• ঢাকা
  • রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর, ২০২২, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৯
প্রকাশিত: অক্টোবর ৬, ২০২২, ০১:১১ এএম
সর্বশেষ আপডেট : অক্টোবর ৬, ২০২২, ০১:১১ এএম

ডেঙ্গু রোগী

সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতাল

সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতাল
ফাইল ফটো

বাড়ছে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা। হাসপাতালে বাড়ছে রোগী। রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের। শয্যা না থাকায় মেঝেতেই বিছানা পাততে হয়েছে রোগীদের। 

চিকিৎসকরা বলছেন, এখনই এডিস মশা নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে হাসপাতালে রোগীর চাপ সামলানো কঠিন হবে। যথাযথ সেবা দেয়াও সম্ভব হবে না। 

দৃশ্যপট রাজধানীর মুগদা জেনারেল হাসপাতাল। একই পরিবারের চারজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছেন এই হাসপাতালে। 

এক হাতে বাবার জন্য প্লাটিলেট আরেক হাতে কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসা ভাইকে সান্তনা দিচ্ছেন। পরিবারের সবাইকে নিয়ে মহাবিপদে পড়েছেন পরিবারের বড় ছেলে। 

মুগদা হাসপাতালে গাদাগাদি করে চিকিৎসা নিচ্ছে রোগীরা। পর্যাপ্ত বিছানা নেই। তাই মেঝেতেই চলছে চিকিৎসা। প্রতিদিন গড়ে ত্রিশ থেকে পয়ত্রিশজন রোগী আসছেন হাসপাতালে। 

যাদের বেশিরভাগকেই ভর্তি করানো প্রয়োজন হচ্ছে। এখন মুগদায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা একশরও বেশি। তারা জানাচ্ছেন, ঘরে ঘরে এখন জ্বরের রোগী। 

কোনওভাবেই পরিবারের সদস্যদের এডিস মশা থেকে মুক্ত রাখা যাচ্ছে না। কেউ না কেউ আক্রান্ত হচ্ছেন এডিস মশাবাহিত এই রোগে। 

চিকিৎসকরা বলছেন, জ্বর হলে সবারই এখন ডেঙ্গু পরীক্ষা করাতে হবে। ঝুঁকি কমাতে শিশু কিম্বা বড় কারো ক্ষেত্রেই কোন অবহেলা করা যাবে না। 

কারণ একটু অবহেলাতেই প্লাটিলেট কমে গিয়ে ঘটতে পারে বিপর্যয়। যারা মারা যাচ্ছেন তাদের বেশিরভাগেরই রোগ শনাক্ত হয়েছে অনেক দেরিতে। 

রোগী বেড়েছে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী আর মিটফোর্ড হাসপাতালেও। সেখানে ভর্তি আছেন ১৫৪ জন রোগী। 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন, মশা নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা সংস্থাগুলোকে আরো কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে হবে। এখন পর্যন্ত সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৬১ জন।

জাগরণ/স্বাস্থ্য/এসএসকে