• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩০
প্রকাশিত: ডিসেম্বর ৬, ২০২৩, ১২:৪৮ এএম
সর্বশেষ আপডেট : ডিসেম্বর ৬, ২০২৩, ১২:৪৮ এএম

সরবরাহ বাড়লেও কমেনি দাম নতুন আলু-পেঁয়াজের

সরবরাহ বাড়লেও কমেনি দাম নতুন আলু-পেঁয়াজের

দেশে উৎপাদিত নতুন আলু ও পাতাসহ পেঁয়াজ বাজারে এসেছে।

এর পরও পণ্য দুটির দামের লাগাম টানা যাচ্ছে না। মাঝে কিছুটা কমে আবারও দাম বাড়তে শুরু করেছে।

গত চার-পাঁচ দিনের ব্যবধানে আলুর দাম কেজিতে সর্বোচ্চ ১০ টাকা এবং পেঁয়াজ কেজিতে ১৫ টাকা বেড়েছে। 

আলু ও পেঁয়াজের ব্যবসায়ীরা বলছেন, ডলার সংকটে এলসি খোলা যাচ্ছে না।

বাজারে নতুন আলু ও পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়লে দাম কমে যেতে পারে– এমন শঙ্কা থেকেও অনেকে আমদানি কমিয়েছেন। ফলে পণ্য দুটির যে পরিমাণ চাহিদা রয়েছে, সে তুলনায় সরবরাহ কম। এ কারণে দাম বাড়ছে।

 

বাজারে এখন নতুন আলু পাওয়া যাচ্ছে। কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা দরে। সাধারণত নতুন আলু উঠতে শুরু করলে বাজারে পুরোনো আলুর চাহিদা কমে। তাতে দামও কমতে থাকে। কিন্তু এ বছর দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। নতুন আলুর কোনো প্রভাব বাজারে নেই। 

মঙ্গলবার রাজধানীর কারওয়ান বাজার, তেজকুনিপাড়া ও বিজয় সরণি সংলগ্ন কলমিলতা বাজারে দেখা যায়, পুরোনো আলু বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৫৫ টাকা দরে। চার-পাঁচ দিন পুরোনো আলুর দাম ছিল ৪৫ টাকার আশপাশে। এর আগে অবশ্য আলুর দাম রেকর্ড ৭০ টাকা ছুঁয়েছিল। 

বাজারে এখন পাতাসহ নতুন পেঁয়াজ পাওয়া যাচ্ছে। ব্যবসায়ীরা প্রতি কেজি বিক্রি করছেন ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে। এ পেঁয়াজও বাজারে তেমন প্রভাব রাখতে পারেনি।

চার দিনের ব্যবধানে দেশি পেঁয়াজের কেজি ১৫ টাকার মতো বেড়ে খুচরা পর্যায়ে বিক্রি হচ্ছে ১৩০ থেকে ১৩৫ টাকা দরে। আর ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১১০ থেকে ১২০ টাকায়।

কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী রবিউল আলম বলেন, তিন-চার দিন ধরে পেঁয়াজের বাজার বাড়তি। ৫৮০ টাকার পেঁয়াজের পাল্লা (৫ কেজি) ৬৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অর্থাৎ কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়েছে।

হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশীদ বলেন, বর্তমানে ব্যাংকগুলো আমদানিকারকদের চাহিদামতো এলসি খুলছে না। তাতে আমদানি কিছুটা কমেছে। আগামী কয়েকদিন পরই মাঠ থেকে নতুন পেঁয়াজ উঠবে। তখন আমদানি করা পেঁয়াজের চাহিদা কমে যাবে। এ কারণেও কেউ কেউ আমদানি কমিয়েছেন। যার প্রভাব পড়ছে দামে। 

জাগরণ/অর্থনীতি/এসএসকে