথা হলো, কোনটা বা কী গ্রহণযোগ্য প্রমাণ, তা বিচারকের নির্ণয়নির্ভর। ‘ইকোনমিস্ট’ লিখেছে, তালিকা-বহির্ভূত প্রায় ৯৩ শতাংশ আবেদন করে দেখিয়েছে, তারা ভারতেই জন্মেছেন। জন্মসূত্রে ভারতীয়। ইকোনমিস্টের রিপোর্ট অনুযায়ী আসামে বিজেপি এবং উগ্র এজিপি প্রভাবিত শাসনযন্ত্র সেসব দাবি বা প্রমাণ গ্রহণ করছে না। ইতোমধ্যে এক হাজার ব্যক্তিকে একটি ‘ডিটেনশন’ ক্যাম্পে অন্তরীণ করা হয়েছে। আরও বহু ক্যাম্প নির্মাণাধীন, সম্ভবত লাখ লাখ এনআরসি-বহির্ভূত বাংলাভাষী মুসলিমের জন্য। সমস্যাটি যে কী বিরাটাকার হয়ে দাঁড়াতে পারে, তা সহজেই অনুমেয়। 

নিজের এবং তার দুই মেয়ের আমেরিকান নাগরিকত্ব অর্জনকে অনায়াসে লব্ধ করার মানসেই হোক বা আসামের এনআরসি প্রণয়নে লাখ লাখ ব্যক্তিকে নাগরিকত্বহীন করার ব্যাপারে বিজেপি-এজিপিদের কর্মকা-ে ইন্ধন জোগাতেই হোক বা অন্য কোনো কারণে বা অভিসন্ধিতে হোক- প্রিয়া সাহার বক্তব্য যে বাংলাদেশের জন্য সমস্যার সৃষ্টি করে ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা, সে সম্পর্কে সন্দেহ নেই। তার বিরুদ্ধে কোনো আক্রোশ বা ব্যক্তিগত দ্বেষ না রেখে সত্য প্রতিষ্ঠা এবং বাংলাদেশের অনুকরণীয় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ভাবমূর্তি ধরে রাখার প্রয়োজন রয়েছে। বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার ব্যাপারে পৃথিবীর একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে পরিগণিত হতে পারে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অসাম্প্রদায়িকতাকে তার সরকারের একটি অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। ভারতের সঙ্গে তুলনামূলকভাবে বলতে গেলে দ্ব্যর্থহীনভাবে বলা যায়, সরকারি-বেসরকারি চাকরি, পেশা বা অন্যান্য ক্ষেত্রে সংখ্যালঘুদের অবস্থান বাংলাদেশে অনেক অনেক গুণ ভালো। দাঙ্গা-হাঙ্গামা বা প্রাণনাশের উদাহরণ তুলনামূলকভাবে নেই বললেই চলে। আমেরিকার রাষ্ট্রদূত মিলারও তা বলেছেন। বিশ্ববাসীও তা মানে। বর্তমানে বাংলাদেশে বিরাজমান সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি একটি শ্রেষ্ঠ অর্জন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলায় সাম্প্রদায়িকতা আজ নির্বাসিত। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের দ্বিপক্ষীয় সুসম্পর্কও এখন তুঙ্গে। বিশেষ করে এ অবস্থায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে চিড় ধরানো বা তাকে বিনষ্ট করার অহেতুক অপপ্রয়াস পরম নিন্দনীয় ও ঘৃণার্হ। এ অপচেষ্টা যে শুধু ব্যর্থ হবে তা নয়, পরীক্ষা-নিরীক্ষাউত্তর বাংলাদেশের নির্মল ভাবমূর্তি তুলনামূলক বিচারে উজ্জ্বলতর হয়ে বিকশিত হবে।


লেখক : আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ, কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক

আরও পড়ুন

Islami Bank