• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ১১ আশ্বিন ১৪২৯
প্রকাশিত: এপ্রিল ১২, ২০২২, ১০:২৭ এএম
সর্বশেষ আপডেট : এপ্রিল ১২, ২০২২, ০৪:২৭ এএম

বিষে ভরা খিরুর প্রাণ 

বিষে ভরা খিরুর প্রাণ 

হাবিব হাসান, ভালুকা 
ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার প্রাণ বলে ডাকা হতো খিরু নদীকে। যে স্রোত ছিল তার, ২০২২ সালে দেখে মনে হবে নদী নেই, অচেনা কোনো খাল। ভালুকা উপজেলাজুড়ে একাধিক শিল্প কারখানা গড়ে উঠেছে। অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছে কিন্তু প্রাণের খিরু নদী ততদিনে একটি বিষাক্ত নদীতে পরিণত হয়েছে।

ভালুকা পৌর এলাকায় শেফার্ড ও গ্লোরী ডায়িং ফ্যাক্টরিসহ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে গড়ে ওঠা শতাধিক কারখানার বিষাক্ত বর্জ্য ও বালু ব্যবসায়ীদের তাণ্ডবে ঐতিহ্যবাহী খিরু নদী নাব্যতা হারিয়ে সরু খালে পরিণত হয়েছে। এতে প্রায় ২৫ কিলোমিটার নদীপাড়ের সেচ নির্ভর হাজার হাজার একর আমন ও বোরো জমির আবাদ ব্যাহত হচ্ছে। মিল-ফ্যাক্টরির দূষিত বর্জ্য নদী-খাল-বিলে ফেলায় এলাকার মানুষ পেটের পীড়া ও চর্মরোগসহ নানা ব্যাধিতে আক্রান্ত হওয়ায় জনস্বাস্থ্য ও প্রাকৃতিক পরিবেশ হুমকির মুখে পড়েছে।

অবৈধ দখল ও শিল্প কারখানার বর্জ্য ফেলায় তৈরি হয়েছে এ অবস্থা। এলাকার কৃষক নিরুপায় হয়ে এ বিষাক্ত পানি দিয়েই চালাচ্ছে চাষাবাদ। ফলে শুষ্ক মৌসুমে ফসল উৎপাদনের পরিমাণ কমে যাচ্ছে। শিল্প-কারখানার বিষাক্ত বর্জ্যে নদীতে মাছ তো দূরের কথা ব্যাঙের দেখা মিলাও দুষ্কর।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, নদীর দিকে তাকালেই দখলবাজির পরিমাণটাও স্পষ্ট হয়ে যায়। জবরদখল প্রক্রিয়া থামাতে মাঝে মধ্যে সরকারি পদক্ষেপ নেওয়া হলেও নানা সীমাবদ্ধতায় থমকে দাঁড়ায়। প্রভাবশালী দখলবাজরা থাকে অপ্রতিরোধ্য।

নদীর পাশ দিয়ে গেলেই রাসায়নিক পদার্থের তীব্র কটু গন্ধ নাকে লাগবে যে কারও। শিল্প-কারখানার বর্জ্য পড়তে পড়তে নদীর পানি একদম পচে গেছে। বহুদূর পর্যন্ত পানির এ দুর্গন্ধ গিয়ে নাকে লাগে।

এলাকার হাজার হাজার লোক এই নদীতে মাছ শিকার করে তাদের পরিবার-পরিজন নিয়ে সংসার চালাত। আশপাশের কয়েক এলাকার জনসাধারণের চলাচলের একমাত্র বাহন ছিল খিরু নদীতে নৌকার যান। ভাটি এলাকার শ্রীপুর উপজেলার বরমী বাজার থেকে এ এলাকার ব্যবসায়ীরা পণ্য কিনে এই নদী দিয়ে নৌকার মাধ্যমে পরিবহন করে এলাকার চাহিদা মিটিয়ে আসছিল। কিন্তু ৯০ দশকের পর থেকে ভালুকার বিভিন্ন এলাকায় মিলকারখানা গড়ে ওঠার পর থেকে কারখানার বিষাক্ত বর্জ্য ও পলি জমে ঐতিহ্যবাহী খিরু নদীটি ভরাট হতে শুরু করে। বর্তমানে এ অঞ্চলে অর্ধশতাধিক ডায়িং ফ্যাক্টরির বিষাক্ত বর্জ্য এই খিরু নদীতে এসে পড়ছে। তাছাড়া বেশ কয়েক বছর ধরে প্রভাবশালী ব্যক্তিরা নদীর দু’পাড়ে বালু স্তূপাকারে রেখে ব্যবসা করার কারণেও নদীটি ভরাট হচ্ছে।

