• ঢাকা
  • শুক্রবার, ১৯ জুলাই, ২০২৪, ৪ শ্রাবণ ১৪৩১
প্রকাশিত: মার্চ ৭, ২০২৪, ১১:৪১ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : মার্চ ৭, ২০২৪, ১১:৪২ পিএম

উল্টো গতিতে চিনির বাজার

উল্টো গতিতে চিনির বাজার
ছবি ● সংগৃহীত

দাম বাড়বে না বলে বারবার সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হলেও খুচরা বাজারে বাড়তি দামেই কিনতে হচ্ছে চিনি।

সরকারিভাবে পর্যাপ্ত মজুতের কথা বলা হলেও বাজারের চিত্র ভিন্ন। খুচরায় প্যাকেট চিনির কেজি নির্ধারিত দামের চেয়ে দুই-এক টাকা বেশি। নির্ধারিত মূল্যের বেশি খোলা চিনির দামও।

বাড়তি দামের জন্য খুচরা বিক্রেতাদের দুষছেন মিলাররা। যদিও রোজায় দাম বাড়বে না বলে দাবি করেছেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলামের।

বাজারে চিনির তেমন সংকট নেই। কেনা যাচ্ছে চাহিদা মতোই। কিন্তু দাম বেশি। চট্টগ্রামে এস আলম সুগার মিলে আগুনের পর সরবরাহ সংকটের গুজবে দাম বেড়েছে। 

রাজধানীর বাজারে প্রতি কেজি আমদানি করা প্যাকেট চিনি বিক্রি হচ্ছে ১৪৮ থেকে ১৫০ টাকায়। খোলা চিনির জন্যেও গুণতে হচ্ছে বাড়তি দাম। আর ১৬০ থেকে ১৭০ টাকার নিচে মিলছে না দেশি চিনিকলের লাল চিনি। 

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে আসা এক ক্রেতা বলেন, ‘চিনিসহ সব পণ্য যেন মানুষের নাগালেই থাকে, এটাই আমরা চাই।

মনিটরিংটা যদি আরেকটু জোরদার হতো তাহলে আমরা যারা ভোক্তা তাদের জন্য সহনীয় হতো।’ 

বিপণন প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে চিনি বেশি দামে কিনতে হচ্ছে, তাই কমে বিক্রি করা যাচ্ছে না, দাবি বিক্রেতাদের। তবে, মিলাররা বলছেন, মিল গেটে চিনির দাম বাড়েনি। পাইকার ও খুচরা বিক্রেতারা বাজারে গুজব ছড়িয়ে দাম বাড়াচ্ছে। 

এক পাইকারি বিক্রেতা বলেন, ‘কাস্টমাররা তো প্যাকেট আমাদের কাছ থেকে নেয় না। এটা মহল্লার ওরা ১০০–২০০ গ্রাম করে বিক্রি করে তো, ওরাই (খুচরা ব্যবসায়ী) লুজ চিনি নিয়ে যায়।’ 

চিনি উৎপাদক ইগলু সুগারের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘বাজারের খুচরা বিক্রেতারা হয়ত ভাবছে যে সুগার পাওয়া যাবে না। এজন্য তারা একটা প্যানিক তৈরি করে বাজারে অস্থিরতা তৈরি করছে। তারা বেশি দামে বিক্রি করছে। বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা যদি ভালো থাকে তাহলে বাজার নিয়ন্ত্রণে আসবে। কোনো মিল মালিক বাড়তি দামে চিনি বিক্রি করছে না।’ 

বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম বলছেন, বাজার ব্যবস্থাপনার ত্রুটিগুলোকে কাজে লাগিয়ে অনেকে অতি মুনাফা করছেন। পুলিশ দিয়ে নয়, যোগান বাড়িয়ে দাম নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে। 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দুইএক জায়গায় বাজারে কেউ দাম বাড়ানোর চেষ্টা করছে। কেউ যাতে এ ধরণের অসাধু চেষ্টা না করে। মিল গেটের রেট এক টাকাও বাড়বে না রমজানের আগে, এই প্রতিশ্রুতি কিন্তু বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের। আমাদের যারা উৎপাদনকারী আছে তাদের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে।’ 

দেশে চিনি আমদানি করে হাতেগোনা কয়েকটি কোম্পানি। তাদের ওপরই নির্ভর করে দামের ওঠা-নামা। 

জাগরণ/অর্থনীতি/এসএসকে