• ঢাকা
  • বুধবার, ১৭ আগস্ট, ২০২২, ২ ভাদ্র ১৪২৯
প্রকাশিত: জুলাই ৫, ২০২২, ১২:২৭ এএম
সর্বশেষ আপডেট : জুলাই ৪, ২০২২, ০৬:২৭ পিএম

আঙ্কটাড

বৈধ বিনিয়োগের ৯ গুণ অর্থ গেছে অবৈধ পথে

বৈধ বিনিয়োগের ৯ গুণ অর্থ গেছে অবৈধ পথে

বিদেশে বাংলাদেশিদের বিনিয়োগ নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং জাতিসংঘের সংস্থা আঙ্কটাডের তথ্যে বিস্তর ফারাক।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, এর পরিমাণ মাত্র ৪ কোটি ডলার। আঙ্কটাডের হিসেবে তা ৩৯ কোটি ডলার।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, আইনের যথাযথ প্রয়োগ না থাকায় ঠেকানো যাচ্ছে না এমন অর্থ পাচার। আন্তর্জাতিক সংস্থাটি থেকে বিস্তারিত তথ্য নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে ব্যবস্থা নেয়ার পরামর্শ তাদের।

এক দশক আগেও বাংলাদেশিদের বিদেশে বিনিয়োগে বৈধপথে অর্থ পাঠানোর কোনও সুযোগ ছিল না। পরে, ক্ষেত্র বিশেষে বাংলাদেশ ব্যাংক এ ধরনের বিনিয়োগের অনুমোদন দেয়া শুরু করে।

বিদেশের মাটিতে ব্যবসা করতে ওষুধ, তৈরি পোশাক, জ্বালানিসহ কয়েকটি খাতের মোট ১৭ প্রতিষ্ঠান এখন পর্যন্ত ৬ কোটি ৫০ হাজার ডলার বিনিয়োগের অনুমোদন পেয়েছে।

২০২১ পর্যন্ত তাদের মোট বিনিয়োগ ৪ কোটি ১ লাখ ডলার।

কিন্তু জাতিসংঘের বাণিজ্য বিষয়ক সংস্থা আঙ্কটাডের প্রতিবেদন বলছে, ২০১০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশিদের বিদেশে বিনিয়োগের স্থিতি ছিল ৯ কোটি ৮০ লাখ ডলার। যা গেল বছর শেষে দাঁড়িয়েছে ৩৯ কোটি ডলারে।

গ্লোবাল ফিন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটির তথ্যমতে, প্রতি বছর এদেশ থেকে পাচার হয় ৬ থেকে ৭'শ কোটি ডলার। অর্থপাচারের শতকরা ৮০ ভাগ যায়, আমদানি-রফতানির আড়ালে। পাচার ঠেকাতে তথ্য প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে, পণ্যের সঠিক দাম পর্যালোচনার সক্ষমতা বাড়ানোর পরামর্শ অর্থনীতিবিদদের।

বাংলাদেশ ব্যাংকসহ দেশের কোনও সংস্থাই পাচার হওয়া অর্থের সঠিক পরিসংখ্যান জানে না। বিচ্ছিন্নভাবে বিশ্বের কিছু দেশে অর্থপাচারে প্রমাণ মিললেও, তা ফেরানোর কার্যকর উদ্যোগও চোখে পড়ে না।

জাগরণ/অর্থনীতি/কেএপি