ভালুকার খিরু ব্রিজের দক্ষিণ পাড়ে প্রায় ১৫ বছর আগে গড়ে ওঠা শেফার্ড গ্রুপের শেফার্ড ডায়িং ফ্যাক্টরির বিষাক্ত বর্জ্যে দূষিত হতে শুরু করে খিরু নদীর পানি। আর সম্প্রতি পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড খারুয়ালী গ্রামের গজারী খালপাড়ে গড়ে ওঠা গ্লোরী ডায়িংয়ে বর্জ্য শোধন যন্ত্র থাকলেও তা শুধুই যে লোক দেখানো, তা এখন সবারই জানা। পরিবেশ অধিদফতরের অসাধু লোকদের সাথে ফ্যাক্টরি কর্তৃপক্ষের সুসম্পর্ক থাকায় কারখানার বিষাক্ত বর্জ্য খিরু নদীতে ফেলতে কোনো সমস্যা হচ্ছে না। তারা সরাসরি মোটা পাইপের মাধ্যমে বর্জ্য খিরু নদীতে ফেললেও সংশ্লিষ্ট দফতরের লোকজন যেন দেখেও না দেখার ভান করে। আর এসব ব্যাপারে এলাকার কেউ প্রতিবাদ করলে মিথ্যা মামলা ও বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি দেখানোর ঘটনাও রয়েছে। এভাবে চলছে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গড়ে ওঠা অর্ধশতাধিক ডায়িং ফ্যাক্টরি। উপজেলার কাঁঠালী গ্রামে অবস্থিত আরটি ডায়িং ফ্যাক্টরির ইটিপি প্ল্যান্টের ড্রেনগুলো শুকিয়ে চৌচির হয়ে থাকলেও পরিবেশ অধিদফতর ছাড়পত্র দিয়েছে ইটিপি কার্যক্রম সচল বলে।

শিল্প-কারখানাগুলোর অব্যবহৃত বর্জ্যসন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ভালুকার পরিবেশবাদী সংগঠন ও সমাজ সেবকরা দীর্ঘদিন ধরে মানববন্ধনসহ নানা আন্দোলন করে হতাশ হয়ে পড়েছেন। নিয়তি ভেবে নীরবে সহ্য করে যাচ্ছেন এলাকার মানুষজন। নদীর ৩৫ কিলোমিটার পানি দূষিত হয়ে কালো কুচকুচে রং ধারণ করেছে। নদীর পানির দিকে তাকালে মনে হয়, আলকাতার কোনো মিশ্রণ বয়ে চলছে। পরিবেশ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্টদের দেখানোর জন্য ইটিপি প্লান্ট তৈরি করে রাখলেও তা ব্যবহার করে না। বর্জ্য নিষ্কাশনের জন্যও দু'টি পাইপ রাখেন। একটি দিয়ে ইটিপি প্লান্ট থেকে পরিশোধিত পানি ছাড়েন। অন্যটিতে সরাসরি ক্ষতিকর বর্জ্য মিশ্রিত পানি ছেড়ে দেন। প্রশাসন বা পরিবেশ অধিদপ্তরের কেউ দেখতে চাইলে ইটিপি প্লান্টের পাইপ চালু করেন। অন্য সময় পরিশোধন ছাড়াই ক্ষতিকর শিল্পবর্জ্য ফেলে দেন জলাশয়ে।

উপজেলার হবিরবাড়ি, ভরাডোবা, মেদুয়ারী ও মল্লিকবাড়ী ইউনিয়নে শতাধিক ডায়িং, ক্যামিক্যাল ও কীটনাশকের ফ্যাক্টরি রয়েছে, যা থেকে নির্গত বিষাক্ত কালো বর্জ্য লাউতি খালসহ বিভিন্ন খাল-বিল হয়ে প্রতিনিয়ত খিরু নদীতে পড়ছে। বেশ কিছু ফ্যাক্টরিতে ইটিপি থাকা সত্ত্বেও তা বন্ধ থাকে বলে এলাকার লোকজন জানায়। ছোট ছোট খাল দিয়ে বর্জ্য পানি নামায় মাটি পুড়ে কালো বর্ণ হয়ে গেছে। এছাড়া কিছু কিছু এলাকায় যেমন ভরাডোবা গ্রামে কয়েকটি মিলের দূষিত বর্জ্য ভূগর্ভের পানির স্তরে মিশে যাওয়ায় টিউবওয়েলের পানির সাথে প্রায় বিষাক্ত ময়লা পানি বের হচ্ছে। যে পানি খেয়ে ওই গ্রামে অসংখ্য মানুষ ডায়রিয়া ও চর্মরোগসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।

