• ঢাকা
  • সোমবার, ২৩ মে, ২০২২, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯
প্রকাশিত: মে ১৮, ২০২১, ০১:৫৮ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : মে ১৮, ২০২১, ০৮:১২ এএম

করোনামুক্ত হয়ে ফিরুন স্বাভাবিক জীবনে

করোনামুক্ত হয়ে ফিরুন স্বাভাবিক জীবনে

করোনাভাইরাস সংক্রমণ শারীরিক ও মানসিক দুই দিকেই প্রভাব বিস্তার করে। করোনা রোগীর স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে এবং স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার ক্ষেত্রে কিছু পরামর্শ দিয়েছে জন হপকিনস মেডিসিন রিহ্যাবিলিটেশন নেটওয়ার্ক। তাদের মতে, করোনা রোগীকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে গভীর প্রশ্বাস ঠিক রাখা, ধীরে ধীরে চলাফেরা করা ও সাধারণভাবেই শরীরচর্চাগুলো করতে হবে।

জন হপকিনস মেডিসিন রিহ্যাবিলিটেশন নেটওয়ার্কের তথ্য অনুযায়ী, ছোটবেলা থেকেই আমাদের গতিবিধির একটা নির্দিষ্ট ধরন তৈরি হয়। শরীরের চলাফেরা বা গতিবিধির ৫টি স্তর রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে গভীরভাবে প্রশ্বাস নেওয়া, ভেস্টিবুলার সিস্টেমকে উন্মুক্ত রাখা, ধীরে ধীরে চলা বা হাঁটা, পেশির শক্তি বাড়ানো, শরীরকে সচল রাখা।

করোনায় ফুসফুস ও হার্টে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই  শরীরচর্চা করলে এগুলো ঠিকমতো কাজ করে। এছাড়া শরীরচর্চায় দেহে সমন্বয় বজায় থাকে, পেশি সচল থাকে, মস্তিষ্কের বিকাশ হয়- এমনটাই জানাচ্ছে জন হপকিনস মেডিসিন রিহ্যাবিলিটেশন নেটওয়ার্ক।

এছাড়া কেউ করোনায় আক্রান্ত হওয়া মানেই সেটা তার অপরাধ নয়। আক্রান্ত পরিবার বা পরিচিতদের এটা বোঝাও খুব গুরুত্বপূর্ণ। বাইরে থেকেই সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে। পরিবারের কেউ আইসোলেশনে থাকলে সব সময় যোগাযোগ রাখতে হবে। আলাদা ঘরে থাকলেও তার সঙ্গে সব সময় যোগাযোগ রাখতে হবে। 

জন হপকিনস মেডিসিন রিহ্যাবিলিটেশন নেটওয়ার্কে আরও বলা হয়, করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিকে এমন কিছু কথা বলতে হবে যাতে তার মন ভালো থাকে। যদিও একটু বেশি খেয়াল রাখতে হবে। যেন আক্রান্ত ব্যক্তি নিজেকে অবহেলিত মনে না করেন। আক্রান্ত রোগীর অক্সিজেন স্যাচুরেশনসহ শারীরিক অবস্থারও খোঁজ নিতে হবে।

পরিবার বা প্রিয়জনদের কেউ আক্রান্ত হলে অসহায় বোধ নয়, বরং বাড়িতে সেতুবন্ধের কাজ করতে হবে। সব সময় পাশে থাকার পরামর্শ দিয়েছে জন হপকিনস মেডিসিন রিহ্যাবিলিটেশন নেটওয়ার্ক।