• ঢাকা
  • সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ১১ আশ্বিন ১৪২৯
প্রকাশিত: এপ্রিল ৩, ২০২২, ১০:৪৩ এএম
সর্বশেষ আপডেট : এপ্রিল ৩, ২০২২, ০৪:৪৩ এএম

চুয়াডাঙ্গায় অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে ডায়রিয়ার রোগী

চুয়াডাঙ্গায় অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে ডায়রিয়ার রোগী

চুয়াডাঙ্গায় ডায়রিয়ার প্রকোপ অস্বাভাবিকভাবে বেড়েই চলেছে। সাধারণ রোগীর ভীড়ে হঠাৎ করে ডায়রিয়া রোগির চাপ বাড়ায় বাড়তি চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীর জায়গা হচ্ছে না হাসপাতালে। তাই বাধ্য হয়ে বারান্দার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ঠাঁই নিচ্ছেন ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীরা। এতে মারাত্বক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ছেন তারা।

সংশ্লিষ্টদের থেকে যানা যায়, বর্তমানে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে শয্যার তুলনায় ১৫ গুণেরও বেশি ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগী ভর্তি রয়েছে। প্রতিনিয়ত ২৪ ঘন্টায় প্রচুর ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগী ভর্তি হচ্ছে এবং ভর্তি হওয়া ডায়রিয়া রোগীর অধিকাংশই শিশু।

সরেজমিনে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল ঘুরে মেলে ডায়রিয়া ওয়ার্ডের চিত্র। এ ওয়ার্ডে বেড সংখ্যা মাত্র ৫টি। কিন্তু রোগী ভর্তি আছে ৮০ জন এরও বেশি। বেড পাওয়া তো দূরের কথা এ ওয়ার্ডের মেঝেতেও কোনো ঠাঁই হচ্ছে না। বাধ্য হয়ে ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীরা বারান্দায় ঠাঁই নিয়েছেন। এখানে যার যার মতো বিছানা পেতে কোনোরকম জায়গা করে বসেছেন।

ডায়রিয়া ওয়ার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন নার্স জানান, আমাদের এ ওয়ার্ডে মাত্র পাঁচটি বেড। কিন্তু বেডের চেয়ে ১০-১৫ গুণ রোগী ভর্তি আছে। এক-দুজন নার্স দিয়ে এসব সামলানো খুবই কঠিন হয়ে পড়ছে। তারপরও আমরা সামার্থ অনুযায়ী চিকিৎসাসেবা চালিয়ে যাচ্ছি।

অন্য আরেক নার্সের সাথে কথা বললে তিনি জানান, প্রয়োজনীয় ওষুধ ও স্যালাইন সরকারিভাবেই সরবরাহ করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত ওষুধের কোনো ঘাটতি হয়নি।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. মাহাবুবুর রহমান মিলন বলেন, হাসপাতালে ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীর চাপ সামাল দিতে আমাদের খুব কষ্ট হচ্ছে। এটা ভাইরাসজনিত ডায়রিয়া। আমরা নিয়মিত চিকিৎসা দিচ্ছি। অনেক রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন। আবার নতুন করে অনেকেই ভর্তি হচ্ছেন। গত দু’দিনে ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীর চাপ অতিরিক্ত লক্ষ করছি। ভর্তি রোগীর সংখ্যাই আশির ওপরে। আর বহির্বিভাগ থেকেও অনেক রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন।

জাগরণ/আরকে