এদিকে বেশ কয়েক বছর ধরে এলাকার কতিপয় বালু ব্যবসায়ী বর্ষা এলেই শত শত ট্রলার দিয়ে ব্রহ্মপুত্র ও শীতলক্ষ্যা নদী থেকে বালু আমদানি করে। আর সেই বালু উত্তোলন করে রাখা হয় ভালুকা থানা সংলগ্ন নদীর চড়াসহ খিরু ব্রিজের উভয় পাড়ে। এসব বালু পাহাড়ের মতো স্তূপীকৃত করে রাখা হয়। আস্তে আস্তে এই বালু নদীতে নেমে ভরাট হয়ে নাব্যতা হারিয়ে ফেলছে। এতে সেচকাজ ব্যাহত হওয়ায় কৃষকরা চাষাবাদে বেকায়দায় পড়ছেন। অথচ স্থানীয় প্রশাসন এর প্রতিকারে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না।

ভালুকা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম পিন্টু বলেন, ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলা একটি ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকা, বর্তমান সরকার কলকারখানার প্রতি বিশাল গুরুত্ব দিয়েছেন। ভালুকায় প্রায় ছোট বড় ৩০০ কলকারখানা চলমান রয়েছে। এখানে শিল্প বিপ্লব হয়েছে, মানুষের ভাগ্যর পরিবর্তন হয়েছে, পাশাপাশি এটাও স্বীকার করতে হবে, কলকারখানার কারণে মানুষের জীবন যাত্রার মান বেড়েছে কিন্তু অন্যান্য দিকে তেমন সমস্যার সম্মুখিন হচ্ছে। ভালুকায় স্কয়ার, গ্লোরি, এক্সপেরিয়ান্স, শেফার্ড গ্রুপ ভালুকাতে ফ্যাক্টরি করার শর্তে আসে তখন সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয় ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় থেকে ছাড়পত্র নেয়। ডায়িং ফ্যাক্টরিগুলো ইটিপির মাধ্যমে বর্জ্যর পানি শোধন করে ব্যবহার করবে, কিন্তু তারা এগুলো না করে খরচ বাঁচানোর জন্য অসৎ উপায়ে বর্জ্যর পানি নদীতে ফেলছে। কালো, দূষিত-ময়লা যুক্ত পানি ভালুকা ঐতিহ্যবাহী খিরু নদীতে ফেলা হচ্ছে, এর কারণে পানি কালো মবিলের মতো হয়ে গেছে। রাস্তা দিয়ে যাওয়া যায় না, নদীর দূষিত-ময়লা যুক্ত পানির দুর্গন্ধের কারণে। 
মানুষ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে, পশু-পাখি, গরু-ছাগল এগুলো মারা যাচ্ছে, মাছ একেবারেই নেই, ফসল ফলানোর কোন ভাবে সম্বব পর নয়। শুধু খিরু নদী নয়, এক্সপেরিয়ান্স ফ্যাক্টরি ভরাডোবার দূষিত-ময়লা যুক্ত পানির কারণে প্রায় তিন হাজার একর সম্পত্তীতে ফসল ফলানো যাচ্ছে না।  কৃষকরা না খেয়ে জীবন অতিবাহিত করার মত অবস্থা। আমরা এই বিষয়গুলো নিয়ে অনেক বার আন্দোলন করেছি, আমরা রাস্তা পর্যন্ত ব্যারিকেড দিয়েছি, কিন্তু দেখা গিয়েছে এই অসৎ ব্যবসায়ীরা হাইকোর্টকে ব্যবহার করে, একটা স্টে অর্ডার এনে এটি বন্ধ করে দিচ্ছে। বর্তমান সরকারের উচিত এই বিষটি বিশেষ ভাবে দেখা, আর যারা ব্যবসা করছে, তাদের অব্যশই আইন মেনে নিয়মের ভিতর থেকে কলকারখানা পরিচালনা করা বলে জানান তিনি।  

