• ঢাকা
  • সোমবার, ২০ মে, ২০২৪, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
প্রকাশিত: এপ্রিল ২৫, ২০২২, ১১:০৯ এএম
সর্বশেষ আপডেট : এপ্রিল ২৫, ২০২২, ১১:০৯ এএম

উন্মুক্ত হবার অপেক্ষায় নাওজোড় সফিপুর ফ্লাইওভার 

উন্মুক্ত হবার অপেক্ষায় নাওজোড় সফিপুর ফ্লাইওভার 

মো.সেলিম রানা,কালিয়াকৈর
জয়দেবপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়কের নাওজোড় ও সফিপুর ফ্লাইওভার দু’টি যানবাহন চলাচল করবে। 

সোমবার (২৫ এপ্রিল) থেকে পরবর্তি নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে। তবে ঈদ পরবর্তিতে সল্পসময়ের মধ্যে ফ্লাইওভার দুটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করার সম্ভবনা রয়েছে। 

দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জয়দেবপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়ক। এটি রাজধানী হতে উত্তর বঙ্গের যোগাযোগের এক মাত্র স্থলসড়ক ব্যবস্থা। এ মহাসড়ক  দিয়ে উত্তরাঞ্চল ছাড়াও দক্ষিন পশ্চিম অঞ্চলেরও যানবাহন চলাচল করে। পাশাপাশি গাজীপুরের শিল্প এলাকার শত শত যানবাহন ও হাজার হাজার লোক যাতায়াত করেন এ মহাসড়কে। ঈদের ছুটিতে এ মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি পায়। মহাসড়কে প্রতিনিয়ত সৃষ্টি হয় যানবাহনে দীর্ঘ যানজট। ভোগান্তিতে নাকাল হয়ে পড়েছে স্থানীয় বাসিন্দা ও যাত্রীসাধারণ। 

বিশেষ করে ঈদ বা বিশেষ কোন ছুটিতে বাড়ি ফেরা মানুষের চাপ পড়ে এই মহাসড়কে। জনসাধারণের দুর্ভোগ কমাতে জয়দেবপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ফোরলেন এর পাশাপাশি কোনাবাড়ি, চন্দ্রা ও কালিয়াকৈর এলাকায় ফ্লাইওভার নির্মান করা হয়। পরবর্তিতে আন্তঃজেলা ও দূরপাল্লার পরিবহন চলাচলে যানজট নিরসনে ২০১৯ সালে নাওজোর ও সফিপুর এলাকায় ফ্লাইওভারের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। কাজ চলমান থাকায় প্রতিদিন যানজটে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে যাত্রীদের। মঙ্গলবার থেকে খুলে দেয়া হচ্ছে সফিপুর ও নাওজোর এলাকার ফ্লাওয়ার দুটি। সেই লক্ষে শেষ প্রস্তুতিতে দ্রুত গতিতে কাজ করছে নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো।

জয়দেবপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়কে নাওজোড় ফ্লাইওভার ৮১৫মিটার দৈর্ঘ ৫৮ কোটি টাকা ও সফিপুর ফ্লাইওভার ১২৬৯ মিটার ১০৫ কোটি টাকা ব্যায়ে দেশীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্মান করেছে। ওই ফ্লাইওভার দুটি ও ফোরলেনের কাজ সম্পূর্ণ হলে নির্মাণ ও যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করার ফলে বৃহত্তর উত্তরবঙ্গের ২৩ জেলার ১১৮ রুটের পরিবহন যানজটমুক্ত পরিবেশের মধ্য দিয়ে চলাচল করবে। 

প্রকল্পের আওতায় ৭০ কিলোমিটার সড়ক ফোর লেনে উন্নীতকরণের কাজ প্রায় হয়ে গেছে। এ অংশটুকুর মধ্যে রয়েছে গাজীপুর সিটি করপোরেশনে ভোগরা বাইপাস মোড় থেকে টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা পর্যন্ত। পাশাপাশি সড়কের দুই পাশে ধীর গতির যান চলাচলের জন্য পৃথক লেন (সার্ভিস লেন) তৈরির কাজও অনেকাংশ হয়ে গেছে। উক্ত প্রকল্পের অধীনে ১১ ফ্লাইওভার, ১৩ আন্ডারপাস, ২৬ ব্রীজ ও ৭৪ কালভার্ড নির্মাণ করা হচ্ছে।

জাগরণ/আরকে