• ঢাকা
  • বুধবার, ০৬ জুলাই, ২০২২, ২২ আষাঢ় ১৪২৯
প্রকাশিত: মে ২৮, ২০২২, ০৭:৫৬ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : মে ২৮, ২০২২, ০১:৫৬ পিএম

যোগ্য নেতৃত্বের মাধ্যমে সঠিক দল ও দেশ গঠন সম্ভব

যোগ্য নেতৃত্বের মাধ্যমে সঠিক দল ও দেশ গঠন সম্ভব

বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ বলেছেন, আমাদের আগামীর দুটি চ্যালেঞ্জ রয়েছে। একটি হলো আওয়ামী লীগের জয় নিশ্চিত করা এবং মর্যাদাশীল জাতি হিসেবে আমাদের প্রতিষ্ঠিত হতে হবে। সবার মনে এখন একটাই প্রশ্ন, কে আসবে আগামীর নেতৃত্বে? কিন্তু প্রশ্ন হওয়া উচিত কেমন হবে আগামীর নেতৃত্ব। আপনারা প্রকৃত মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালন করেন এমন ব্যক্তিকে নির্বাচন করুন। কারণ, যোগ্য নেতৃত্বের মাধ্যমে সঠিক দল ও দেশ গঠন করা সম্ভব।

গতকাল শনিবার পটিয়ার আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত চট্টগ্রাম দক্ষিন জেলা আওয়ামী যুবলীগের ত্রি- বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ ফজলে শামস পরশ বলেন, আজ সম্মেলনে এসে আমার একসাথে অনেকগুলো অনুভূতি কাজ করছে। প্রীতিলতা, মাস্টার দা সূর্যসেনসহ অনেক জ্ঞানী গুণীর জন্ম এ চট্টগ্রামে। সাংস্কৃতিক দিক দিয়েও পিছিয়ে নেই চট্টগ্রাম। জনপ্রিয় ব্যান্ড রেনেসাঁ, সোলস, এলআরবিসহ অনেক ভাল ব্যান্ডের জন্ম এ চট্টগ্রামে। চট্টগ্রামের বিপ্লবী ঐতিহ্য রয়েছে। এ মাটি বিপ্লবী মাটি। আজকের সম্মেলন ঐতিহাসিক সম্মেলন।এ সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন সূচনা তৈরি হবে। আপনারা প্রকৃত মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালন করেন এমন ব্যক্তিকে নির্বাচন করুন। আমাদের লক্ষ্য এ চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলাকে আওয়ামী লীগের ঘাটিতে রূপান্তর করা ।

তিনি বলেন. লোন নিয়ে নয়, নিজ অর্থে এই সেতু করা হয়েছে। যুবলীগ যদি প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নের গল্প নিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে যায়, তাহলে বিএনপি-জামায়াতের অস্তিত্ব থাকবে না।

চট্টগ্রামের মাটি কখনও মিথ্যাচার, অন্যায় অবিচারকে প্রশ্রয় দেয়নি। সম্মেলনে দেশপ্রেমিক কর্মীবান্ধব জনদরদী নেতৃত্ব নির্বাচন করতে হবে। আমাদের লক্ষ্য ও চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে হবে। আপনারা গ্রহণযোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচন করবেন, যে নেতৃত্ব সৎ ও মানবিকতার মাধ্যমে বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাজ করবে। আগামী নির্বাচনে সবাইকে কাজ করতে হবে। উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে ও মর্যাদা সমুন্নত রাখতে মেধাসম্পন্ন সুদৃঢ় নেতৃত্ব দরকার। কে হবে নেতা, তার চেয়ে বড় কথা নেতৃত্ব কেমন হবে? পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য যোগ্য নেতৃত্ব দরকার।

তিনি আরও বলেন, এক অদৃশ্য কারণে ২০০৮ সালে নির্বাচনে আওয়ামী লীগের জোয়ারের সময় চট্টগ্রাম দক্ষিণে দুইটি আসনে জয়ী হয়েছিল। যোগ্য নেতৃত্বে দক্ষিণ চট্টগ্রামকে আওয়ামী লীগের ঘাঁটিতে পরিণত করতে হবে। আওয়ামী লীগ ও যুবলীগ স্বাধীনতাবিরোধীদের ভয় পায় না। বাংলাদেশের উন্নয়ন রোল মডেল, এটা সম্ভব হয়েছে শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কারণে। যে নেতৃত্বের নাম শেখ হাসিনা। উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে আওয়ামী যুবলীগকে মাঠে ও মানুষের পাশে থাকতে হবে। আগামি নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীদের বিজয়ী করার লক্ষ্যে আমাদের যুবলীগ কাজ করে যাবে।

দলীয় নেতাকর্মী যারা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে শেখ হাসিনার সরকার ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে জানিয়ে পরশ বলেন,  দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের ছাড় দেওয়া হয়নি। দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত সকলকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।  

সম্মেলনে আরো  বক্তব্যে রাখেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের চট্টগ্রাম বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক ও জাতীয় সংসদের হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন এমপি, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো.মাইনুল হোসেন খান নিখিল, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য মো.নজরুল ইসলাম চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১৬ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী, কেন্দ্রীয় যুবলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ বদিউল আলম, ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নাঈম, সাংগঠনিক সম্পাদক মো.সাইফুর রহমান সোহাগ, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মীর মো.মহি উদ্দীন, উপ ক্রীড়া সম্পাদক মো.আব্দুর রহমান, সহ-সম্পাদক মো.নাসির উদ্দীন মিন্টু ও কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য নিয়াজ মোর্শেদ এলিট।