• ঢাকা
  • রবিবার, ০৭ মার্চ, ২০২১, ২৩ ফাল্গুন ১৪২৭
প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৬, ২০২১, ০৯:২০ এএম
সর্বশেষ আপডেট : জানুয়ারি ১৬, ২০২১, ০৯:২০ এএম

শীতে অ্যাজমা সমস্যা, চিকিৎসকের পরামর্শ

শীতে অ্যাজমা সমস্যা, চিকিৎসকের পরামর্শ

কিছু রোগ রয়েছে, যা শীতের সময়টায় বেশ চড়াও করে ওঠে। এর মধ্যে শ্বাসতন্ত্রজনিত রোগের সংখ্যাই বেশি। এমনই কয়েকটি রোগ নিয়ে কথা বলেছেন বারডেম জেনারেল হাসপাতাল ও ইব্রাহিম মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক ও রেসপেরেটরি মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. মো. দেলোয়ার হোসেন।

ডা. মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, “শীতের সময় দুইটা জিনিস হয়। ফুসফুসের কিছু রোগ আছে, সেগুলো বেড়ে যায়। আবার যে রোগগুলো আগেই থাকে, তার তীব্রতাও বেড়ে যায়। নতুন করে কিছু উপসর্গ হয়।

যেমন অ্যাজমা রোগের ক্ষেত্রে এমনটা দেখা যায়। এই রোগটি শীতের সময় বেড়ে যেতে পারে। তাপমাত্রার যদি তারতম্য হয়, তাহলে এটা বেড়ে যায়। এর অনেকগুলো কারণ আছে যেমন হঠাৎ ঠান্ডা পড়ে যায়। ঠান্ডা বাতাস যদি আমাদের শ্বাসনালিতে ঢুকে যায় তবেই এ রোগ চরম আকারে বেড়ে যেতে পারে।

অ্যাজমা রোগীরা অতিমাত্রায় সংবেদনশীল হয়। তাপমাত্রা যদি ৩ ডিগ্রির বেশি হয়, তাহলে শ্বাসনালিতে সমস্যা হয়। এর ফলে কাশি, শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়। বুকে চাপ লাগে। 

এ ছাড়া শীতের সময় তাপমাত্রায়ও আর্দ্রতা কমে যায়। এ সময় বাতাসে ধুলাবালি বেশি থাকে। সেগুলো দ্বারাও ক্ষতি হয়। এ জন্য অ্যাজমার ওষুধগুলো কোনোভাবেই বন্ধ করা যাবে না। নিয়মিত নিতে হবে। উপসর্গ বেশি বেড়ে গেলে ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করে তার নির্দেশমতো ওষুধ চালিয়ে যেতে হবে।

অ্যাজমার সঙ্গে সিওপিডি নামে আরো একটি জটিল রোগ আছে। অ্যাজমার মতো এই রোগটিও তীব্র শ্বাসকষ্ট নিয়ে প্রকাশ পায়। প্রতি শীতে এটাও বেড়ে যায়। যেমন কাশি হওয়া, কফ পড়া, নিশ্বাস নিতে কষ্ট হওয়াসহ বিভিন্ন উপসর্গ বেড়ে যায়। এটি সাধারণত ধূমপায়ীদের ক্ষেত্রে বেশি হয়। এ ক্ষেত্রেও চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।