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) ভালুকা আঞ্চলিক শাখার সদস্য সচিব কামরুল হাসান পাঠান জানান, ভালুকায় শিল্প বর্জ্য দূষিত খিরু নদী, এটির মূল কারণ হল ভালুকায় প্রায় ৩০টি ড্রাইং ফ্যাক্টরি রয়েছে ইটিপি ব্যবহার না করে সরাসরি শিল্প তরল বর্জ্য গুলো বিভিন্ন খাল সহ সরাসরি খিরু নদীতে ফেলছে। গ্লোরি, শেফার্ড, এফএম ড্রাইং তাদের শিল্প বর্জ্য খিরু নদীতে সরাসরি ফেলছে। এর মধ্যে লাউতি খাল, বিলাইঝুড়ি খাল সহ প্রায় ৩০টি খাল আজ মৃত। এ সমস্ত শিল্প বর্জ্যর দূষিত পানিতে অনেক ধরণের কেমিক্যাল রয়েছে, যা আমাদের পরিবেশের ভারসম্য নষ্ট হচ্ছে, জীব-বিচিত্র প্রায় শেষ হওয়ার মত, আজ নদীতে মাছ নেই, আবহাওয়াসহ ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। বিশেষ করে এক্সপেরিয়ান্স ফ্যাক্টরি তরল দূষিত বর্জ্য সরাসরি ধানের জমিতে ফেলছে যা ৬টি ইউনিয়নের ১৮ গ্রাম ক্ষতি হচ্ছে। হাজার হাজার মণ ধান প্রায় সময় নষ্ট হচ্ছে। এই বিষয়গুলো নিয়ে প্রচুর লেখালেখি, প্রতিবাদসহ মানবন্ধন হয়েছে। 

তিনি জানান, ভালুকার প্রাণ খিরু নদী রক্ষা করার জন্য বিভিন্ন সময় মানবন্ধনসহ গত ১৪ মার্চ নদীকৃত্য দবিসে আমরা মানবন্ধনসহ স্মারক লিপি দিয়েছি, কিন্তু আসলে কিছুতে কিছু হচ্ছে না। যাদের দেখার কথা, তারা কোন ভাবেই দেখছে না, পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে তারা কিভাবে ছাড়পত্র পায়, প্রতিবছর কিভাবে নবায়ন করছে, এটাও আমদের জানা নেই। আমরা শুধু প্রতিবাদই করে যাচ্ছি, আমরা চাই আমাদের এই প্রজন্ম নয়, আমাদের ভালুকার আগামীর প্রজন্মকে রক্ষা করার জন্য, ভালুকাকে একটি বাসযোগ্য ভালুকা হিসেবে দেখতে চাই। এর জন্য পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা একান্ত প্রয়োজন বলে মনে করি। ভালুকা খিরু নদী খনন এবং বিলাইঝুড়ি খাল, লাউতি খাল খননের জন্য ২৪ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়ে আসছে তা জানা গেছে। পানি সম্পদ মন্ত্রীসহ ভালুকার এমপি এই নদী খননের বিষয়ে আশ্বাস দেন। খিরু নদী খনন করার আগেই, নদীর পাশেই রাখছে বালি, খননের আগেই যদি বালি অপসারণ না করা যায়, তাহলে খনন  করার পর সেই বালি নদীতে যেয়ে পড়বে। তাহলে সেই নদীর নাব্যতা বৃদ্বি করার নামে, নদী আবার ভরাট হয়ে যাবে। প্রায় জায়গায় নদী খননের নামে মাটি যদি আবার পাড়ে রাখা হয়, তাহলে এই মাটি বর্ষায় নদীতে পড়বে। সুতরাং নদী যদি খনন হয়, সেগুলো পরিকল্পিত ভাবে, সুষ্ট ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে করা উচিত।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লাহ আল বাকিউল বারী বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের সাথে যৌথ ভাবে কাজ করতে হবে, তাদেরকে আমরাও অভিযোগ করি, সামনে এই অভিযান আরও জোরদার করা হবে। খিরু নদী শুস্ক মৌসুমে পানি একদম কমে যায়, বর্ষা মৌসুমে পানিতে ভরপুর থাকে তখন নদীর অবস্থার চিত্র ভিন্ন হয়। কলকারখানার বর্জ্য বিষয়ে মিটিং এ আলোচনা করেছি, যে কয়েকটি কোম্পানি বেশি করে পরিবেশ দূষণ করছে তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই অভিযান করব।  

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালমা খাতুন জানান, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গড়ে ওঠা মিলকারখানার বিষাক্ত বর্জ্য খিরু নদীসহ আশপাশ এলাকার খাল-বিল বা জলাশয়ে পড়ে তা অসহনীয়ভাবে পরিবেশ দূষণ ঘটাচ্ছে। এ ব্যাপারে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। পরিবেশ রক্ষায় যা যা করণীয় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তা করা হবে।

জাগরণ/আরকে