• ঢাকা
  • শনিবার, ২৮ মে, ২০২২, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯
প্রকাশিত: মে ২১, ২০২১, ১২:২৬ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : মে ২১, ২০২১, ০৬:৫৩ এএম

মেডিটেশনে মিলবে মুক্তি

মেডিটেশনে মিলবে মুক্তি

শরীরের সঙ্গে মনের স্বাস্থ্যেরও দেখভাল জরুরি। তবে শরীর-মন দুইয়েই যত্ন নেবে মেডিটেশন। ‘মেডিটেশন’ মানে একাগ্রে ‘ধ্যান’ করাকে ইঙ্গিত করে। ধ্যানের এক্সারসাইজও বলা যায়। নিয়মিত মেডিটেশন শরীর ও মনে জাদুর মতো কাজ করে। বলতে পারেন, পুরোটাই আপনার নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। আপনি চাইলেই হতাশা, অতিরিক্ত চিন্তা, অস্থিরতা কাটিয়ে উঠতে পারবেন।

২১ মে শুক্রবার বিশ্ব মেডিটেশন দিবস। মেডিটেশনের গুরুত্ব জানানোর পাশাপাশি সবার আগ্রহ বাড়িয়ে তুলতেই বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালন হয়।মেডিটেশন কীভাবে শরীর-মনকে শক্তি জোগায়, তা জানাব আজকের আয়োজনে।


মস্তিষ্কের সক্রিয়তা বাড়াবে

নিয়মিত মেডিটেশন মস্তিষ্ককে আরও প্রখর করবে। যা বিভিন্ন মানসিক সমস্যা দূর করবে। দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া, নির্ভুল কাজের বিষয়ে নিশ্চিত করে মেডিটেশন। মস্তিষ্কের সক্রিয়তা বাড়ায়  অবসাদ, দুশ্চিন্তা কাটিয়ে যাবতীয় সমস্যা সমাধানে সক্ষমতা আসবে।

শরীরের ব্যথা কমাবে

কারও পিঠে ব্যথা, কারও কোমরে, কারও বা মাথায় এবং শিরদাঁড়ে ব্যথা এমন সব সমস্যারও সমাধান দেবে মেডিটেশন। কীভাবে ভাবছেন? মানুষ যখন রাগান্বিত হয় তখন তার মন অস্থির হয়ে যায়। যা শরীরের ওপরও প্রভাব ফেলে। তাই রাগকে নিয়ন্ত্রণ করলে এই সমস্যাও কমে যাবে। রাগ  কমাতে মনকে প্রশান্তিতে রাখতে হবে। আর মনকে শান্ত রাখার ওষুধ হতে পারে মেডিটেশন।

মনোবল বাড়াবে

প্রতিদিন বিভিন্ন কারণে মানসিক চাপে থাকতে হয়। এমন সব পরিস্থিতি আসে যা মানসিক মনোবলকে দুর্বল করে দেয়। মনোবল অক্ষুণ্ণ রাখতে শুধু নয়, বরং তা বাড়িয়ে তুলতে পারে মেডিটেশন। কারণ ধ্যানে মানসিক ধৈর্য এতটাই বেড়ে যায় যে মানসিক চাপেও আপনি অবিচল থাকবেন।
 

ধৈর্য বাড়িয়ে দেবে

মেডিটেশন মনকে স্থির করে। তাই ধৈর্য শক্তি বাড়িয়ে দেয়। অল্পতে অস্থির হওয়া, হঠাৎ রেগে যাওয়ার সমাধান দিয়ে আপনার ধৈর্য শক্তি বাড়িয়ে দিতে পারে মেডিটেশন।

মনোযোগ বাড়াবে

মেডিটেশন মানে ধ্যান। আর ধ্যান করা মানে গভীর চিন্তায় মগ্ন হওয়া। যা মনোযোগ বাড়িয়ে দেবে। নিয়মিত মেডিটেশনে যেকোনো কাজে মনোযোগ বাড়বে। মনোযোগ বাড়লে নির্ভুল কাজের আনন্দ পাওয়া যায়। 

লক্ষ্য স্থিরে সচেষ্ট হবেন

মনঃসংযোগ বাড়াতে সচেষ্ট মেডিটেশন। যা লক্ষ্য স্থিরে আপনাকে সাহায্য় করবে। অনেকে দ্বিমুখী সিদ্ধান্তের হিমশিম খান, দ্বিধা পড়েন। এতে আপনার লক্ষ্য ভ্রষ্ট হয়ে যেতে পারে। নিয়মিত মেডিটেশনে এই দ্বন্দ্ব কেটে যাবে। আপনি কী চান, তা সহজেই বুঝতে পারবেন। লক্ষ্য স্থিরও সহজ হবে।