• ঢাকা
  • শুক্রবার, ০১ জুলাই, ২০২২, ১৭ আষাঢ় ১৪২৯
প্রকাশিত: আগস্ট ২১, ২০২১, ১১:৪৫ এএম
সর্বশেষ আপডেট : আগস্ট ২১, ২০২১, ০৫:৪৫ এএম

গরিবের বন্ধু ও মানবিক ওসি মোস্তাফিজুর রহমান

গরিবের বন্ধু ও মানবিক ওসি মোস্তাফিজুর রহমান

সময়ে -অসময়ে  নানান আলোচনা ও সমালোচনায় পুলিশের খারাপ দিকগুলোই বেশিরভাগ আলোচিত হয়। পুলিশ যে জনগণের বন্ধু,আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিরলসভাবে কাজ করার পাশাপাশি তারাও যে মানবিক কাজের ক্ষেত্রেও পিছিয়ে নেই, আমরা তা স্বীকার করতে  নারাজ। দু-একজনের অপকর্মে পুরো পুলিশ বাহিনীকে সমালোচনায় কুণ্ঠাবোধ করে না। তবে পুলিশ বিভাগে রয়েছে হাজারো শেখ মো. মোস্তাফিজুর রহমানের মতো মানবিক পুলিশ অফিসার।

যিনি একজন ব্যতিক্রমধর্মীমিষ্টি ভাসি পুলিশ অফিসার। প্রতিনিয়ত তিনি সহকর্মী ও সাধারণ জনগণের আদর্শগত ভিন্নতা মেনে নিয়ে পরস্পরের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন জনগন ও দেশের কল্যাণে। পুলিশ জনগণের বন্ধু” এই মন্ত্রকে বুকে ধারণ করে তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে আধুনিকতা, প্রযুক্তি ও সততা এবং মেধার দক্ষতা দিয়ে অপরাধ দমন করার চেষ্টা করেন দেশের কল্যাণে।“পুলিশ জনতার, জনতা পুলিশের” এই স্লোগানকে বাস্তবে রূপ দিয়েছেন তাঁর প্রতিটি কর্মে।

অফিসার ইনচার্জ শেখ মো. মোস্তাফিজুর রহমান কিশোরগঞ্জ জেলার হোসেনপুর থানার মানুষের চোখে একজন সৎ, আদর্শবান, ন্যায়নিষ্ঠ ও গরিবের বন্ধুসুলভ পুলিশ অফিসার। অধিকাংশ মানুষই তাকে গরিবের বন্ধু ভাবে।তিনি তার সততা ও বিচক্ষণ বুদ্ধিমত্তা এবং মেধার বিকাশে তার দায়িত্বরত এলাকা মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ,মামলা হ্রাস, চোর-ডাকাতের উৎপাত ও দখল বাজদের হাত থেকে মুক্ত করেছেন। তার চোখে ধনী-গরিব, জেলে,রিক্শা চালক হতে সব শ্রেণিপেশার মানুষ সমান। তিনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন বেশে মানুষের মাঝে উপস্থিত হয়ে মানুষের সুখ দুঃখের কথা শুনেছেন।তিনি একজন সৎ ও অন্যায়ের কাছে আপোষহীন পুলিশ অফিসার। মামলা নয়,আপোস হলে  ভালো হয় -এই স্লোগানে উদ্বুদ্ধ হয়ে তার থানায় অধিকাংশ অভিযোগ বাদী-বিবাদীর মধ্যে আপোসের মাধ্যমে সমাধান করে দেন। ফলে তিনি হোসেনপুর থানায় যোগদানের পর থেকে বিগত বছরের তুলনায় থানায় মামলা বহুলাংশে কমে গেছে।

তার মতো দক্ষ, সৎ ও কর্তব্যপরায়ন পুলিশ অফিসার বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর জন্য গর্ব। প্রতিটি অপরাধ দমনে হোসেনপুর থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মো. মোস্তাফিজুর রহমানের মতো পুলিশ অফিসারের সান্নিধ্য পেলে অপরাধ দমনে বাংলাদেশ পুলিশ ব্যাপক অগ্রগতি হবে।

জাগরণ/এমআর