• ঢাকা
  • বুধবার, ০১ এপ্রিল, ২০২০, ১৮ চৈত্র ১৪২৬
প্রকাশিত: মার্চ ২০, ২০২০, ০৪:০১ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : মার্চ ২০, ২০২০, ০৪:০১ পিএম

জ্বর-ঠান্ডা মানেই কোভিড-১৯ নয়

জাগরণ ডেস্ক
জ্বর-ঠান্ডা মানেই কোভিড-১৯ নয়

জ্বর কিংবা ঠান্ডা মানেই কোভিড-১৯ নয়। তাই শুধু এমন লক্ষণ দেখা দিলেই হাসপাতালে না ছোটার আহ্বান বিশেষজ্ঞদের।

তারা বলছেন, জ্বর হলেই আতঙ্কিত না হয়ে, হতে হবে সচেতন। তবে টানা জ্বর, শুকনো কাশি ও শ্বাসকষ্ট কোভিড-১৯ এর লক্ষণ।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, সম্ভাব্য বিপদের কথা মাথায় রেখে শুধু আইসোলেশন নয়, প্রতিটি জেলায় জেলায় হচ্ছে গণকোয়ারেন্টাইনের ব্যবস্থা।

বিশ্বজুড়ে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে দুই লাখ। মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১০ হাজার। বাংলাদেশে আক্রান্তের সংখ্যা ২০। তাইতো যে কোনও জ্বর হাঁচি কাশিতেই হাসপাতাল কিংবা আইইডিসিআরের দিকে ছুটছে মানুষ। কিন্তু এসব লক্ষণ মানেই কি কোভিড-১৯?

কোভিডের এই প্রজাতিতে সংক্রমণ হলে সবসময় জ্বরই থাকে। তবে অন্য ভাইরাস জ্বরে তাপমাত্রা অনেক বেশি থাকে। সাধারণ ঠান্ডা, জ্বর কিংবা এলার্জিজনিত সমস্যায় মাথা ব্যথা থাকলেও কোভিড-১৯ মাথাব্যথা হতে পারে। থাকতে পারে সাধারণ ব্যথাও। অন্য ভাইরাসজনিত জ্বরের মতো অবসাদ কিংবা দুর্বলতা না থাকলেও মাঝে-মধ্যে এমনটা হতে পারে। সর্দি, কাশি কিংবা বার বার হাঁচির লক্ষণ কোভিড-১৯। আবার অন্য জ্বরের ক্ষেত্রে গলাব্যথা থাকলেও কোভিড-১৯ এর বেলায় তা বারবার অনুভূত হবে। তবে অন্য জ্বরে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা তেমন না হলেও করোনা মারাত্মক হলে এ সমস্যা প্রকট হয়।

মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ইউজিসি অধ্যাপক এ বি এম আবদুল্লাহ বলেন, জনগণের আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে সচেতন থাকতে হবে। প্রবাসীদের ক্ষেত্রে বেশি সচেতন থাকতে হবে।

বিভিন্ন দেশ থেকে আসা প্রবাসীদের কাছ থেকে সংক্রমিত হলেও এখনও তা ছড়িয়ে পড়ছে অন্যদের মাঝে। তাই আসন্ন বিপদ মাথায় রেখেই তৈরি হচ্ছে মহাপরিকল্পনা। উপজেলা পর্যায়ে আইসোলেশন ওয়ার্ডের পাশাপাশি গণ কোয়ারাইন্টাইনের জন্য তৈরি হচ্ছে প্রতিটি জেলা।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের লাইন ডিরেক্টর ডা. আজিজুর রহমান সিদ্দিকী বলেন, প্রত্যেকটা হাসপাতালে আইসোলেশন আছে। 

চিকিৎসকদের জন্য অবস্থান ভেদে পিপি সরবরাহ করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

এসএমএম