• ঢাকা
  • বুধবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২২, ১৩ মাঘ ১৪২৮
প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৪, ২০২২, ০৮:৫৭ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : জানুয়ারি ১৪, ২০২২, ০২:৫৭ পিএম

ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত শিশুরা

ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত শিশুরা
মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে শিশুদের বিশেষ পরিচর্যার জন্য অপেক্ষারত অভিবাবকেরা। ছবি- জাগরণ।

শীতের তীব্রতা ও কনকনে ঠান্ডার কারণে মৌলভীবাজারের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

জেলার উপর দিয়ে বইছে মৃদৃ শৈত প্রবাহ। শীতের তীব্রতায় সবচেয়ে বেশী সমস্যায় পড়েছে শিশুরা, বিশেষ করে গ্রামাঞ্চল ও প্রত্যন্ত এলাকায় এর প্রভাব বেশি। নিউমোনিয়া সহ জ্বর, সর্দি, কাশিতে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা। উৎকন্ঠা বাড়ছে অভিভাবদের।

মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা হাসপাতালের শিশুদের বিশেষ পরিচর্যা কেন্দ্রের সিনিয়র স্টাফ নার্স আয়শা ফেরদৌসী বলেন, 'শীতের সময়টায় শিশুদের ঠান্ডাজনিত বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। শিশুদের শারীরিক ধরন অনুযায়ী বিভিন্ন সেবা আমরা দিয়ে থাকি। যেমন ইনকিউবিটরে রাখা, ফটো থেরাপী, অক্সিজেন সাপোর্ট সহ সব ধরনের সাপোর্ট।'

শহরের একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে ঠান্ডা জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে আসা শিশুর মা ফারজানা বেগম বলেন- আমার ১১মাস বয়সী বাচ্চাকে গতকাল একজন শিশু বিশেষজ্ঞ দেখিয়েছিলাম। তিনি বলেছেন ঠান্ডা জনিত নানাবিধ সমস্যা রয়েছে, হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে। ডাক্তারের পরামর্শে ক্লিনিকে ভর্তি হয়েছি, এখন অক্সিজেন চলছে।

জেলা শহরের সেই ক্লিনিকের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাক্তার সুমন্ত দাশ বলেন,  'এসময় শিশুদের জ্বর, সর্দি, কাশি সহ নানাবিধ সমস্যা দেখা দেয়, এর মধ্যে নিউমোনিয়ার লক্ষণই বেশি। আমরা প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা দিয়ে যাচ্ছি।'

এদিকে ২৫০ শয্যা হাসপাতালে শিশুকে নিয়ে এসেছেন মা মিতা আক্তার। তিনি বলেন বাচ্চার শরীর ঠান্ডা হয়ে যায়, সর্দিতে নাক বন্ধ হয়ে যায়।ডাক্তার দেখেছেন, ডাক্তার এর পরামর্শ অনুযায়ী এখন হাসপাতালের বিশেষ পরিচর্যা কেন্দ্রে ফটো থেরাপি সহ অন্য চিকিৎসা চলছে।

সদ্য ভূমিষ্ঠ আরেক শিশুর পিতা আকুল মিয়া বলেন, আমার বাচ্চা হাসপাতালে ভর্তি করার পর বলা হয়েছে ইনকিউবেটরে রাখতে হবে তাই নিয়ে এসেছি।

শিশু বিশেষজ্ঞ ড. বিশ্বজিৎ দেব জানান, শীতের সময় শিশুদের অধিক যত্ন নিতে হয়। কিন্ত আমাদের অধিকাংশ অভিভাবকেরা তেমন সচেতন নয়, ফলে শিশুদের নানাবিধ সমস্যা দেখা দিচ্ছে।

শিশু বিশেষজ্ঞ ড. আব্দুল্লাহ আল বাকী জানান, অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে। নিয়মিত কাপড় পরিবর্তন ও গরম কাপড় পরিধান করাতে হবে। সবসময় পরিস্কার পরিচ্ছন্ন ও জীবানুমুক্ত রাখতে হবে। এই সময় তরল খাবারে পাশাপাশি শীতকালীন সবজি, আঁশ জাতীয় খাবার ও ভিটামিন সি জাতীয় খাবার খাওয়ানো উচিত। শিশুদের যে কোন ধরনের সমস্যা হলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

 

এসকেএইচ//