• ঢাকা
  • রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর, ২০২২, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৯
প্রকাশিত: নভেম্বর ৬, ২০২২, ১২:৩৭ এএম
সর্বশেষ আপডেট : নভেম্বর ৬, ২০২২, ১২:৩৮ এএম

পরীক্ষার্থী ১২ লাখ

এইচএসসি পরীক্ষা শুরুে আজ

এইচএসসি পরীক্ষা শুরুে আজ
ফাইল ফটো

করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) এবং বন্যার কারণে কয়েক দফা পেছানোর পর রোববার (৬ নভেম্বর) থেকে সারা দেশে একযোগে চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হচ্ছে।

এবার মোট ১২ লাখ ৩ হাজার ৪০৭ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ২২ হাজার ৭৯৬ জন এবং ছাত্রী ৫ লাখ ৮০ হাজার ৬১১ জন। এদিকে পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব ছড়ানো হচ্ছে। ফেসবুকের বেশ কয়েকটি পেজ থেকে প্রশ্নের কিছু অংশ দিয়ে বলা হচ্ছে, টাকা দিলেই মিলবে পুরো প্রশ্ন। বোর্ড বলছে, প্রশ্নফাঁসের কোন সুযোগ নেই। যেসব পেজ গুজব ছড়াচ্ছে তাদের চিহ্নিত করা হচ্ছে।

এবার সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। মোট ২ হাজার ৬৪৯টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিতব্য এই পরীক্ষায় ৯ হাজার ১৮১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেবে। মোট ১১টি শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট পরীক্ষার্থী ৯ লাখ ৮৫ হাজার ৭১৩ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৫ লাখ ৮২ হাজার ১৮৩ জন এবং ছাত্রী ৫ লাখ ৩ হাজার ৫৩০ জন।

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ৯৪ হাজার ৭৬৩ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৫১ হাজার ৬৯৫ জন এবং ছাত্রী ৪৩ হাজার ৬৮ জন। মোট ২ হাজার ৬৭৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার্থীরা মোট ৪৪৮টি কেন্দ্র অংশ নেবে। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি (বিএম/বিএমটি)এইচএসসি (ভোকেশনাল), ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স পরীক্ষায় এক লাখ ২২ হাজার ৯৩১ জন অংশ নেবে। এর মধ্যে ছাত্র ৮৮ হাজার ৯১৮ জন এবং ছাত্রী ৩৪ হাজার ১৩ জন। মোট ১ হাজার ৮৫৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৬৭৩টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেবে পরীক্ষার্থীরা।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, করোনার কারণে সব বিষয়ে ও পূর্ণ নম্বরে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি। শিক্ষা বোর্ড সিলেবাস পুনর্বিন্যাস করেছে। ২০২৩ সাল থেকে সব বিষয়ে পূর্ণ নম্বরে পুনর্বিন্যাস করা সিলেবাসে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সংশ্লিষ্ট অভিভাবকদের সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষার হলে প্রবেশ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অনিবার্য কারণে কোনো পরীক্ষার্থীকে নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পরে প্রবেশ করতে দিলে তাদের নাম, রোল নম্বর, প্রবেশের সময়, বিলম্ব হওয়ার কারণ ইত্যাদি একটি রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করে ওই দিনই সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডে প্রতিবেদন দিতে হবে।

পরীক্ষা শুরুর ২৫ মিনিটি আগে এসএমএস এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের কাছে প্রশ্নপত্রের সেট কোড জানিয়ে দেয়া হবে। সূত্র জানায়, পরীক্ষা কেন্দ্রে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছাড়া অন্য কেউ মোবাইল ফোন বা ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন না। ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছবি তোলা যায় না এমন মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন। পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অন্য কেউ কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবে না। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে উপজেলা পর্যায়ে প্রশ্ন বাছাই এবং বিতরণের সময় এবার ইউএনওকে উপস্থিত থাকতে হবে। শিক্ষকরা বলছেন, পরীক্ষার আগে প্রশ্নফাঁসের গুজব ছড়ানো হলে শিক্ষার্থীদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত সব কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে বোর্ড।

জাগরণ/শিক্ষা/এইচএসসি/এসএসকে