• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩০
প্রকাশিত: আগস্ট ৬, ২০২১, ০৫:০১ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : আগস্ট ৬, ২০২১, ০৫:০১ পিএম

শিমুলিয়ায়-বাংলাবাজার নৌরুট

পারের অপেক্ষায় হাজারো যানবাহন

পারের অপেক্ষায় হাজারো যানবাহন

সরকার শিল্পকারকানা খুলে দেবার ঘোষণায় বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে রাজধানীতে কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছে দেশের দক্ষিণ-পন্ডিমাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষ।

শুক্রবার সকাল হতে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটের ফেরিতে উভয়মুখী যাত্রীদের চাপ দেখা গেছে। তবে বাড়ি ফেরা মানুষের চাইতে কর্মস্থলে ফেরা মানুষের ঢল নেমেছে শিমুলিয়া ঘাটে।

এদিকে শিমুলিয়াঘাটে পরাপারের অপেক্ষায় এখনো ব্যাক্তিগত ও পন্যবাহী ৬শতাধিক পন্যবাহি ট্রাকসহ সহস্রাধিক গাড়ির দীর্ঘ সারি রয়েছে শিমুলিয়া ঘাট এলাকায়।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরিন নৌপরবহন কর্পোরেশনের (বিআইডাব্লিউটিসি) শিমুলিয়া ঘাটের সহ মহাব্যবস্থাপক মো. শফিকুল ইসলাম এসব তথ্য নিন্ডিত করেছেন। তিনি আরো জানান, শিমুলিয়া ঘাটে ব্যাক্তিগত ও পন্যবাহী মিলিয়ে ৬শতাধিক ট্রাক পদ্মা পারের অপেক্ষায় আছে। অন্যদিকে, লঞ্চে চলাচল বন্ধ থাকায় ফেরিতে যাত্রীচাপ বেড়েছে।

 বেসরকারি ব্যাংকে কর্মরত আফজাল হোসেন জানান, ঢাকার মিরপুরে যাবো কর্মস্থলে। পরিবার নিয়ে ঈদ করতে খুলনা গিয়েছিলাম ফ্যামিলির সবাইকে নিয়ে আসছি ঢাকা যাবো বলে। তবে লকডাউন এর কারণে আমাকে ঢাকায় ঢুকতে কষ্ট হচ্ছে। রোববার থেকে কাজে যোগ দেবার কথা। যার জন্য আজ ঢাকায় যাব তাই ফেরিতে করে শিমুলিয়া ঘাটে এসেছি। গনপরিবহন বন্ধ তাই পায়ে হেটে হলেও গন্তব্যে যেতে হবেই।

আকরাম হোসেন ব্যবসায়ী জানান, গ্রামের বাড়ি মাদারিপুর এ গিয়েছিলাম গ্রামের বাড়িতে। ঢাকায় করোনার প্রভাব এর জন্য গ্রামে গিয়েছিলাম এখন কর্মস্থলে যাচ্ছি ঢাকার উত্তরায় ।

সেলিনা আফরোজ ঢাকায় বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। সপরিবারে গিয়েছিলেন বাগেরহাটে। সচরাচর গ্রামের বাড়িতে যাওয়া হয় না কোরবানি উপলক্ষে প্রতিবছর যাই। চাকরিতে যোগ দিবো বলে তড়িঘড়ি করে আমরা ঢাকার জিগাতলা ফিরছি লকডাউন উপেক্ষা করেই।

মাওয়া নৌপুলিশের পরিদর্শক (টিআই প্রশাসন) মো. জাকির হোসেন বলেন, ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে পন্যবাহি ট্রাক ও ছোট বড় মিলিয়ে ৬শতাধিক ট্রাক ও ৪ 'শ ছোট বড় সব মিলিয়ে এক হাজার যানবাহন ফেরিতে পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে।

নৌরুটে বর্তমানে ছোট-বড় মিলিয়ে ১০টি ফেরি সচল রয়েছে। সকাল থেকে ঢাকামুখি যাত্রী এবং মোটরসাইকেল চাপ রয়েছে ফেরি গুলোতে।
মাওয়া নৌফারির ইনচার্জ মো. সিরাজুল কবির জানান, পদ্মায় তীব্র স্রোতে নৌরুটে ফেরি চলাচলে বেশি সময় আর ঘাটে থাকা যানবাহন পারাপারে বেগ পেতে হচ্ছে।

বাংলাবাজার থেকে শিমুলিয়াঘাটে আসা প্রতিটি ফেরিতে ঢাকা মুখী যাত্রীদের ঢল। ফেরিতে যাত্রী চাপ ও গাদাগাদিতে আজও উপেক্ষিত থাকছে স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব।

এদিকে শিমুলিয়াঘাটে পৌছে ঢাকা মুখি যাত্রী ও পোশাক কারখানা শ্রমিকরা পরিবহন সংকটে পরছে বিপাকে। সড়কে পুলিশের চেকপোস্ট এড়িয়ে ছোটযানবাহনে ভেঙে ভেঙে রওনা হচ্ছে ঢাকার গন্তব্যে। এতে গুনতে হচ্ছে দুই তিনগুন বেশি ভাড়া।