• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ০৬ অক্টোবর, ২০২২, ২১ আশ্বিন ১৪২৯
প্রকাশিত: মে ২৮, ২০২১, ০৮:৫৪ এএম
সর্বশেষ আপডেট : মে ২৮, ২০২১, ০৫:২২ এএম

অনলাইনেই তিন ধাপে হবে জাবির পরীক্ষা

অনলাইনেই তিন ধাপে হবে জাবির পরীক্ষা

করোনাকালীন পরিস্থিতিতে দীর্ঘ সময় ধরে সব ধরনের ফাইনাল পরীক্ষা আটকে থাকায় এবং সেশনজট কমানোর লক্ষ্যে অনলাইনেই একাডেমিক পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার (২৭ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।

পাশাপাশি ‘জরুরি’ অবস্থার কথা মাথায় রেখে ভবিষ্যতে একাডেমিক ক্যালেন্ডার চালু রাখার লক্ষ্যে জরুরি পরীক্ষা কীভাবে নেওয়া যায়, সে বিষয়ে স্থায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা ৩১ মে সিন্ডিকেটে উত্থাপন করা হবে বলে জানা যায়।

একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্তের ব্যাপারে দর্শন বিভাগের সভাপতি মোস্তফা নাজমুল মানসুর বলেন, “একাডেমিক কাউন্সিলে অনলাইনে পরীক্ষার ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া পরীক্ষার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরীক্ষা তিনটি ধাপে নেওয়া হবে এর মধ্যে অ্যাসাইনমেন্ট, ওপেন বুক এক্সাম এবং ভাইভা। অ্যাসাইনমেন্টে ১০ নম্বর, ওপেন বুক এক্সামে ১০ নম্বর এবং ভাইভাতে ৩০ নম্বরে রাখা হয়েছে। এই ৫০ নম্বরকে আবার ৭০ নম্বরে রূপান্তর করা হবে। পাশাপাশি ক্লাস অনুশীলন পরীক্ষার ২০ নম্বর এবং ক্লাসে উপস্থিতির ১০ নম্বর এই ১০০ নম্বরে পরীক্ষা নেওয়া হবে।”

অনলাইনের ক্লাসগুলোর ক্ষেত্রে মার্কস গণনা করার উপায় কী, এমন প্রশ্নের জবাবে নাজমুল মানসুর বলেন, “অফলাইনে ক্লাসগুলো যদি ৫০ শতাংশের বেশি হয়ে থাকে তবে সেই ৫০ শতাংশকেই ধরা হবে।” এছাড়া সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার তিন সপ্তাহের মধ্যে পরীক্ষা শুরু করতে হবে বলেও জানান তিনি।

অনলাইন পরীক্ষাসংক্রান্ত কমিটির সভাপতি অজিত কুমার মজুমদার বলেন, “আমরা শুধু করোনা না বরং সরকারঘোষিত যেকোনো দুর্যোগকালের কথা ভেবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা ব্যাপক আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্তগুলো নিয়েছি, যা ৩১ মে সিন্ডিকেট সভায় উপস্থাপন করা হবে।”

মহামারি করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে গত বছরের ১৭ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। সেই বন্ধ দফায় দফায় বাড়িয়ে ১৩ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এরপর থেকেই স্তব্ধ হয়ে পড়ে সব শিক্ষা কার্যক্রম। পরে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অনলাইনে ক্লাস নেওয়ার বিধান চালু করা হলেও বন্ধ থাকে সব ধরনের ফাইনাল পরীক্ষা। ফলে দীর্ঘ সেশনজটে পড়েছেন শিক্ষার্থীরা। এ অবস্থায় শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়ার মানববন্ধনের দাবির মুখে এবং সরকার ও ইউজিসির সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে অনলাইনে পরীক্ষার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।