• ঢাকা
  • রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ১৬ ফাল্গুন ১৪২৭
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২১, ০৩:৫৪ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২১, ০৪:০৬ পিএম

বাচ্চা খেতে না চাইলে কী করবেন

বাচ্চা খেতে না চাইলে কী করবেন

বাচ্চাদের স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে কতই না চেষ্টা। খেলার ছলে কিংবা গানের সুরে বাচ্চাকে খাওয়ানোর চেষ্টায় মশগুল থাকে বাবা-মা। মায়েদের কষ্ট একটু বেশিই হয়। এ ক্ষেত্রে আপনাকেই একটি উপযুক্ত সমাধান খুঁজে বের করতে হবে, যা আপনার সন্তানের শরীরের দৈনিক পুষ্টির চাহিদা মেটাবে।

  • শিশুর সামনে নানা ধরনের স্বাস্থ্যকর খাবার রাখুন। বিকল্প খাবার পেলে শিশু যেটাই বেছে নেবে, তাতেই শরীরের উপকার হবে।
  • শিশুদের খাদ্যাভ্যাসে কিন্তু বড়দেরও ভূমিকা আছে। শিশুর সামনে উপযুক্ত উদাহরণ হিসেবে নিজেকে তুলে ধরুন। নিজেও খাবারের তালিকায় স্বাস্থ্যসম্মত খাবার রাখুন। বাচ্চারা বড়দের অনুসরণ করে, অনেক কিছুই দেখে শিখবে।
  • স্বাস্থ্যকর খাবারের মজার মজার নাম দিন। ম্যাজিক্যাল পাওয়ার মটরশুঁটির স্যুপ, মুশি স্মুশি আলু বা টুটি ফ্রুটি মিল্কশেক- এমন কিছু মজার নাম খুঁজে বের করুন। বাচ্চারা ভালো গল্প আর মজাদার নাম খুবই পছন্দ করে।
  • বাচ্চারা বড়দের দেখে খেলার ছলে রান্নাবান্না করে। এই পদ্ধতিটাকেও কাজে লাগাতে পারেন। একটু বড় হলে তাকে দিয়েই খুব সহজ কিন্তু স্বাস্থ্যকর কিছু খাবার বানাতে শেখান। এতে নিজের রান্না করা খাবার খাওয়ার আগ্রহ বাড়বে।
  • জাঙ্ক ফুডের অভ্যাস হলে কিন্তু মহাবিপদ। এ ক্ষেত্রে শিশুর জন্য স্বাস্থ্যকর স্ন্যাক ঘরেই বানিয়ে রাখুন। যা খেতে চায় তাই বানিয়ে দিন। আগেই বানিয়ে রাখতে পারেন। যেন শিশুরা চাওয়া মাত্রই তার পছন্দের খাবার দিতে পারেন।
  • দিনের শুরুতে অবশ্যই পুষ্টিকর খাবার রাখুন। এতে বাচ্চাদের ডায়েটে দৈনিক পুষ্টির পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে। মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টের অভাবও পূরণ হবে।
  • বাচ্চাকে সারা দিন মোবাইল বা কম্পিউটারের সামনে বসে থাকতে দেবেন না। বাচ্চাকে শারীরিক পরিশ্রম হয় এমন খেলার অভ্যাস করান। এতে বাচ্চার ক্ষুধাও বেশি পাবে। ঘুমও ভালো হবে।

মনে রাখবেন, বাচ্চাকে জোর করে খাওয়ানোর চেষ্টা করা উচিত নয়। এতে খাবারের প্রতি অনীহা, জেদ এমনকি ভয়ও বেড়ে যায়। বাচ্চার যখন ক্ষুধা পাচ্ছে তখনই খেতে দিন। প্রয়োজনে কিছুক্ষণ পর পর খাওয়াবেন। অতিরিক্ত স্বাস্থ্য নয়, বরং বাচ্চার সুস্থ স্বাস্থ্য নিশ্চিত করুন।