• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩০
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৪, ১২:০১ এএম
সর্বশেষ আপডেট : ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৪, ১২:০১ এএম

ফের পেছাল গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার তারিখ

ফের পেছাল গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার তারিখ

জিএসটি গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার তারিখের সূচিতে ফের পরিবর্তন এসেছে।

পরিবর্তিত সূচি অনুযায়ী, ‘এ’ ইউনিট (বিজ্ঞান) আগামী ২৭ এপ্রিল শনিবার, ‘বি’ ইউনিট (মানবিক) ৩ মে শুক্রবার এবং ‘সি’ ইউনিট (বাণিজ্য) ১০ মে শুক্রবার ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা দুপুর ১২টা থেকে ১টা এবং অন্য দুই ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা বেলা ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। 

শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাতে গুচ্ছভুক্ত সমন্বিত ভর্তি কমিটির আহ্বায়ক এবং যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন এ তথ্য জানান।

উপাচার্য অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘জিএসটি গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের সমন্বিত ভর্তি কমিটির ৮ ফেব্রুয়ারি অনলাইনে অনুষ্ঠিত চতুর্থ সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সভায় পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দুপুর ১২টা ০১ মিনিট থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন বলে জানানো হয়।

ভর্তির পরীক্ষার সময়সূচিতে পরিবর্তনের বিষয়ে গুচ্ছভুক্ত সমন্বিত ভর্তি কমিটির আহ্বায়ক যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা যেহেতু বৃহৎ পরিসরে অনুষ্ঠিত হয়, সেক্ষেত্রে বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় রাখা সমীচীন।

পূর্বে যে ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি ঘোষণা করা হয়েছিল, সেটির সঙ্গে সম্প্রতি ঘোষিত স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিলে নির্ধারিত তারিখের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ফলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের যেন কোনো ধরণের দুর্ভোগ বা বিড়ম্বনায় না পড়তে হয়, এ জন্য পরীক্ষার সময়সূচিতে পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

জিএসটি ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নের জন্য আমরা দেশের সর্বস্তরের অংশীজনের সহযোগিতা কামনা করছি।’

জিএসটি গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বিত ভর্তি কমিটির আহ্বায়ক যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে কমিটির চতুর্থ সভায় ২৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যবৃন্দ অনলাইনে সংযুক্ত ছিলেন।

জাগরণ/শিক্ষা/এসএসকে