• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ১৩ ফাল্গুন ১৪২৭
প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৯, ২০২১, ০৩:৩১ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : জানুয়ারি ১৯, ২০২১, ০৪:০০ পিএম

শিশুর ওজন ঠিক রাখুন

শিশুর ওজন ঠিক রাখুন

শিশুর স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে কতই না চেষ্টা। তাদের দেখে আদরটাও একটু বেশি হয়। ছোটবেলায় শিশুর দেহে চর্বি নিয়ে খুব বেশি ভাবনা থাকে না আমাদের। তবে এই চর্বি পরবর্তী সময়ে বড় সমস্যা হয়ে উঠতে পারে। প্রাপ্তবয়স্ক হলে শরীরে এই চর্বি বসে যেতে পারে। তাই সতর্কতা আগেই নিয়ে রাখুন। শিশুদের ওজন থাকা ভালো, তবে তা যেন হয় স্বাস্থ্যকর ওজন। যা ঠিক রাখতে মেনে চলুন কিছু বিষয়।

মাতৃদুগ্ধ
অনেক মায়েরা আছেন যারা শিশুদের বুকের দুধ খাওয়াতে পারেন না। আবার খাওয়ালেও তা বেশি দিন ধরে পারেন না। সম্ভব হলে শিশুকে দুই বছর পর্যন্ত নিয়মিত মায়ের দুধ খাওয়ান। এটি শিশুকে সুস্থ ও স্বাস্থ্যকর রাখে। শিশুর পুষ্টির জন্য যা যা প্রয়োজন এর সবকিছু রয়েছে মায়ের বুকের দুধে।

কাঁদলেই খাওয়াবেন না
আমাদের মধ্যে একটা ভুল ধারণা আছে, শিশু কাঁদলেই তাকে খাওয়াতে হবে বা ক্ষুধা লেগেছে বলে সে কাঁদছে। শিশুরা বিভিন্ন কারণে কাঁদতে পারে। হতে পারে সে ক্লান্ত, ভয় পেয়ে, অস্বস্তিতে কাঁদছে। আগে শিশুর ডায়াপার পরিবর্তন করুন, হেসে কথা বলুন বা তার সঙ্গে খেলতে চেষ্টা করুন। প্রথমেই খাওয়ানোর দরকার নেই।

অতিরিক্ত খাওয়ানো
শিশুরা একটি নির্দিষ্ট বোতল বা খাবারের বাটি শেষ করবে, এটা স্বাভাবিক। তবে কোনো শিশু যদি পুরোটা খেতে না চায় তাহলে জোর করা যাবে না। যদি আপনার ডাক্তার বলে আপনার বাচ্চার ওজন কম আরোও বেশি করে খাওয়াতে হবে, তাহলেও শিশুকে জোর করবেন না। একটু পরপর খাওয়ানোর চেষ্টা করুন। ডাক্তারের সঙ্গেও কথা বলুন। কীভাবে এই সমস্যার সমাধান করতে পারবেন, তা নিয়ে আলোচনা করুন।

স্বাস্থ্যকর সলিড খাবার
শিশুর বয়স ছয় মাসের বেশি হয়ে গেলে তাকে স্বাস্থ্যকর খাবার দিন। যেমন  ফল, শাকসবজি, অল্প ভাত, লেবু, মাছ এবং নরম মাংস খেতে দিন। বাচ্চাদের খাওয়াতে হলে স্বাদের পরিবর্তন  করতে হবে। ছোট থেকেই তাকে সব ধরনের স্বাস্থ্যকর খাবার দিতে হবে। তবে বাইরের খাবার চকলেট, চিপস একেবারেই দেওয়া যাবে না। এ ক্ষেত্রে আলু চিপস ঘরেই বানিয়ে দিতে পারেন।

সবার জন্য এক খাবার
শিশুরা বড় হতে থাকলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব শিশুকে সবার মতোই খাবার দিতে হবে। অনেক শিশু খাবারে মর্জি করে। বড়দের সঙ্গে টেবিলে বসে খাওয়ার অভ্যাস হলে শিশুরা সব খাবার  খাওয়া শিখবে। যেসব শিশুরা তাদের বাবা-মায়ের সঙ্গে খাবার খায় দেখা যায় তাদের অতিরিক্ত ওজন হওয়ার সম্ভাবনাও কম থাকে। শিশুরা এই অভ্যাসটি তাড়াতাড়িই যেন শিখে ফেলে সেটার দিকে খেয়াল রাখতে হবে।

শিশুকে চঞ্চল থাকতে দিন
শিশুকে বাইরে হাঁটতে নিয়ে যান। দৌড়ঝাঁপ করতে দিন। খেলাধুলা করতে দিন। যেকোনো কিছু অনুশীলন করতে দিন। এতে সে দ্রুত সবকিছু শিখে ফেলবে। যদি খেলা এবং পারিবারিক অনুশীলনের জন্য প্রতিদিন সময় নির্ধারণ করে দিতে পারেন, যা বাচ্চাদের স্বাস্থ্যকর ওজন ধরে রাখতে সাহায্য করবে। তাই শিশু বেড়ে উঠুক সঠিক যত্নে, পরম মমতা ও ভালোবাসায়।